ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুগদা মেডিকেল ঘিরে ডায়াগনস্টিকের ‘সিন্ডিকেট’! রোগী পাঠানোর নেপথ্যে কারা? পাবনা গণপূর্তে রাশেদ কবীরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ পিডিবিএফে মাহমুদ হাসানকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের ছড়াছড়ি, হাজার কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ ৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানায় সশস্ত্র হামলা আটক ৫

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএমের দুটি কারখানায় সম্প্রতি সংঘটিত সশস্ত্র হামলার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার র‌্যাব-৭। সোমবার (৪ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন।
এর আগে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউরি এলাকা থেকে প্রথমে মো. তাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জোরারগঞ্জ থানার  পূর্ব হিঙ্গুলীর মো. নুর আলমের ছেলে মো. তাজুল ইসলাম (২৭), একই থানার পরাগলপুরের বশির আহম্মদের ছেলে মো. ইমন (২৬), নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. সাদেক হোসেন (৩০), আলাউদ্দিনের ছেলেন মো. হাসান (২২) এবং চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার সেংগুয়া এলাকার মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. মাহবুব (২৬)।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১ আগস্ট রাতে স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ‘হক সাব’-এর নেতৃত্বে ১৮-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রসহ বিএসআরএম স্টিল রোলিং-২ ও স্টিল মেলটিং-২ কারখানায় আক্রমণ চালায়। হামলাকারীরা কারখানার অফিস ও অন্যান্য স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান যন্ত্রাংশ, নির্মাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। হামলার সময় কারখানার কর্মকর্তা মো. শাহ আলম, নিরাপত্তাকর্মী মোরশেদ, ডাম্প ট্রাক চালক সোহাগসহ কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্ক্র্যাপ লোহা, টিন ও নগদ অর্থ লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা। তারা নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ বন্ধ না করলে হত্যার হুমকি দেয় এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মীর নাম ধরে খোঁজ করতে থাকে।
জোরারগঞ্জ থানায় অফিসার ইনচার্জ জানান, ঘটনার পর বিএসআরএম কারখানার ম্যানেজার মো. দেলোয়ার হোসেন মোল্লা জোরারগঞ্জ থানায় ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়ার জন্য জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব-৭।।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুগদা মেডিকেল ঘিরে ডায়াগনস্টিকের ‘সিন্ডিকেট’! রোগী পাঠানোর নেপথ্যে কারা?

মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানায় সশস্ত্র হামলা আটক ৫

আপডেট সময় ০৮:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএমের দুটি কারখানায় সম্প্রতি সংঘটিত সশস্ত্র হামলার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার র‌্যাব-৭। সোমবার (৪ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন।
এর আগে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউরি এলাকা থেকে প্রথমে মো. তাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জোরারগঞ্জ থানার  পূর্ব হিঙ্গুলীর মো. নুর আলমের ছেলে মো. তাজুল ইসলাম (২৭), একই থানার পরাগলপুরের বশির আহম্মদের ছেলে মো. ইমন (২৬), নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. সাদেক হোসেন (৩০), আলাউদ্দিনের ছেলেন মো. হাসান (২২) এবং চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার সেংগুয়া এলাকার মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. মাহবুব (২৬)।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১ আগস্ট রাতে স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ‘হক সাব’-এর নেতৃত্বে ১৮-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রসহ বিএসআরএম স্টিল রোলিং-২ ও স্টিল মেলটিং-২ কারখানায় আক্রমণ চালায়। হামলাকারীরা কারখানার অফিস ও অন্যান্য স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান যন্ত্রাংশ, নির্মাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। হামলার সময় কারখানার কর্মকর্তা মো. শাহ আলম, নিরাপত্তাকর্মী মোরশেদ, ডাম্প ট্রাক চালক সোহাগসহ কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্ক্র্যাপ লোহা, টিন ও নগদ অর্থ লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা। তারা নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ বন্ধ না করলে হত্যার হুমকি দেয় এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মীর নাম ধরে খোঁজ করতে থাকে।
জোরারগঞ্জ থানায় অফিসার ইনচার্জ জানান, ঘটনার পর বিএসআরএম কারখানার ম্যানেজার মো. দেলোয়ার হোসেন মোল্লা জোরারগঞ্জ থানায় ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়ার জন্য জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব-৭।।