সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

ভারত থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ যুবক

ভারতে রাজমিস্ত্রীর কাজ থেকে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক যুবক। গত ৪ দিন ধরে তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ যুবক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের মো. মুশা হকের ছেলে মো. আব্দুর রহিম (২৪)।

নিখোঁজ আব্দুর রহিমের পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন আব্দুর রহিম। ৬ মাস কাজ শেষে দেশে ফিরে বাসায় ফেরার মাঝপথ থেকে নিখোঁজ হন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) রাত থেকে বন্ধ তার মুঠোফোন। এরপর চারদিন পেরিয়ে গেলেও কোন সন্ধান বা যোগাযোগ করতে পারেনি পরিবার।

আব্দুর রহিমের স্ত্রী রুমি খাতুন বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন আমার স্বামী। গত বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া দিয়ে বাংলাদেশে আসে। ভারত থেকে রওনা হওয়ার আগে ও বাংলাদেশে প্রবেশের পরে একাধিকবার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন এবং কোথায় অবস্থান করছেন তার আপডেট দিয়েছেন। সেদিন দুপুর ১২টায় তার সাথে সর্বশেষ কথা হয় আমার। সেসময় সে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানান। এরপর থেকে আর তাকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ আব্দুর রহিমের স্ত্রীর ভাই জুয়েল রানা জানান, দুপুরে বোনের সাথে দুলাভাইয়ের স্বাভাবিক কথা হয়। এরপর রাত ৯টার দিকে আব্দুর রহিমের দুলাভাই তার ইমোতে কল দেয়। কিন্তু অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে জানায়, সেখানে আব্দুর রহিম নাই। এরপর অনেকবার চেষ্টা করলেও আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। এনিয়ে দু:চিন্তায় আছে পুরো পরিবার।

জুয়েল রানা আরও বলেন, আব্দুর রহিমের সাথে ভারত থেকে আরও দুই ব্যক্তি বাংলাদেশে এসেছিল। তারা তিনজনে একসাথে সীমান্ত পার হয়েছে। নিখোঁজের পর ভারতীয় কনট্রাকটরের মাধ্যমে তাদের দুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোন সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। তারা জানিয়েছে, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকেই বিছিন্ন হয়েছে তারা। কোনরকম কোন সন্ধানা পাওয়া যাচ্ছে না। দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছে আমার বোন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রইস উদ্দীন জানান, নিয়ম অনুযায়ী যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছে, সেখানেই জিডি বা অভিযোগ করতে হবে। নিখোঁজ আব্দুর রহিমের পরিবার থানায় এসেছিল, তাদেরকে নিখোঁজ হওয়ার স্থানে যে থানা রয়েছে সেখানে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। জিডি বা অভিযোগ দিলে এবিষয়ে তদন্তকাজ শুরু হলে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্বারে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

ভারত থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ যুবক

আপডেট সময় ০৭:১৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতে রাজমিস্ত্রীর কাজ থেকে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক যুবক। গত ৪ দিন ধরে তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ যুবক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের মো. মুশা হকের ছেলে মো. আব্দুর রহিম (২৪)।

নিখোঁজ আব্দুর রহিমের পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন আব্দুর রহিম। ৬ মাস কাজ শেষে দেশে ফিরে বাসায় ফেরার মাঝপথ থেকে নিখোঁজ হন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) রাত থেকে বন্ধ তার মুঠোফোন। এরপর চারদিন পেরিয়ে গেলেও কোন সন্ধান বা যোগাযোগ করতে পারেনি পরিবার।

আব্দুর রহিমের স্ত্রী রুমি খাতুন বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন আমার স্বামী। গত বৃহস্পতিবার (০৫ ডিসেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া দিয়ে বাংলাদেশে আসে। ভারত থেকে রওনা হওয়ার আগে ও বাংলাদেশে প্রবেশের পরে একাধিকবার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন এবং কোথায় অবস্থান করছেন তার আপডেট দিয়েছেন। সেদিন দুপুর ১২টায় তার সাথে সর্বশেষ কথা হয় আমার। সেসময় সে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানান। এরপর থেকে আর তাকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজ আব্দুর রহিমের স্ত্রীর ভাই জুয়েল রানা জানান, দুপুরে বোনের সাথে দুলাভাইয়ের স্বাভাবিক কথা হয়। এরপর রাত ৯টার দিকে আব্দুর রহিমের দুলাভাই তার ইমোতে কল দেয়। কিন্তু অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে জানায়, সেখানে আব্দুর রহিম নাই। এরপর অনেকবার চেষ্টা করলেও আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। এনিয়ে দু:চিন্তায় আছে পুরো পরিবার।

জুয়েল রানা আরও বলেন, আব্দুর রহিমের সাথে ভারত থেকে আরও দুই ব্যক্তি বাংলাদেশে এসেছিল। তারা তিনজনে একসাথে সীমান্ত পার হয়েছে। নিখোঁজের পর ভারতীয় কনট্রাকটরের মাধ্যমে তাদের দুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোন সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। তারা জানিয়েছে, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকেই বিছিন্ন হয়েছে তারা। কোনরকম কোন সন্ধানা পাওয়া যাচ্ছে না। দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছে আমার বোন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রইস উদ্দীন জানান, নিয়ম অনুযায়ী যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছে, সেখানেই জিডি বা অভিযোগ করতে হবে। নিখোঁজ আব্দুর রহিমের পরিবার থানায় এসেছিল, তাদেরকে নিখোঁজ হওয়ার স্থানে যে থানা রয়েছে সেখানে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। জিডি বা অভিযোগ দিলে এবিষয়ে তদন্তকাজ শুরু হলে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্বারে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে।