ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অফিস কক্ষের আলমারি ভেঙে নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি লুট এম এ কাসেমের শতকোটি টাকার অনিয়ম সাউথইস্ট ব্যাংক চেয়ারম্যান ও ভাগ্নি জামাইর দূর্নীতি মিঠাপুকুরে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু, ৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার সিএমপি’র আকবরশাহ থানার অভিযানে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভালুকায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও অনিয়মের অভিযোগ লামায় রাতের আধাঁরে জোরপূর্বক মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে যাকে নিয়ে চলছে দুদকের তদন্ত, তিনিই পেলেন বিমানের বড় পদ প্রধান প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলামের সিন্ডিকেটে জিম্মি নৌপথ গণপূর্তের লাইসেন্স শাখায় চলছে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য

বিশ্বকাপ ফুটবলের এত দামি স্টেডিয়ামের কী হবে

মূল বিষয় হলো কাতার বিশ্বকাপের জন্য স্টেডিয়াম ৯৭৪ অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয়েছে। মোট ৯৭৪টি কনটেইনার দিয়ে তৈরির কারণেই এই স্টেডিয়ামের নাম দেওয়া হয়েছে স্টেডিয়াম ৯৭৪। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই প্রথম অস্থায়ী স্টেডিয়াম। মডিউলার স্টিল ও শিপিং কনটেইনার দিয়ে তৈরির কারণেই বিশ্বকাপের শেষে সহজেই ভেঙে ফেলা যাবে এই স্টেডিয়াম। স্টেডিয়াম ভাঙার সময় যাতে দূষণ না হয়, সেটা নিয়ে আলাদা ভাবনাও আছে কাতার প্রশাসনের। এমনকি প্রয়োজনে ওই কনটেইনার পুনরায় ব্যবহারও করা যাবে। এমনকি দরকার পড়লে অন্য দেশেও স্থানান্তর করা যাবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা এই স্টেডিয়ামের নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করলেও এর সম্পর্কে আরও অনেক কিছুই অজানা রয়ে গেছে বলে মনে করেন তাঁরা। তাঁদের মতে, বিশ্বকাপের পর ঠিক কী করা হবে স্টেডিয়ামটির ধ্বংসাবশেষ নিয়ে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন বিশেষজ্ঞরা। কোনো কিছুই পরিষ্কার নয়।

২০১১ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পায় কাতার। এরপর ২০১৮ সালে শুরু হয় এই স্টেডিয়াম তৈরির কাজ। ৪৪ হাজার ৮৯ আসনবিশিষ্ট এই স্টেডিয়াম তৈরি করতে লেগেছিল প্রায় তিন বছর। বিশ্বকাপ–যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ফিফা আরব কাপের ছয়টি ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল সেখানে। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে সৌদি আরব, কাতার, জর্দান, সুদান এই স্টেডিয়ামে খেলেছে।

কাতারে আরও আয়োজন
ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে কাতার যেসব স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছে, সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে থাকবে, তা নয়। ২০২৪ সালে এশিয়ান কাপ ফুটবলের স্বাগতিক দেশ তারা। হতে পারে, সেই সময় এই স্টেডিয়াম আবার ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া ২০৩০ সালে এশিয়ান গেমসেরও স্বাগতিক দেশ কাতার। ফলে তখনো এই স্টেডিয়াম ব্যবহার করা হতে পারে। মোদ্দাকথা হলো, এই স্টেডিয়ামের ভূতভবিষ্যৎ এখনো পরিষ্কার নয়। তবে নান্দনিক এই স্টেডিয়াম আবারও ব্যবহারের সুযোগ আছে।

কাতার বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামগুলো নির্মাণ করতে প্রায় ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে, যা মোট ব্যয়ের (৩০ হাজার কোটি ডলার) খুবই সামান্য। তবে এই স্টেডিয়াম তার নির্মাণশৈলীর জন্যই খ্যাত হয়ে থাকবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিস কক্ষের আলমারি ভেঙে নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি লুট

বিশ্বকাপ ফুটবলের এত দামি স্টেডিয়ামের কী হবে

আপডেট সময় ১২:২১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

মূল বিষয় হলো কাতার বিশ্বকাপের জন্য স্টেডিয়াম ৯৭৪ অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয়েছে। মোট ৯৭৪টি কনটেইনার দিয়ে তৈরির কারণেই এই স্টেডিয়ামের নাম দেওয়া হয়েছে স্টেডিয়াম ৯৭৪। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই প্রথম অস্থায়ী স্টেডিয়াম। মডিউলার স্টিল ও শিপিং কনটেইনার দিয়ে তৈরির কারণেই বিশ্বকাপের শেষে সহজেই ভেঙে ফেলা যাবে এই স্টেডিয়াম। স্টেডিয়াম ভাঙার সময় যাতে দূষণ না হয়, সেটা নিয়ে আলাদা ভাবনাও আছে কাতার প্রশাসনের। এমনকি প্রয়োজনে ওই কনটেইনার পুনরায় ব্যবহারও করা যাবে। এমনকি দরকার পড়লে অন্য দেশেও স্থানান্তর করা যাবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা এই স্টেডিয়ামের নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করলেও এর সম্পর্কে আরও অনেক কিছুই অজানা রয়ে গেছে বলে মনে করেন তাঁরা। তাঁদের মতে, বিশ্বকাপের পর ঠিক কী করা হবে স্টেডিয়ামটির ধ্বংসাবশেষ নিয়ে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন বিশেষজ্ঞরা। কোনো কিছুই পরিষ্কার নয়।

২০১১ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পায় কাতার। এরপর ২০১৮ সালে শুরু হয় এই স্টেডিয়াম তৈরির কাজ। ৪৪ হাজার ৮৯ আসনবিশিষ্ট এই স্টেডিয়াম তৈরি করতে লেগেছিল প্রায় তিন বছর। বিশ্বকাপ–যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ফিফা আরব কাপের ছয়টি ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল সেখানে। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে সৌদি আরব, কাতার, জর্দান, সুদান এই স্টেডিয়ামে খেলেছে।

কাতারে আরও আয়োজন
ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে কাতার যেসব স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছে, সেগুলো অব্যবহৃত পড়ে থাকবে, তা নয়। ২০২৪ সালে এশিয়ান কাপ ফুটবলের স্বাগতিক দেশ তারা। হতে পারে, সেই সময় এই স্টেডিয়াম আবার ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া ২০৩০ সালে এশিয়ান গেমসেরও স্বাগতিক দেশ কাতার। ফলে তখনো এই স্টেডিয়াম ব্যবহার করা হতে পারে। মোদ্দাকথা হলো, এই স্টেডিয়ামের ভূতভবিষ্যৎ এখনো পরিষ্কার নয়। তবে নান্দনিক এই স্টেডিয়াম আবারও ব্যবহারের সুযোগ আছে।

কাতার বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামগুলো নির্মাণ করতে প্রায় ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে, যা মোট ব্যয়ের (৩০ হাজার কোটি ডলার) খুবই সামান্য। তবে এই স্টেডিয়াম তার নির্মাণশৈলীর জন্যই খ্যাত হয়ে থাকবে।