ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুর ইসলামের নেতৃত্বে টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে চলছে হরিলুট

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে চলছে হরিলুট। নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুর ইসলামের নেতৃত্বে হয়ে আসছে এই অনৈতিক লুটপাট। তার সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগে চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের স্বাক্ষরিত ২৫.৩৬০০০০.২১৫.১৯.১০৩.২১-১১৭৬ নং স্মারকে তাকে মেহেরপুরে বদলী করা হয়। উক্ত বদলী আদেশে অনুযায়ী তাকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চার্জ হস্তান্তরের জন্য বলা হলেও লুটপাটের প্রমাণাদি গোপণ বা লোপাট করতে মোটা অংকের টাকা খরচ করে ওই চার্জ হস্তান্তরের তারিখকে ৯ দিন বাড়িয়ে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। এতে টাঙ্গাইল গণপুর্ত বিভাগের সাধারণ ঠিকাদার, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে, এ খবর সংশ্লিষ্ট সুত্রের।

জানা গেছে , প্রকৌশলী তৌহিদ নিজের স্ত্রীর নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খুলে নিজেই ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে কাজ বরাদ্দ করে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। এই প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স দি আর্থ কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা, ছ-১২/এ বেভারলি হিল, চট্টেশরী রোড, চট্টগ্রাম। এই এলাকাটিতেই প্রকৌশলী তৌহিদ স্থায়ীভাবে বসবাস করেন বলে জানা গেছে। আর তৌহিদ যেখানেই পোষ্টিং নিয়ে যান সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের নামে লাভজনক কাজগুলো বরাদ্দ করিয়ে থাকেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে ৪টি কাজের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে। এগুলো যথাক্রমে, ৩৭৯৪৪২.১৭৯ টাকা বরাদ্দে জেলার ও ডেপুটি জেলারের বাংলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, এর টেন্ডার আইডি- ৯৭৮৮৫৮, ৩৭৯৫৮৪ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল সিজেএম কোর্ট ভবনের বিভিন্ন কক্ষের প্লাস্টার ও রংকরন সহ জরুরী মেরামত কাজ, এর টেন্ডার আইডি – ৯৮৭৮২৪: ৩৭৯৩৬৩.২১৫ টাকা বরাদ্দে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে বার্ষিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণসহ টাইলস স্থাপনের কাজ, এর টেন্ডার আইডি – ৯৮৭৮৩০ এবং ৫৬৯৯৯৩.০৮৬ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল গণপূর্তর এসডিই বাংলোর ভিতরে কার পার্কিং ও সড়ক তৈরীর কাজ, এর টেন্ডার আইডি হ”েছ ৯৮৪৫০১। এই কাজগুলো বেশীরভাগই নামেমাত্র কাজ দেখিয়ে ৭০% বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টাঙ্গাইল গণপূর্তের একটি নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি ।

এছাড়াও প্রকৌশলী তৌহিদ আরো একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই কাজ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ময়মনসিংহের ঠিকানায় ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ২০২৩-২৯২৪ অর্থবছরে ৯০৮৭৬৯ নং টেন্ডার আইডি’র মাধ্যমে ২৬৯৯২০০.৩৫০ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইলে ১ম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পূর্ত মেরামত ও নবায়ন কাজ এবং ৯০৮৯৮৯ নং টেন্ডার আইডির মাধ্যমে ৮৯৩০১৯.৯৯৬ টাকা বরাদ্দে একই কেন্দ্রের বৈদ্যুতিক মেরামত কাজের নামে নামকাওয়াস্তে কাজ করিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদ বেশীরভাগ অর্থ লোপাট করেছেন।

পাশাপাশি টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে বিথী কনস্ট্রাকশন, মেসার্স মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজসহ আরো দুই একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে লুটেরা সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন এই প্রকৌশলী। তাদের কাছ থেকে বরাদ্দের ১০% নগদ নিয়ে এপিপি’র বেশীরভাগ কাজ ওই সকল প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেনন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ঠিকাদারগণ।

এছাড়াও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ওপি এবং ৩৮ এর বরাদ্দ এনে ১০%/১৫% নিয়ে ইস্টিমেট বিক্রি করেছেন প্রকৌশলী তৌহিদ। একই কাজের নামে তুই/তিনজন ঠিকাদারের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন তিনি। ওই অর্থবছরে যারা টাকা দিয়েও কাজ পাননি তাদেরকে পরবর্তী বছরে কাজ দিয়ে সমন্বয় করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে রেখেছেন ধুর্ত এই পূর্ত কর্মকর্তা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অর্ধকোটির বেশী থোক বরাদ্দ আসে বিশেষ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য। এই বরাদ্দ নিয়েও প্রকৌশলী তৌহিদ নিজে ইস্টিমেট বানিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদেরকে দিয়েছেন মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে।

গত ডিসেম্বর মাসে ডিভিশনটির দায়িত্বে এসে প্রকৌশলী তৌহিদ টেন্ডারবাজি. গোপণ ঠিকাদারী ব্যবসা ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রটি নিশ্চিত করেছেন। এর পূর্বে তিনি ছিলেন পিরোজপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন, সেখানে প্রায় তিনবছরের দায়িত্ব পালনে দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে ডিভিশনটিকে যাচ্ছে তাই অবস্থা করে দিয়ে এসেছেন।

গোপণে ঠিকাদারী ব্যবসার কারণে সেখানে স্থানীয় ঠিকাদারদের হাতে কয়েক দফা লাঞ্ছিত ও হয়েছেন বলে জানা গেছে । এর পূর্বে তিনি মেডিকেল ডিভিশন গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বে থাকতে টেন্ডার জালিয়াতির কারণে দেড়বছরের মাথায় তাকে পিরোজপুরে বদলী করা হয়েছিলো। মেডিকেল ডিভিশনের ওই আর্থ কনস্ট্রাকশনের নামে কয়েক কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন দেখিয়েছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম।

এ সকল বিষয় নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী এস,এম তৌহিদুর ইসলাম এর বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার কোন প্রকার বক্তব্য প্রকাশিত হলো না। ।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুর ইসলামের নেতৃত্বে টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে চলছে হরিলুট

আপডেট সময় ১২:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে চলছে হরিলুট। নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম তৌহিদুর ইসলামের নেতৃত্বে হয়ে আসছে এই অনৈতিক লুটপাট। তার সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগে চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের স্বাক্ষরিত ২৫.৩৬০০০০.২১৫.১৯.১০৩.২১-১১৭৬ নং স্মারকে তাকে মেহেরপুরে বদলী করা হয়। উক্ত বদলী আদেশে অনুযায়ী তাকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চার্জ হস্তান্তরের জন্য বলা হলেও লুটপাটের প্রমাণাদি গোপণ বা লোপাট করতে মোটা অংকের টাকা খরচ করে ওই চার্জ হস্তান্তরের তারিখকে ৯ দিন বাড়িয়ে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। এতে টাঙ্গাইল গণপুর্ত বিভাগের সাধারণ ঠিকাদার, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে, এ খবর সংশ্লিষ্ট সুত্রের।

জানা গেছে , প্রকৌশলী তৌহিদ নিজের স্ত্রীর নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খুলে নিজেই ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে কাজ বরাদ্দ করে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। এই প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স দি আর্থ কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা, ছ-১২/এ বেভারলি হিল, চট্টেশরী রোড, চট্টগ্রাম। এই এলাকাটিতেই প্রকৌশলী তৌহিদ স্থায়ীভাবে বসবাস করেন বলে জানা গেছে। আর তৌহিদ যেখানেই পোষ্টিং নিয়ে যান সেখানে এই প্রতিষ্ঠানের নামে লাভজনক কাজগুলো বরাদ্দ করিয়ে থাকেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ওই প্রতিষ্ঠানটির নামে টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে ৪টি কাজের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে। এগুলো যথাক্রমে, ৩৭৯৪৪২.১৭৯ টাকা বরাদ্দে জেলার ও ডেপুটি জেলারের বাংলোর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, এর টেন্ডার আইডি- ৯৭৮৮৫৮, ৩৭৯৫৮৪ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল সিজেএম কোর্ট ভবনের বিভিন্ন কক্ষের প্লাস্টার ও রংকরন সহ জরুরী মেরামত কাজ, এর টেন্ডার আইডি – ৯৮৭৮২৪: ৩৭৯৩৬৩.২১৫ টাকা বরাদ্দে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে বার্ষিক মেরামত রক্ষণাবেক্ষণসহ টাইলস স্থাপনের কাজ, এর টেন্ডার আইডি – ৯৮৭৮৩০ এবং ৫৬৯৯৯৩.০৮৬ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইল গণপূর্তর এসডিই বাংলোর ভিতরে কার পার্কিং ও সড়ক তৈরীর কাজ, এর টেন্ডার আইডি হ”েছ ৯৮৪৫০১। এই কাজগুলো বেশীরভাগই নামেমাত্র কাজ দেখিয়ে ৭০% বরাদ্দ লোপাট করা হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টাঙ্গাইল গণপূর্তের একটি নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি ।

এছাড়াও প্রকৌশলী তৌহিদ আরো একটি প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই কাজ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ময়মনসিংহের ঠিকানায় ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ। এই প্রতিষ্ঠানটির নামে ২০২৩-২৯২৪ অর্থবছরে ৯০৮৭৬৯ নং টেন্ডার আইডি’র মাধ্যমে ২৬৯৯২০০.৩৫০ টাকা বরাদ্দে টাঙ্গাইলে ১ম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পূর্ত মেরামত ও নবায়ন কাজ এবং ৯০৮৯৮৯ নং টেন্ডার আইডির মাধ্যমে ৮৯৩০১৯.৯৯৬ টাকা বরাদ্দে একই কেন্দ্রের বৈদ্যুতিক মেরামত কাজের নামে নামকাওয়াস্তে কাজ করিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদ বেশীরভাগ অর্থ লোপাট করেছেন।

পাশাপাশি টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগে বিথী কনস্ট্রাকশন, মেসার্স মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজসহ আরো দুই একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে লুটেরা সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন এই প্রকৌশলী। তাদের কাছ থেকে বরাদ্দের ১০% নগদ নিয়ে এপিপি’র বেশীরভাগ কাজ ওই সকল প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেনন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ঠিকাদারগণ।

এছাড়াও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে ওপি এবং ৩৮ এর বরাদ্দ এনে ১০%/১৫% নিয়ে ইস্টিমেট বিক্রি করেছেন প্রকৌশলী তৌহিদ। একই কাজের নামে তুই/তিনজন ঠিকাদারের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন তিনি। ওই অর্থবছরে যারা টাকা দিয়েও কাজ পাননি তাদেরকে পরবর্তী বছরে কাজ দিয়ে সমন্বয় করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে রেখেছেন ধুর্ত এই পূর্ত কর্মকর্তা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অর্ধকোটির বেশী থোক বরাদ্দ আসে বিশেষ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য। এই বরাদ্দ নিয়েও প্রকৌশলী তৌহিদ নিজে ইস্টিমেট বানিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদেরকে দিয়েছেন মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে।

গত ডিসেম্বর মাসে ডিভিশনটির দায়িত্বে এসে প্রকৌশলী তৌহিদ টেন্ডারবাজি. গোপণ ঠিকাদারী ব্যবসা ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রটি নিশ্চিত করেছেন। এর পূর্বে তিনি ছিলেন পিরোজপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন, সেখানে প্রায় তিনবছরের দায়িত্ব পালনে দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে ডিভিশনটিকে যাচ্ছে তাই অবস্থা করে দিয়ে এসেছেন।

গোপণে ঠিকাদারী ব্যবসার কারণে সেখানে স্থানীয় ঠিকাদারদের হাতে কয়েক দফা লাঞ্ছিত ও হয়েছেন বলে জানা গেছে । এর পূর্বে তিনি মেডিকেল ডিভিশন গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বে থাকতে টেন্ডার জালিয়াতির কারণে দেড়বছরের মাথায় তাকে পিরোজপুরে বদলী করা হয়েছিলো। মেডিকেল ডিভিশনের ওই আর্থ কনস্ট্রাকশনের নামে কয়েক কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন দেখিয়েছেন দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম।

এ সকল বিষয় নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী এস,এম তৌহিদুর ইসলাম এর বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার কোন প্রকার বক্তব্য প্রকাশিত হলো না। ।