সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি
মেয়র ইস্যুতে

ফেসবুকে ইশরাক হোসেনের বিস্ফোরক স্ট্যাটাস

উচ্চ আদালতের রায়ের পরও ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছে না সরকার। দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকাবাসীর ব্যানারে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিণ ঢাকার বাসিন্দারা। আজ সোমবার (১৯ মে) সকাল ১০টা থেকে নগর ভবনের সামনে ব্লকেড কর্মসূচি চলছে। এ অবস্থায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি বিস্ফোরক স্ট্যাটাস দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী ইশরাক হোসেন।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘মেয়র-ফেওর কিছু না। অন্তর্বর্তী সরকারের কতিপয় ব্যক্তির অন্তরে ক্ষমতার লোভ ও এটি চিরস্থায়ী করার কুৎসিত সত্যটা বের করে আনাটাই ছিলো মুখ্য উদ্দেশ্য।’

তিনি লেখেন, ‘অনেক সমালোচনা মাথা পেতে নিয়েছি, পিতা-মাতা তুলে গালি গালাজও চুপ করে সহ্য করে গিয়েছি। কারণ একটাই, এদের চেহারা উন্মোচন করতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের ভোটের অধিকারের স্বার্থে। সর্বশক্তি দিয়ে এরা ঢাকায় বিএনপির মেয়র আটকানোর চেষ্টার মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী ভূমিকা পালন করবে তা ক্লিন কাট বুঝিয়ে দিলো।’

কোনো কথা চলবে না উল্লেখ করে তিনি আরও লিখেন, ‘যারা নিরপেক্ষতা শুধু বিসর্জন দিয়েছে নয়, বরঞ্চ একটি দলের প্রতিনিধির কাজ করেছে তাদের অবিলম্বে পদত‍্যাগ করতে হবে। এরা হাসিনার মতোই বিচারকদের হুমকি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছে। উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করেছে। আমলাতন্ত্র হাসিনার দোসরদের সঙ্গে নিয়ে লম্বা কুচক্রী পরিকল্পনা করছে। একদিন এদের সবার নাম পরিচয় প্রকাশ পাবে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘হাসিনাকেও বলছিলাম কবরটা ঠিক করাই আছে। আল্লাহর হুকুম থাকলে সেখানেই হবে ইনশাআল্লাহ। লড়াই শেষ হয় নাই। হয় দাবি আদায় করব, না হয় আল্লাহর নির্ধারিত স্থানে মাটির নিচে শায়িত হব। গণতন্ত্রের সঙ্গে ও জনগণের ভোটের অধিকারের সঙ্গে এক চুলও ছাড় হবে না।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

মেয়র ইস্যুতে

ফেসবুকে ইশরাক হোসেনের বিস্ফোরক স্ট্যাটাস

আপডেট সময় ০৫:২৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

উচ্চ আদালতের রায়ের পরও ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছে না সরকার। দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত কয়েকদিন ধরে ঢাকাবাসীর ব্যানারে নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিণ ঢাকার বাসিন্দারা। আজ সোমবার (১৯ মে) সকাল ১০টা থেকে নগর ভবনের সামনে ব্লকেড কর্মসূচি চলছে। এ অবস্থায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি বিস্ফোরক স্ট্যাটাস দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী ইশরাক হোসেন।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘মেয়র-ফেওর কিছু না। অন্তর্বর্তী সরকারের কতিপয় ব্যক্তির অন্তরে ক্ষমতার লোভ ও এটি চিরস্থায়ী করার কুৎসিত সত্যটা বের করে আনাটাই ছিলো মুখ্য উদ্দেশ্য।’

তিনি লেখেন, ‘অনেক সমালোচনা মাথা পেতে নিয়েছি, পিতা-মাতা তুলে গালি গালাজও চুপ করে সহ্য করে গিয়েছি। কারণ একটাই, এদের চেহারা উন্মোচন করতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের ভোটের অধিকারের স্বার্থে। সর্বশক্তি দিয়ে এরা ঢাকায় বিএনপির মেয়র আটকানোর চেষ্টার মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কী ভূমিকা পালন করবে তা ক্লিন কাট বুঝিয়ে দিলো।’

কোনো কথা চলবে না উল্লেখ করে তিনি আরও লিখেন, ‘যারা নিরপেক্ষতা শুধু বিসর্জন দিয়েছে নয়, বরঞ্চ একটি দলের প্রতিনিধির কাজ করেছে তাদের অবিলম্বে পদত‍্যাগ করতে হবে। এরা হাসিনার মতোই বিচারকদের হুমকি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছে। উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করেছে। আমলাতন্ত্র হাসিনার দোসরদের সঙ্গে নিয়ে লম্বা কুচক্রী পরিকল্পনা করছে। একদিন এদের সবার নাম পরিচয় প্রকাশ পাবে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘হাসিনাকেও বলছিলাম কবরটা ঠিক করাই আছে। আল্লাহর হুকুম থাকলে সেখানেই হবে ইনশাআল্লাহ। লড়াই শেষ হয় নাই। হয় দাবি আদায় করব, না হয় আল্লাহর নির্ধারিত স্থানে মাটির নিচে শায়িত হব। গণতন্ত্রের সঙ্গে ও জনগণের ভোটের অধিকারের সঙ্গে এক চুলও ছাড় হবে না।’