ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

অনুমোদিত নকশা ছাড়া ভবন নির্মাণে রাজউক -এ লিখিত অভিযোগ

রাজধানীর রাজারবাগ চৌরাস্তা সড়কে বাসাবো কালিবাড়ী এলাকায় নকশা ছাড়া ভবন নির্মাণ করায় রাজউক এ লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ভবন মালিক রতন পালের বিরুদ্ধে । গত ২৭ মে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বাসাবো স্থানীয় সাংবাদিক আকাশ নামের এক যুবক।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে বাসাবো কালিবাড়ী এলাকায় ৩৫/এ হোল্ডিং এর মালিক রতন পাল। একই হোল্ডিংয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নকশা ছাড়াই দুটি ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসছে। আড়াই কাঠা জমির উপর একটি ছয়তলা ভবন ও ১২ ছটাক মানে (পৌনে এক কাঠা) জমির উপর মোট দুইটি ভবন নির্মাণ চলমান আছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করছেন রতন পাল। ৪০ ভাগ জমি ছেড়ে ভবন নির্মাণের নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন ভবন মালিক রতন পাল। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বাধা প্রধান করলে হুমকি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনের ৩ ধারার বিধান মতে নির্মাণ কাজে রাজউক এর অনুমোদিত নকশা থাকা প্রয়োজন এবং এ আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী পরিদর্শনকালে অথরাইজড অফিসার বা ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তিদের এক ফর্দ নকশা সংশ্লিষ্ট সাইটে সংরক্ষণ করার বিধান থাকলেও গণমাধ্যমের নজরে আসেনি। নির্মাণাধীন ভবনে মালিকের নিয়োগকৃত পরিদর্শক বিপ্লবের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ৩৫/এ বাড়িটি পরিদর্শনের জন্য আমাকে ভবন মালিক নিয়োগ প্রদান করেন। আমাকে নিয়োগের আগে গত বছর একটি বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ করে তার শ্যালক সুজিত পাল বসবাস করছেন।অন্য নির্মাণাধীন বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্বে আছি।১২ ছটাক জমির ওপর ছয়তলার কাজ চলছে। রাজউক এর কোনো অনুমোদিত নকশা নেই।
এসব অনিয়মের বিষয় জানতে চাওয়া হলে ভবন মালিক রতন পাল আমাদের মাতৃভূমি, কে বলেন , রাজধানীতে হাজার হাজার ভবন নির্মাণ করছেন নকশা নেই তাহলে আমি করলে সমস্যা কোথায়। আমার রাজউকের কাগজপত্র সব পলাশ কান্তি ঠিক করে দেয় আপনি তার সাথে যোগাযোগ করেন।রতন পালের ব্রোকার পলাশ কান্তি সাংবাদিকদের বলেন , রতন পালের বাড়ির নকশা নেই তাহলে রাজউক থেকে অনুমোদিত নকশা সংগ্রহ করে দেবো। নির্মাণাধীন ভবনের নকশা কিভাবে সংগ্রহ করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন , রাজউকে আমার হাত আছে আমি চাইলেই করে দিতে পারব এটা কোন ব্যাপার না।
এসব বিষয় জানতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক জোন ৬/১ এর অথরাইজড অফিসার মামুনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে চলে গেছেন।কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা তার কাছে সদোত্তর পাওয়া যায়নি ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

অনুমোদিত নকশা ছাড়া ভবন নির্মাণে রাজউক -এ লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

রাজধানীর রাজারবাগ চৌরাস্তা সড়কে বাসাবো কালিবাড়ী এলাকায় নকশা ছাড়া ভবন নির্মাণ করায় রাজউক এ লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ভবন মালিক রতন পালের বিরুদ্ধে । গত ২৭ মে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বাসাবো স্থানীয় সাংবাদিক আকাশ নামের এক যুবক।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে বাসাবো কালিবাড়ী এলাকায় ৩৫/এ হোল্ডিং এর মালিক রতন পাল। একই হোল্ডিংয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নকশা ছাড়াই দুটি ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে আসছে। আড়াই কাঠা জমির উপর একটি ছয়তলা ভবন ও ১২ ছটাক মানে (পৌনে এক কাঠা) জমির উপর মোট দুইটি ভবন নির্মাণ চলমান আছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করছেন রতন পাল। ৪০ ভাগ জমি ছেড়ে ভবন নির্মাণের নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন ভবন মালিক রতন পাল। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বাধা প্রধান করলে হুমকি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনের ৩ ধারার বিধান মতে নির্মাণ কাজে রাজউক এর অনুমোদিত নকশা থাকা প্রয়োজন এবং এ আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী পরিদর্শনকালে অথরাইজড অফিসার বা ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তিদের এক ফর্দ নকশা সংশ্লিষ্ট সাইটে সংরক্ষণ করার বিধান থাকলেও গণমাধ্যমের নজরে আসেনি। নির্মাণাধীন ভবনে মালিকের নিয়োগকৃত পরিদর্শক বিপ্লবের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ৩৫/এ বাড়িটি পরিদর্শনের জন্য আমাকে ভবন মালিক নিয়োগ প্রদান করেন। আমাকে নিয়োগের আগে গত বছর একটি বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ করে তার শ্যালক সুজিত পাল বসবাস করছেন।অন্য নির্মাণাধীন বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্বে আছি।১২ ছটাক জমির ওপর ছয়তলার কাজ চলছে। রাজউক এর কোনো অনুমোদিত নকশা নেই।
এসব অনিয়মের বিষয় জানতে চাওয়া হলে ভবন মালিক রতন পাল আমাদের মাতৃভূমি, কে বলেন , রাজধানীতে হাজার হাজার ভবন নির্মাণ করছেন নকশা নেই তাহলে আমি করলে সমস্যা কোথায়। আমার রাজউকের কাগজপত্র সব পলাশ কান্তি ঠিক করে দেয় আপনি তার সাথে যোগাযোগ করেন।রতন পালের ব্রোকার পলাশ কান্তি সাংবাদিকদের বলেন , রতন পালের বাড়ির নকশা নেই তাহলে রাজউক থেকে অনুমোদিত নকশা সংগ্রহ করে দেবো। নির্মাণাধীন ভবনের নকশা কিভাবে সংগ্রহ করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন , রাজউকে আমার হাত আছে আমি চাইলেই করে দিতে পারব এটা কোন ব্যাপার না।
এসব বিষয় জানতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক জোন ৬/১ এর অথরাইজড অফিসার মামুনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে চলে গেছেন।কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা তার কাছে সদোত্তর পাওয়া যায়নি ।