সংবাদ শিরোনাম ::
মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয়

জাপান ম্যাচের আগে কেন ‘মুখ লুকালো’ জার্মান দল?

নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপের যাত্রা আজ শুরু করল জার্মানি। তবে ম্যাচ শুরুর পরই ভিন্ন এক কারণে শিরোনামে এলো দলটি। চার বারের চ্যাম্পিয়নরা আজ যখন জাপানের মুখোমুখি হলো, তার আগের ফটোসেশনে করল অদ্ভুত এক কাণ্ড। দলীয় সেই ফটোসেশনে হাত দিয়ে মুখ লুকালেন সবাই!

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে এমন কাণ্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার জন্মই দিয়ে বসেছে জার্মান জাতীয় দল। কেন এমন কাজ করল জার্মানি, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

এমনিতে ফিফার আর্মব্যান্ডেও ঐক্য আর সমতার কথা বলা হয়েছে। প্রতি রাউন্ডে বদলে যাবে এই ব্যান্ডের স্লোগান। সঙ্গে একটা নিয়মও বেঁধে দিয়েছে। এই বাহুবন্ধনীর বাইরে কিছু পরলে তাকে দেখানো হবে হলুদ কার্ড, মাঠে নামার আগেই!

এখন বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে যদি হলুদ কার্ড দেখেন কেউ, পরের ম্যাচে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যাবেন তিনি। ওয়ান লাভ ব্যান্ড পরে মাঠে নেমে হলুদ কার্ড দেখলে অধিনায়ককে ছাড়াই শেষ গ্রুপ ম্যাচে মাঠে নামতে হতে পারে দলগুলোকে।

ফটোসেশনে থমাস মুলার-ম্যানুয়েল নয়্যাররা মুখ লুকানো যে ‘ওয়ান লাভ’ ব্যান্ড পরতে না দেওয়ার জন্যেই, সেটা নিশ্চিত করা হলো জার্মান দলের এক বিবৃতিতে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘আমাদের জার্মান জাতীয় দল যে বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মূল্যবোধ ধারণ করে, তাত পাশে দাঁড়াতে আমরা আমাদের অধিনায়কের বাহুবন্ধনিটাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম। অন্য সব দেশের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা আওয়াজ তুলতে চেয়েছিলাম।’

‘বিষয়টা কোনো রাজনৈতিক বিবৃতি গোছের কিছু ছিল না; বিষয়টা মানবাধিকারের, আর এই বিষয়টা মোটে ছাড় দেওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়। বিষয়টা সাধারণ একটা বিষয় হিসেবেই দেখা উচিত, কিন্তু বাস্তবে এখনো সেভাবে দেখা হচ্ছে না। সে কারণে এই বার্তাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

‘আমাদেরকে আমাদের ইচ্ছেমতো বাহুবন্ধনি পরতে না দিয়ে আমাদের বাকস্বাধীনতায় বাগড়া দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের অবস্থানে অটল আছি।’

এমন বিবৃতির পর জার্মান দলের ওপর ফিফার কোনো খড়্গ এসে পড়ে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র

জাপান ম্যাচের আগে কেন ‘মুখ লুকালো’ জার্মান দল?

আপডেট সময় ০৮:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২

নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপের যাত্রা আজ শুরু করল জার্মানি। তবে ম্যাচ শুরুর পরই ভিন্ন এক কারণে শিরোনামে এলো দলটি। চার বারের চ্যাম্পিয়নরা আজ যখন জাপানের মুখোমুখি হলো, তার আগের ফটোসেশনে করল অদ্ভুত এক কাণ্ড। দলীয় সেই ফটোসেশনে হাত দিয়ে মুখ লুকালেন সবাই!

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে এমন কাণ্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার জন্মই দিয়ে বসেছে জার্মান জাতীয় দল। কেন এমন কাজ করল জার্মানি, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

এমনিতে ফিফার আর্মব্যান্ডেও ঐক্য আর সমতার কথা বলা হয়েছে। প্রতি রাউন্ডে বদলে যাবে এই ব্যান্ডের স্লোগান। সঙ্গে একটা নিয়মও বেঁধে দিয়েছে। এই বাহুবন্ধনীর বাইরে কিছু পরলে তাকে দেখানো হবে হলুদ কার্ড, মাঠে নামার আগেই!

এখন বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে যদি হলুদ কার্ড দেখেন কেউ, পরের ম্যাচে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যাবেন তিনি। ওয়ান লাভ ব্যান্ড পরে মাঠে নেমে হলুদ কার্ড দেখলে অধিনায়ককে ছাড়াই শেষ গ্রুপ ম্যাচে মাঠে নামতে হতে পারে দলগুলোকে।

ফটোসেশনে থমাস মুলার-ম্যানুয়েল নয়্যাররা মুখ লুকানো যে ‘ওয়ান লাভ’ ব্যান্ড পরতে না দেওয়ার জন্যেই, সেটা নিশ্চিত করা হলো জার্মান দলের এক বিবৃতিতে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘আমাদের জার্মান জাতীয় দল যে বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মূল্যবোধ ধারণ করে, তাত পাশে দাঁড়াতে আমরা আমাদের অধিনায়কের বাহুবন্ধনিটাকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম। অন্য সব দেশের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা আওয়াজ তুলতে চেয়েছিলাম।’

‘বিষয়টা কোনো রাজনৈতিক বিবৃতি গোছের কিছু ছিল না; বিষয়টা মানবাধিকারের, আর এই বিষয়টা মোটে ছাড় দেওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়। বিষয়টা সাধারণ একটা বিষয় হিসেবেই দেখা উচিত, কিন্তু বাস্তবে এখনো সেভাবে দেখা হচ্ছে না। সে কারণে এই বার্তাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

‘আমাদেরকে আমাদের ইচ্ছেমতো বাহুবন্ধনি পরতে না দিয়ে আমাদের বাকস্বাধীনতায় বাগড়া দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের অবস্থানে অটল আছি।’

এমন বিবৃতির পর জার্মান দলের ওপর ফিফার কোনো খড়্গ এসে পড়ে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।