ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢাললচর ইউনিয়নে রেশন কার্ডের চাল ওজনে কম দেওয়া ও বাড়তি অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠে রেশন কার্ডের ডিলার মো. জাকির পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে। রুহুলআমিন নামে এক ব্যক্তি জানান – রেশন কার্ডের চাল ৩০ কেজি দেওয়ার থাকলেও, আমরা পাই ২৭/২৮ কেজি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জনপ্রতি টাকা নির্ধারণ করা ৪৫০/ টাকা। তবে তারা নেয় ৫৫০ টাকা, তাহলে ডিলার জাকির পাটোয়ারী ১৫০ টাকা বাড়তি কেন নেন। এমন প্রশ্নের উত্তরে জাকির পাটোয়ারী বলে আওয়ামী লীগের আমলে নিয়েছে, তাই আমরা নিচ্ছি এমনটাই জানান রেশন কার্ডের ডিলার জাকির পাটোয়ারী। রুহলআমিন আরো বলেন – কোথাও কোন বিচার দিয়ে কোন প্রতিকার নেই। একবার এইরকম অনিয়মের কারণে আমজনতা ধাওয়া করলে ৪ মাস আর এলাকায় আসেনি। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে পুনরায় আবার এলাকায় ঢুকে, মূলত রেশন কার্ডের ডিলার জাকির পাটোয়ারী না, তার শ্বশুর মো. হারুন, শ্বশুরের ডিলার নিয়ে জাকির পাটোয়ারী এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চাল ওজনে কম ও বাড়তি অর্থ আদায় করে থাকে।
নজির আহমেদ ও ফিরোজ জানান- জাকির পাটোয়ারী রেশন কার্ডের চাল ওজনে কম ও বাড়তি অর্থ আদায় নিয়ে বহুবার তোফের মুখে পড়লেও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যান। এছাড়াও তিনি কার্ডধারীদের চাল না দিয়ে বাহিরে বিক্রি করে দেন। এই বিষয় কেউ কোন পদক্ষেপ নেননা।
ডালচর ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহাঙ্গীর মাতাব্বর জানান- জাকির পাটোয়ারী ৫ আগষ্টের পর থেকে বাড়তি টাকা তো নেয়, এছাড়াও কার্ডধারীদের চাল না দিয়ে বাহিরের দোকানে বিক্রি করে দেন। তাকে এই বিষয় একাধিকবার বললেও কথা শুনেন না। এবং চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও একাধিকবার বললেও কোন সুরাহা পাইনি।
চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান- জাকির পাটোয়ারীর অনিয়মের বিষয়টি যেহেতু জানিয়েছেন, বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব।
রিয়াজ ফরাজি (ভোলা) 






















