ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইবান্ধায় ৭ লাখ টাকার প্রকল্পে পুকুরচুরি: চার মাসেই নদীতে বিলীন জেলা পরিষদের কাঠের সেতু ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে নিখোঁজ ভুট্টু ৭ দিনেও মেলেনি সন্ধান সৈয়দপুরে ভ্যান হারানো কিশোর রেজওয়ানকে নতুন ভ্যান উপহার দিল উপজেলা প্রশাসন ভিসা-টিকিট ঠিক থাকলেও বিমানের কাউন্টারে ‘টাকার খেলা’ মনোহরগঞ্জে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিন দেশ অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যার মধ্যে আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা মিরপুর বিআরটিএতে রাজস্ব কর্মকর্তা রুহুল আমিনের ‘দালাল সাম্রাজ্য’ হাতকড়িসহ পালিয়ে সরাসরি ফেসবুক লাইভে আসামি মিশরে বাস উল্টে ২২ জনের মৃত্যু

পীরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের জালিয়াতি চরমে

পীরগঞ্জের ছাতুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতিসহ নানান অপরাধের অভিযোগে ম্যানেজিং কমিটি তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আদালতে একাধিক মামলা করেছে। তারপরও তথ্য গোপন করে নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়ে অফিসিয়াল কাজকর্ম করার অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলাও হয়। মহামান্য হাইকোর্ট সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই প্রধান শিক্ষককে আগামী এক বছরের জন্য বিদ্যালয়ের কাজকর্ম না করার নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন। অপরদিকে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে উকিল নোটিশও দেয়া হয়েছে।

মামলা এবং এলাকাবাসীর সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের ছাতুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান চাকুরী থেকে ইস্তফা দিলে সহকারী শিক্ষক আরমান হোসেন মুকুলকে রেজ্যুলেশনমুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর বিদ্যালয়ের ই-মেইলের পাসওয়ার্ড আরমান হোসেন মুকুলের কাছে থাকায় তিনি নিজেকে পুর্নাঙ্গ প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদটি পাকাপোক্ত করতে ম্যানেজিং কমিটির অনেকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তার ২ টি নিয়োগ ও ৩ টি যোগদান দেখিয়ে ব্যানবেইস ডাটাবেজে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করেন। এছাড়াও বিদ্যালয়টিতে অফিস সহকারী কাম কেরানী পদে কামরুজ্জামান নামে একজনকে এইচএসসি পাশের আগেই ২০০৪ সালে নিয়োগ দিয়েছে। অথচ নিয়োগপ্রাপ্ত কেরানী ২০০৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন। পাশাপাশি তাকে বেতনভুক্ত করতে উপজেলা শিক্ষা কমিটির কাছ থেকেও তথ্য গোপন করে প্রত্যয়ন নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি উকিল নোটিশ দিয়েছেন। কথিত কেরানী কামরুজ্জামান বলেন, আমি আগে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী ছিলাম। পরে কাম্য যোগ্যতা হলে কেরানী পদে নিয়োগ নেই। উল্ল্যেখ্য ২০০৪ সালের পর আর কোন নিয়োগ বোর্ড হয়নি । তারপরও কিভাবে নিয়োগ পেলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। এমনকি কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি।

বিদ্যালয়টিতে গিয়ে জানা গেছে, ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টিতে সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে নিয়োগ ¯’গিত রাখা হলেও সেই পদে আবু হেনা মোস্তফা কামালকে শিক্ষক হিসেবে ব্যানবেইসে ডাটাবেজে তথ্য অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। আরমান হোসেন মুকুল তার সহ ৩ জন শিক্ষকের বেতনভাতার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ২০২৩ সালে এমপিও পাঠায়। বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির নজরে এলে ভাপরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, নানান অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে তাকে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সাময়িক বরখাস্ত করে সহকারী শিক্ষক মোছাঃ শাকিলা পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়। পাশাপাশি আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা করা হয়। এদিকে তথ্য গোপন করে সাময়িক বরখাস্তকৃত আরমান হোসেন মুকুল এডহক কমিটি গঠনের জন্য দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড থেকে চিঠি এনে পীরগঞ্জের ইউএনও’র কাছে ভুয়া অভিভাবক সদস্য মনোনয়ন নেন। এ ব্যাপারে অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে ভুয়া অভিভাবক নেয়ার সত্যতা পেয়ে ইউএনও সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যব¯’া নিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডকেও চিঠিটি বাতিলের অনুরোধ করেন। অপরদিকে শিক্ষাবোর্ড ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাকিলা পারভীনকে এডহক কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশ দেন। সেটিও ইউএনও’র কাছে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও কমিটির স্বাক্ষর জালিয়াতি বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষক তার স্ত্রী রোকসানা বেগম সহ ৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ব্যানবেইস ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান। পরে তাদেরকে বাতিলও করেন। সেইসাথে বরখাস্তকৃত শিক্ষক জালিয়াতি করে তার নামে ২টি পিডিএস আইডি নং- ১০১৪৩৪১৫২, ১০১৭৪৭৪৫৫ করেছে।

সুত্র জানায়, আরমান হোসেন মুকুল বর্তমান ইউএনও’র কাছ থেকে কৌশলে ম্বাক্ষর নিয়ে বেতনভাতার জন্য এমপিও পাঠালে বিষয়টি ইউএনও’র নজরে এলে সেটিও বাতিল করা হয়। সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষক বারংবার দূর্নীতি, জালিয়াতি করায় মহামান্য হাইকোর্টে তার বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন রীট করলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন বলেন, আমি বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা। আমার স্বাক্ষর জালিয়তি করে অনেক অপকর্ম করায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেনকে বরখাস্ত করে সিনিয়র শিক্ষক আজাহার আলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি অপারগতা প্রকাশ করলে সহকারী শিক্ষক শাকিলা পারভীনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ইউএনও খাদিজা বেগম বলেন, বিদ্যালয়টি নিয়ে অনেক জটিলতা চলছে। তাই কাগজপত্র না দেখে কিছু বলা যাচ্ছে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাইবান্ধায় ৭ লাখ টাকার প্রকল্পে পুকুরচুরি: চার মাসেই নদীতে বিলীন জেলা পরিষদের কাঠের সেতু

পীরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের জালিয়াতি চরমে

আপডেট সময় ০৬:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পীরগঞ্জের ছাতুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতিসহ নানান অপরাধের অভিযোগে ম্যানেজিং কমিটি তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আদালতে একাধিক মামলা করেছে। তারপরও তথ্য গোপন করে নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়ে অফিসিয়াল কাজকর্ম করার অভিযোগে আদালত অবমাননার মামলাও হয়। মহামান্য হাইকোর্ট সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই প্রধান শিক্ষককে আগামী এক বছরের জন্য বিদ্যালয়ের কাজকর্ম না করার নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন। অপরদিকে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে উকিল নোটিশও দেয়া হয়েছে।

মামলা এবং এলাকাবাসীর সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের ছাতুয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান চাকুরী থেকে ইস্তফা দিলে সহকারী শিক্ষক আরমান হোসেন মুকুলকে রেজ্যুলেশনমুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর বিদ্যালয়ের ই-মেইলের পাসওয়ার্ড আরমান হোসেন মুকুলের কাছে থাকায় তিনি নিজেকে পুর্নাঙ্গ প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদটি পাকাপোক্ত করতে ম্যানেজিং কমিটির অনেকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তার ২ টি নিয়োগ ও ৩ টি যোগদান দেখিয়ে ব্যানবেইস ডাটাবেজে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করেন। এছাড়াও বিদ্যালয়টিতে অফিস সহকারী কাম কেরানী পদে কামরুজ্জামান নামে একজনকে এইচএসসি পাশের আগেই ২০০৪ সালে নিয়োগ দিয়েছে। অথচ নিয়োগপ্রাপ্ত কেরানী ২০০৭ সালে এইচএসসি পাশ করেন। পাশাপাশি তাকে বেতনভুক্ত করতে উপজেলা শিক্ষা কমিটির কাছ থেকেও তথ্য গোপন করে প্রত্যয়ন নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি উকিল নোটিশ দিয়েছেন। কথিত কেরানী কামরুজ্জামান বলেন, আমি আগে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী ছিলাম। পরে কাম্য যোগ্যতা হলে কেরানী পদে নিয়োগ নেই। উল্ল্যেখ্য ২০০৪ সালের পর আর কোন নিয়োগ বোর্ড হয়নি । তারপরও কিভাবে নিয়োগ পেলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। এমনকি কাগজপত্রও দেখাতে পারেননি।

বিদ্যালয়টিতে গিয়ে জানা গেছে, ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টিতে সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে নিয়োগ ¯’গিত রাখা হলেও সেই পদে আবু হেনা মোস্তফা কামালকে শিক্ষক হিসেবে ব্যানবেইসে ডাটাবেজে তথ্য অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। আরমান হোসেন মুকুল তার সহ ৩ জন শিক্ষকের বেতনভাতার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ২০২৩ সালে এমপিও পাঠায়। বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির নজরে এলে ভাপরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, নানান অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে তাকে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সাময়িক বরখাস্ত করে সহকারী শিক্ষক মোছাঃ শাকিলা পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়। পাশাপাশি আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা করা হয়। এদিকে তথ্য গোপন করে সাময়িক বরখাস্তকৃত আরমান হোসেন মুকুল এডহক কমিটি গঠনের জন্য দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড থেকে চিঠি এনে পীরগঞ্জের ইউএনও’র কাছে ভুয়া অভিভাবক সদস্য মনোনয়ন নেন। এ ব্যাপারে অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষে ভুয়া অভিভাবক নেয়ার সত্যতা পেয়ে ইউএনও সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যব¯’া নিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডকেও চিঠিটি বাতিলের অনুরোধ করেন। অপরদিকে শিক্ষাবোর্ড ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাকিলা পারভীনকে এডহক কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশ দেন। সেটিও ইউএনও’র কাছে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও কমিটির স্বাক্ষর জালিয়াতি বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষক তার স্ত্রী রোকসানা বেগম সহ ৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ব্যানবেইস ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান। পরে তাদেরকে বাতিলও করেন। সেইসাথে বরখাস্তকৃত শিক্ষক জালিয়াতি করে তার নামে ২টি পিডিএস আইডি নং- ১০১৪৩৪১৫২, ১০১৭৪৭৪৫৫ করেছে।

সুত্র জানায়, আরমান হোসেন মুকুল বর্তমান ইউএনও’র কাছ থেকে কৌশলে ম্বাক্ষর নিয়ে বেতনভাতার জন্য এমপিও পাঠালে বিষয়টি ইউএনও’র নজরে এলে সেটিও বাতিল করা হয়। সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই শিক্ষক বারংবার দূর্নীতি, জালিয়াতি করায় মহামান্য হাইকোর্টে তার বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন রীট করলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত আরমান হোসেন মুকুলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন বলেন, আমি বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা। আমার স্বাক্ষর জালিয়তি করে অনেক অপকর্ম করায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরমান হোসেনকে বরখাস্ত করে সিনিয়র শিক্ষক আজাহার আলীকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি অপারগতা প্রকাশ করলে সহকারী শিক্ষক শাকিলা পারভীনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ইউএনও খাদিজা বেগম বলেন, বিদ্যালয়টি নিয়ে অনেক জটিলতা চলছে। তাই কাগজপত্র না দেখে কিছু বলা যাচ্ছে না।