ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে হোটেলে একা দেখা করার প্রস্তাব নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী গোপালগঞ্জে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ধামরাইয়ে অবৈধ সীসা কারখানায় অভিযান, জরিমানা ২ লাখ ইয়ামালের সাফল্যের পেছনে তার সংগ্রামী মা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নীরবতায় ক্যাটরিনার ওপর অনুরাগীদের ক্ষোভ আগামী বছরের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : মির্জা ফখরুল ভোলার বাংলাবাজারে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস’ বিষয়ক আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত শরীরের বিশেষ কিছু অঙ্গ যা স্পর্শ করলে মহাবিপদ! ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে ফিরোজ জামান ও ফনিন্দ্রনাথের ৪৭ লাখ টাকার দূর্নীতি পবিপ্রবি ও ইন্দোনেশিয়া নেগারি পাদং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমাঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুঃনরায় চালু করা হল ইটিটি টেষ্ট

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনঃরায় চালু করা হয়েছে এক্সারসাইজ টলারেন্স টেষ্ট (ইটিটি)। গত বুধবার সকালে সাংবাদিক আকাশ রহমানের শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই টেষ্টের শুভ সুচনা করে রমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে ইটিটি টেষ্ট (এক্সাসাইজ টলারেন্স টেষ্ট) বলতে হার্টের যোগ্যতার পরিমাপক এবং একই সঙ্গে ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতার পরিমাপককে বোঝানো হয়। মুলত ব্যক্তির বয়স ৪০বছর অতিক্রম করলেই হার্টের কর্মক্ষমতা ও শারীরিক যোগ্যতার প্রধান মাপকাটি হিসেবে বিবেচিত হয়। ইটিটি এমন একটি টেষ্ট যার মাধ্যমে রোগীর হার্টের কর্মতৎপরতা পরিমাপ করা হয়।

ব্যক্তিকে একটি চলন্ত প্লাটফর্মের উপর দাঁড়িয়ে প্লাটফর্মের গতির সঙ্গে তাল মিলিেিয় হাঁটতে হয় এবং ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশে ইলেকট্রোড সংযুক্ত করা হয়। কম্পিউটারের মাধ্যমে বিরতিহীনভাবে ইসিজি রেকর্ড করা হয়ে থাকে এবং কম্পিউটারে হাঁটার গতি, অক্সিজেন ব্যবহারের মাত্রা এবং শারীরিক বিপাকীয় কর্মকান্ডের মাত্রাও তাতে রেকর্ড করা হয়। সুতরাং শারীরিক হৃদপিন্ডের যোগ্যতা পরিমাপের উত্তম পন্থা হচ্ছে ইটিটি।

রমেক হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ইটিটি টেষ্ট অনেকটাই ঝুকিপুর্ণ তাই টেষ্ট করার সময় অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। সেইসাথে বিভিন্ন জরুরী চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুদ, ও দক্ষ টেকনোশিয়ানদের উপস্থিতিতে এই টেষ্ট সম্পন্ন করা হয়। একটু ভুল হলেই বিপদের আশংকা থাকে। এই টেষ্ট শুরু করার আগে রোগীর ইসিজি, ইকো টেষ্টের নর্মাল রিপোর্ট, রোগীর বিপি ও শারীরিক দিক বিবেচনা করে ইটিটি টেষ্ট করা হয়। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন
বন্ধ থাকার পর বিভাগীয় প্রধানের নির্দেশে একজন সাংবাদিক ভাইয়ের শারীরিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পুঃনরায় চালু করা হল ইটিটি টেষ্ট। আমরা প্রথম দিনে সফলভাবে এই টেষ্ট সম্পন্ন করেছি।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন রমেক হাসপাতালের কার্ডিলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. হরিপদ সরকার, ডা. সাইফুল ইসলাম, ইটিটি টেকনোশিয়ান মোঃ শাহিদুল ইসলাম সাগর ও মাসুদ রানা প্রমুখ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতে হোটেলে একা দেখা করার প্রস্তাব নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুঃনরায় চালু করা হল ইটিটি টেষ্ট

আপডেট সময় ০৬:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুনঃরায় চালু করা হয়েছে এক্সারসাইজ টলারেন্স টেষ্ট (ইটিটি)। গত বুধবার সকালে সাংবাদিক আকাশ রহমানের শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই টেষ্টের শুভ সুচনা করে রমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে ইটিটি টেষ্ট (এক্সাসাইজ টলারেন্স টেষ্ট) বলতে হার্টের যোগ্যতার পরিমাপক এবং একই সঙ্গে ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতার পরিমাপককে বোঝানো হয়। মুলত ব্যক্তির বয়স ৪০বছর অতিক্রম করলেই হার্টের কর্মক্ষমতা ও শারীরিক যোগ্যতার প্রধান মাপকাটি হিসেবে বিবেচিত হয়। ইটিটি এমন একটি টেষ্ট যার মাধ্যমে রোগীর হার্টের কর্মতৎপরতা পরিমাপ করা হয়।

ব্যক্তিকে একটি চলন্ত প্লাটফর্মের উপর দাঁড়িয়ে প্লাটফর্মের গতির সঙ্গে তাল মিলিেিয় হাঁটতে হয় এবং ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশে ইলেকট্রোড সংযুক্ত করা হয়। কম্পিউটারের মাধ্যমে বিরতিহীনভাবে ইসিজি রেকর্ড করা হয়ে থাকে এবং কম্পিউটারে হাঁটার গতি, অক্সিজেন ব্যবহারের মাত্রা এবং শারীরিক বিপাকীয় কর্মকান্ডের মাত্রাও তাতে রেকর্ড করা হয়। সুতরাং শারীরিক হৃদপিন্ডের যোগ্যতা পরিমাপের উত্তম পন্থা হচ্ছে ইটিটি।

রমেক হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ইটিটি টেষ্ট অনেকটাই ঝুকিপুর্ণ তাই টেষ্ট করার সময় অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। সেইসাথে বিভিন্ন জরুরী চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুদ, ও দক্ষ টেকনোশিয়ানদের উপস্থিতিতে এই টেষ্ট সম্পন্ন করা হয়। একটু ভুল হলেই বিপদের আশংকা থাকে। এই টেষ্ট শুরু করার আগে রোগীর ইসিজি, ইকো টেষ্টের নর্মাল রিপোর্ট, রোগীর বিপি ও শারীরিক দিক বিবেচনা করে ইটিটি টেষ্ট করা হয়। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন
বন্ধ থাকার পর বিভাগীয় প্রধানের নির্দেশে একজন সাংবাদিক ভাইয়ের শারীরিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে পুঃনরায় চালু করা হল ইটিটি টেষ্ট। আমরা প্রথম দিনে সফলভাবে এই টেষ্ট সম্পন্ন করেছি।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন রমেক হাসপাতালের কার্ডিলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. হরিপদ সরকার, ডা. সাইফুল ইসলাম, ইটিটি টেকনোশিয়ান মোঃ শাহিদুল ইসলাম সাগর ও মাসুদ রানা প্রমুখ।