ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি বর্বরতম ধ্বংসযজ্ঞ ও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান (একাডেমিক) বলেন, “জাতিসংঘ এবং ওআইসি’র ভূমিকা তুচ্ছ।”
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান (একাডেমিক), উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন (প্রশাসন), রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এনায়েতুল্লাহ পাটোয়ারী, তথ্য ও ফটোগ্রাফি শাখার প্রশাসক ড. মোঃ শহিদুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টোরিয়াল বডি, অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, হল প্রভোস্ট, ডিনবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তৃতায় চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বলেন, “ক্ষমতার জন্য মুসলিম দেশগুলো আমেরিকার বিরুদ্ধে কথা বলছে না। ১৩৮টি দেশ যারা ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে, তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এমন বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ মানবতার ইতিহাসে বিরল।”
এছাড়াও বক্তৃতায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) বলেন, “আমরা সারা পৃথিবীকে জানিয়ে দিতে চাই— যেখানেই মানবতার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হবে, তার প্রতিবাদ আমরা জানাবো। ইসরাইলের প্রতি আমাদের প্রতিবাদের ভাষা শুধু অস্ত্র নয়, বরং জ্ঞান-বিজ্ঞানের সমৃদ্ধি। ইসরাইলি অর্থনীতি ভঙ্গুর করে দেওয়াও একটি কার্যকর প্রতিবাদ।”
সমাবেশে চবি উপাচার্য বলেন, “জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শিতা অর্জনের মাধ্যমেই ইসরাইলকে টেক্কা দেওয়া সম্ভব। দুর্নীতি করে ইসরাইলকে দমন করা যাবে না।”
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা বক্তৃতা দিয়েছেন এবং ইসরাইলি পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সমাবেশে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইসরাইল-বিরোধী নানা স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে।
সালাহ উদ্দিন আহমেদ, চবি প্রতিনিধি 























