সংবাদ শিরোনাম ::
দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, চলছে পায়ের থেরাপি অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস গঙ্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জসীমউদ্দীন বাবুলের পথচলায় দোয়া ও সমর্থন–জনগণের সেবায় সফলতা কামনা লক্ষ্মীপুরের সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ: শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে ভয়ংকর জালিয়াতির অভিযোগ ভোলাহাটে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২৬ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত!  নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

মাঠের অবস্থা দেখে ‘কান্না চলে এসেছে’ বিসিবি সভাপতির

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬০৩ বার পড়া হয়েছে

প্রায় ২০ বছর আগে আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে যাত্রা শুরু করা ফতুল্লার শহীদ রিয়া গোপ স্টেডিয়াম (সাবেক খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়াম) এখন পড়ে আছে রুগ্ন অবস্থায়। মূল মাঠ বা বাইরের মাঠ- কোনটিই খেলার উপযুক্ত নয়। ওই মাঠ ঘুরে দেখে তাই কান্না পাচ্ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। ২০০৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজিত হয় এই মাঠে। ওই বছরই ফতুল্লায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় একটি টেস্ট ম্যাচও খেলে বাংলাদেশ।

এছাড়া ২০১৪ সালের এশিয়া কাপ, ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ ও অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালসহ অনেক স্মরণীয় ম্যাচের সাক্ষী ফতুল্লা স্টেডিয়াম। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে খেলা অনুপযোগী অবস্থায় পড়ে আছে এই মাঠ।

২০১৬ সালের পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়নি ফতুল্লায়। প্রায় দুই বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলাও হচ্ছে না সেখানে। অবশ্য হওয়ার কোনো অবস্থাও নেই। বছরের বেশিরভাগ সময় পানির নিচে ডুবে থাকত দেখে, বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে ভেতরের ও বাইরের মাঠ।

ফলে এখন গ্যালারিরও অনেকটা চলে গেছে বালুর নিচে। তাই মাঠের পাশাপাশি গ্যালারিও তৈরি করতে হবে নতুন করে। কিন্তু খুবই ধীরগতিতে চলছে এই সংস্কারকাজ। কবে নাগাদ শেষ হবে কাজ আর কবে আবার শুরু হবে ওই মাঠে খেলা, তা বলতে পারে না কেউই। এর মধ্যেই রোববার ফতুল্লা স্টেডিয়াম ও নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেটের হালচাল দেখতে যান বুলবুল। সেখানে ফতুল্লা স্টেডিয়াম ঘুরে কষ্ট পাওয়ার কথা বলেন বিসিবি সভাপতি।

তার ভাষায়, আমি ফতুল্লা স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম। স্টেডিয়ামটির করুণ অবস্থা দেখে আমার কান্না চলে আসছে। এখানে একসময় অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। অথচ এই মাঠটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত করুণ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী

মাঠের অবস্থা দেখে ‘কান্না চলে এসেছে’ বিসিবি সভাপতির

আপডেট সময় ০৬:১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

প্রায় ২০ বছর আগে আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে যাত্রা শুরু করা ফতুল্লার শহীদ রিয়া গোপ স্টেডিয়াম (সাবেক খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়াম) এখন পড়ে আছে রুগ্ন অবস্থায়। মূল মাঠ বা বাইরের মাঠ- কোনটিই খেলার উপযুক্ত নয়। ওই মাঠ ঘুরে দেখে তাই কান্না পাচ্ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের। ২০০৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজিত হয় এই মাঠে। ওই বছরই ফতুল্লায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় একটি টেস্ট ম্যাচও খেলে বাংলাদেশ।

এছাড়া ২০১৪ সালের এশিয়া কাপ, ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ ও অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালসহ অনেক স্মরণীয় ম্যাচের সাক্ষী ফতুল্লা স্টেডিয়াম। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে খেলা অনুপযোগী অবস্থায় পড়ে আছে এই মাঠ।

২০১৬ সালের পর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয়নি ফতুল্লায়। প্রায় দুই বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলাও হচ্ছে না সেখানে। অবশ্য হওয়ার কোনো অবস্থাও নেই। বছরের বেশিরভাগ সময় পানির নিচে ডুবে থাকত দেখে, বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে ভেতরের ও বাইরের মাঠ।

ফলে এখন গ্যালারিরও অনেকটা চলে গেছে বালুর নিচে। তাই মাঠের পাশাপাশি গ্যালারিও তৈরি করতে হবে নতুন করে। কিন্তু খুবই ধীরগতিতে চলছে এই সংস্কারকাজ। কবে নাগাদ শেষ হবে কাজ আর কবে আবার শুরু হবে ওই মাঠে খেলা, তা বলতে পারে না কেউই। এর মধ্যেই রোববার ফতুল্লা স্টেডিয়াম ও নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেটের হালচাল দেখতে যান বুলবুল। সেখানে ফতুল্লা স্টেডিয়াম ঘুরে কষ্ট পাওয়ার কথা বলেন বিসিবি সভাপতি।

তার ভাষায়, আমি ফতুল্লা স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম। স্টেডিয়ামটির করুণ অবস্থা দেখে আমার কান্না চলে আসছে। এখানে একসময় অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। অথচ এই মাঠটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত করুণ।