ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

অবসর নিলেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় দলের হয়ে অবসর নিয়েছিলেন আগেই। ক্লাব ফুটবলেও আপাতত কোনো দলের সঙ্গে চুক্তি ছিল না। এ অবস্থায় নতুন ক্লাবের দিকে না ছুটে পথচলাই থামিয়ে দিলেন জেরোমে বোয়াটেং। পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন এ ডিফেন্ডার।

জার্মানির জার্সিতে সবশেষ ২০১৮ সালে খেলেছেন বোয়াটেং। ক্লাব ক্যারিয়ারে সবশেষ খেলেছেন অস্ট্রিয়ান ক্লাব লাস্ক লিন্সে। ক্লাবটির সঙ্গে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তার চুক্তি ছিল। তবে গত ১৯ অগাস্ট পারস্পরিক সমঝোতায় সেই চুক্তির সমাপ্তি টানা হয়। এর ঠিক এক মাস পর বিদায়ের ঘোষণা দিলেন ৩৭ বছর বয়সী ডিফেন্ডার।

পেশাদার ফুটবলে ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে মোট সাতটি ক্লাবে খেলেছেন বোয়াটেং। তবে ফুটবলবিশ্ব তাকে মূলত বায়ার্নের বোয়াটেং হিসেবেই চেনে। ২০১১ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে জার্মানির সবচেয়ে বড় ক্লাবে যোগ দেন তিনি। এই ক্লাবে ১০ বছরে ৯টি বুন্দেসলিগা, দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দুটি ক্লাব বিশ্বকাপসহ ২২টি ট্রফি জিতেছেন এ ডিফেন্ডার।

জার্মানির হয়ে ৭৬ ম্যাচ খেলেছেন বোয়াটেং। ব্রাজিলে ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন তিনি। এছাড়া ২০১০ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া জার্মানি দলেও ছিলেন এই সেন্টারব্যাক। ২০২১ সালে বায়ার্ন ছাড়ার পর দুই মৌসুম ছিলেন অলিম্পিক লিওঁতে। এরপর ইতালির ক্লাব সালেরনিতানা হয়ে গত বছর লাস্কে যোগ দেন তিনি।

অবসর নিয়ে বোয়াটেং বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি। বড় বড় ক্লাবের হয়ে খেলেছি, আমার দেশের হয়ে খেলেছি। এই পথচলায় শিখেছি, জিতেছি, হেরেছি। সব মিলিয়ে সমৃদ্ধ হয়েছি। ফুটবল আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে, তবে এখন সময় সামনে তাকানোর। সব দল, সমর্থক ও যে মানুষগুলো আমাকে এগিয়ে নিয়েছে এবং সবকিছুর ওপরে আমার পরিবার, সন্তানেরা- সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

অবসর নিলেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার

আপডেট সময় ০৫:২৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় দলের হয়ে অবসর নিয়েছিলেন আগেই। ক্লাব ফুটবলেও আপাতত কোনো দলের সঙ্গে চুক্তি ছিল না। এ অবস্থায় নতুন ক্লাবের দিকে না ছুটে পথচলাই থামিয়ে দিলেন জেরোমে বোয়াটেং। পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন এ ডিফেন্ডার।

জার্মানির জার্সিতে সবশেষ ২০১৮ সালে খেলেছেন বোয়াটেং। ক্লাব ক্যারিয়ারে সবশেষ খেলেছেন অস্ট্রিয়ান ক্লাব লাস্ক লিন্সে। ক্লাবটির সঙ্গে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তার চুক্তি ছিল। তবে গত ১৯ অগাস্ট পারস্পরিক সমঝোতায় সেই চুক্তির সমাপ্তি টানা হয়। এর ঠিক এক মাস পর বিদায়ের ঘোষণা দিলেন ৩৭ বছর বয়সী ডিফেন্ডার।

পেশাদার ফুটবলে ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে মোট সাতটি ক্লাবে খেলেছেন বোয়াটেং। তবে ফুটবলবিশ্ব তাকে মূলত বায়ার্নের বোয়াটেং হিসেবেই চেনে। ২০১১ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে জার্মানির সবচেয়ে বড় ক্লাবে যোগ দেন তিনি। এই ক্লাবে ১০ বছরে ৯টি বুন্দেসলিগা, দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও দুটি ক্লাব বিশ্বকাপসহ ২২টি ট্রফি জিতেছেন এ ডিফেন্ডার।

জার্মানির হয়ে ৭৬ ম্যাচ খেলেছেন বোয়াটেং। ব্রাজিলে ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন তিনি। এছাড়া ২০১০ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া জার্মানি দলেও ছিলেন এই সেন্টারব্যাক। ২০২১ সালে বায়ার্ন ছাড়ার পর দুই মৌসুম ছিলেন অলিম্পিক লিওঁতে। এরপর ইতালির ক্লাব সালেরনিতানা হয়ে গত বছর লাস্কে যোগ দেন তিনি।

অবসর নিয়ে বোয়াটেং বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি। বড় বড় ক্লাবের হয়ে খেলেছি, আমার দেশের হয়ে খেলেছি। এই পথচলায় শিখেছি, জিতেছি, হেরেছি। সব মিলিয়ে সমৃদ্ধ হয়েছি। ফুটবল আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে, তবে এখন সময় সামনে তাকানোর। সব দল, সমর্থক ও যে মানুষগুলো আমাকে এগিয়ে নিয়েছে এবং সবকিছুর ওপরে আমার পরিবার, সন্তানেরা- সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।