ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পবিপ্রবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি পাওয়ায় প্রফেসর মো. শাহাদাত হোসেনকে সংবর্ধনা সিএফও তাপস পালের বিরুদ্ধে ১২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রাকাবের এমডি নিয়োগে উঠছে যোগ্যতার প্রশ্ন বদলে গেলেন বিআইডব্লিউটিএর আরিফ উদ্দিন ফেনীতে ১১ দলীয় ঐক্যের মিছিলে ককটেল নিক্ষেপ চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-২-এর প্রকৌশলী মহিবুলকে ঘিরে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ পীরগাছা সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দম্ভ ও হয়রানির অভিযোগ প্রকৌশলী আনিছুর রহমানকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ ৮৮৪ কোটি টাকার রেল প্রকল্পে বড় প্যাকেজ, সীমিত দরদাতায় সিন্ডিকেটের শঙ্কা

মনোহরগঞ্জে মহেন্দ্র খাল দখলে জলাবদ্ধতা -দুর্ভোগে লাখো মানুষ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মহেন্দ্র খাল, এই খালটি ২০ কিলোমিটার এলাকার অধিকাংশ দখল হয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার লাখো মানুষ। বেশি দখল হয়েছে উপজেলার হাসনাবাদ বাজার এলাকায়। এখানে খালের ওপর গড়ে উঠেছে ৫ তলা মার্কেটসহ অসংখ্য অবকাঠামো। কেউ আবার খালে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ ধরছেন, কেউ মাছ চাষ করছেন। অবৈধ অবকাঠামো ভাড়া দিয়ে দখলবাজরা সুবিধা নিচ্ছেন। এতে বৃষ্টি ও বর্ষায় সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার। এই জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘর, মাছের ঘের এবং ফসলি মাঠ পানিতে ভেসে যাচ্ছে। খালের অবৈধ স্থাপনা ও বাঁধ অপসারণের দাবি জানিয়েছেন সচেতনরা।স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার শরীফপুর এলাকার ডাকাতিয়া নদী থেকে খালটি উৎপন্ন হয়েছে। সেটি উপজেলার হাসনাবাদ হয়ে বিপুলাসার এলাকার নদনা খালে মিলিত হয়েছে। খালের বিভিন্ন এলাকা ভরাট হয়ে গেছে। কোথাও বাড়িঘর ও দোকান গড়ে তোলা হয়েছে।স্থানীয় জামাল হোসেন, জসিম উদ্দিন,মিজানুররহমান বলেন- উপজেলার অধিকাংশ খাল দখল হয়ে গেছে। ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারি প্রতিষ্ঠানও খাল ভরাট করছে। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী নৌকা ঘাট, হালট, পথঘাট লিজ বা ইজারা দেয়ার সুযোগ নেই। সেটিও নকল কাগজপত্র তৈরি করে লিজ দেয়া হচ্ছে।মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন, এই উপজেলার জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। এতে ফসল উৎপাদন বিঘ্নিত হয়। তার উল্লেখযোগ্য কারণ খাল দখল। খাল গুলোর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে আমরা কাজ করছি। আশা করছি সবাই আন্তরিক হলে এই দখল প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিপ্রবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত

মনোহরগঞ্জে মহেন্দ্র খাল দখলে জলাবদ্ধতা -দুর্ভোগে লাখো মানুষ

আপডেট সময় ০১:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মহেন্দ্র খাল, এই খালটি ২০ কিলোমিটার এলাকার অধিকাংশ দখল হয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার লাখো মানুষ। বেশি দখল হয়েছে উপজেলার হাসনাবাদ বাজার এলাকায়। এখানে খালের ওপর গড়ে উঠেছে ৫ তলা মার্কেটসহ অসংখ্য অবকাঠামো। কেউ আবার খালে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ ধরছেন, কেউ মাছ চাষ করছেন। অবৈধ অবকাঠামো ভাড়া দিয়ে দখলবাজরা সুবিধা নিচ্ছেন। এতে বৃষ্টি ও বর্ষায় সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার। এই জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘর, মাছের ঘের এবং ফসলি মাঠ পানিতে ভেসে যাচ্ছে। খালের অবৈধ স্থাপনা ও বাঁধ অপসারণের দাবি জানিয়েছেন সচেতনরা।স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার শরীফপুর এলাকার ডাকাতিয়া নদী থেকে খালটি উৎপন্ন হয়েছে। সেটি উপজেলার হাসনাবাদ হয়ে বিপুলাসার এলাকার নদনা খালে মিলিত হয়েছে। খালের বিভিন্ন এলাকা ভরাট হয়ে গেছে। কোথাও বাড়িঘর ও দোকান গড়ে তোলা হয়েছে।স্থানীয় জামাল হোসেন, জসিম উদ্দিন,মিজানুররহমান বলেন- উপজেলার অধিকাংশ খাল দখল হয়ে গেছে। ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারি প্রতিষ্ঠানও খাল ভরাট করছে। প্রচলিত বিধান অনুযায়ী নৌকা ঘাট, হালট, পথঘাট লিজ বা ইজারা দেয়ার সুযোগ নেই। সেটিও নকল কাগজপত্র তৈরি করে লিজ দেয়া হচ্ছে।মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন, এই উপজেলার জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। এতে ফসল উৎপাদন বিঘ্নিত হয়। তার উল্লেখযোগ্য কারণ খাল দখল। খাল গুলোর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে আমরা কাজ করছি। আশা করছি সবাই আন্তরিক হলে এই দখল প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।