আবহাওয়া ও জলবায়ুর গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশসহ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস’।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকালে মানিকগঞ্জ স্যাক কার্যালয়ে মানিকগঞ্জ সবুজ সংহতি ও বারসিক এর যৌথ আয়োজনে কৃষি প্রতিবেশ চর্চায় আবহাওয়া তথ্য মেনে চলার করণীয় নিয়ে পরিবেশ আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।
আড্ডায় সবুজ সংহতির আহবায়ক কৃষিবিদ আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে ও বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল চন্দ্র রায় এর সঞ্চালনায় কথা,কবিতা ও গল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করেন মানিকগঞ্জের শিশু সাহিত্যিক অধ্যাপক মাইনুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের জেলা সহসভাপতি কবি আনিসুর রহমান খান আলিনুর, আলোকিত মানিকগঞ্জ সাহিত্য সংঘের সাধারণ সম্পাদক কবি কায়ুম শাহজী, সানেক শিক্ষক নেতা ইস্কান্দার মির্জা, অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, মো. ইদ্রিস আলী, মো. নজরুল ইসলাম নারীনেত্রী আখি আক্তার, যুবনেতা প্রথিক শাওন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন আমরা সবাইকে নিয়ে বাঁচতে চাই। প্রান প্রকৃতি ও পরিবেশ ভালো না থাকলে আমরা বাচব না। তাই প্রকৃতির বিরুদ্ধেচারন না করে প্রকৃতি ও পরিবেশ নির্ভর নিরাপদ জীবনের চর্চা বৃদ্ধি করে আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অবদান রাখি।
১৯৫১ সাল থেকে বিশ্বে ২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘একসঙ্গে আগাম সতর্কীকরণের ব্যবধান বন্ধ করা’। এই প্রতিপাদ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপর এবং প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়ে
এই দিনটি আবহাওয়াবিদদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দেয় এবং আবহাওয়া, জলবায়ু এবং পানি ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে। এটি বিশ্বব্যাপী আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডব্লিউএমও -এর প্রচেষ্টাকেও তুলে ধরে।
১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ জাতিসংঘের একটি সংস্থা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থার পরিবর্তে গঠিত হয়। এটি ১৯৫১ সালে তাদের জনসংখ্যার সুরক্ষার জন্য আবহাওয়াবিজ্ঞান, অপারেশনাল জলবিজ্ঞান এবং পৃথিবী বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলোকে সমন্বয় করার জন্য কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬১ সালের ২৩ মার্চ প্রথম বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হয়।
মো. নজরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 






















