সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

কাশিমপুরে চলছে জমজমাট মেলা নষ্ট হচ্ছে বাচ্চাদের লেখাপড়া।

গাজীপুরের কাশিমপুর ২ নং ওয়ার্ড লতিপপুর এর শেষ সীমানা মাদারটেক্স এর পশ্চিম পাশে বালুর মাঠে চলছে জমজমাট মেলা এদিকে নষ্ট হচ্ছে বাচ্চাদের লেখাপড়া যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের সহিংসতা জানালেন এলাকাবাসী।
কিভাবে মেলা চলছে এ বিষয়ে মেলা কমিটির পরিচালক বাবুল সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের ম্যানেজ করেই এই মেলা চালানো হচ্ছে।
সনিবার ৭ (ডিসেম্বর) মেলায় সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় নাগরদোলা, দোলন নৌকা, চরকা, সহ আরো কয়েকটি খেলা। এ মেলায় পর্ষা সাজিয়ে বসেছেন বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে চাইলে সজিব সরকার জানান, মেলা চলছে খুব ভালো লাগছে কিন্তু দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এ ধরনের মেলা না করাই ভালো। মেলায় যদি কোন ধরনের সহিংসতা ঘটে এর দায়ভার কে নেবে। মেলা দেখতে আসা মাসুদ রানা জানান, মেলা দেখতে এসে ভালই লাগছে কিন্তু নৌকায় উঠলে নিচ্ছে ৩০ টাকা টিকিট, চরকায় উঠলে জন প্রতি নিচ্ছে ৩০ টাকা টিকিট, নাগরদোলায় উঠলে জন প্রতি নিচ্ছে ৩০ টাকা টিকিট। বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে মেলায় না নিয়ে গেলে। এদিকে আর কিছুদিন পরেই শুরু হবে বার্ষিক পরীক্ষা কিছু কিছু স্কুলে চলমান রয়েছে বার্ষিক পরীক্ষা । বাচ্চাদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে এই মেলার কারণে, এই সময় মেলাটি চালানো ঠিক হয়নি।
মেলা দেখতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, তিনি বলেন মেলা জমে উঠেছে কিন্তু এই মুহূর্তে এত বড় মেলা চলতে চলতে যদি দুই পক্ষের সহিংসতা ঘটে এই দায়ভার কে নেবে। সর্বোপরি এই মেলাটি এই মুহূর্তে না করাই ভালো।
সুশীল সমাজ বলছে, স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষা সামনে এই মুহূর্তে বাচ্চাদের নিয়ে লেখাপড়া বাদ দিয়ে মেলায় আসলে বেগ পোহাতে হচ্ছে অভিভাবকদের। অথচ এখনো কোন অফিস বা প্রতিষ্ঠানের বেতন পায়নি অভিভাবকরা। বাচ্চাদের কান্না দেখে তো অবশ্যই মেলায় নিয়ে আসতে হয় বাচ্চাদের এ সময় মেলাটি চালু করা উচিত হয়নি। এখন তো দেশের অবস্থা এমনিতেই খারাপ যদি কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে এই দায়ভার কে নেবে।
এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান,২ নং ওয়ার্ডের লতিফপুরের বালুর মাঠের মেলা সম্পর্কে আমি কিছু জানি না,আইন বিরোধী যদি কোন কিছু চলে অনুসন্ধান করে অবশ্যই আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

কাশিমপুরে চলছে জমজমাট মেলা নষ্ট হচ্ছে বাচ্চাদের লেখাপড়া।

আপডেট সময় ০৬:২৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

গাজীপুরের কাশিমপুর ২ নং ওয়ার্ড লতিপপুর এর শেষ সীমানা মাদারটেক্স এর পশ্চিম পাশে বালুর মাঠে চলছে জমজমাট মেলা এদিকে নষ্ট হচ্ছে বাচ্চাদের লেখাপড়া যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের সহিংসতা জানালেন এলাকাবাসী।
কিভাবে মেলা চলছে এ বিষয়ে মেলা কমিটির পরিচালক বাবুল সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের ম্যানেজ করেই এই মেলা চালানো হচ্ছে।
সনিবার ৭ (ডিসেম্বর) মেলায় সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় নাগরদোলা, দোলন নৌকা, চরকা, সহ আরো কয়েকটি খেলা। এ মেলায় পর্ষা সাজিয়ে বসেছেন বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে চাইলে সজিব সরকার জানান, মেলা চলছে খুব ভালো লাগছে কিন্তু দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এ ধরনের মেলা না করাই ভালো। মেলায় যদি কোন ধরনের সহিংসতা ঘটে এর দায়ভার কে নেবে। মেলা দেখতে আসা মাসুদ রানা জানান, মেলা দেখতে এসে ভালই লাগছে কিন্তু নৌকায় উঠলে নিচ্ছে ৩০ টাকা টিকিট, চরকায় উঠলে জন প্রতি নিচ্ছে ৩০ টাকা টিকিট, নাগরদোলায় উঠলে জন প্রতি নিচ্ছে ৩০ টাকা টিকিট। বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে মেলায় না নিয়ে গেলে। এদিকে আর কিছুদিন পরেই শুরু হবে বার্ষিক পরীক্ষা কিছু কিছু স্কুলে চলমান রয়েছে বার্ষিক পরীক্ষা । বাচ্চাদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে এই মেলার কারণে, এই সময় মেলাটি চালানো ঠিক হয়নি।
মেলা দেখতে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, তিনি বলেন মেলা জমে উঠেছে কিন্তু এই মুহূর্তে এত বড় মেলা চলতে চলতে যদি দুই পক্ষের সহিংসতা ঘটে এই দায়ভার কে নেবে। সর্বোপরি এই মেলাটি এই মুহূর্তে না করাই ভালো।
সুশীল সমাজ বলছে, স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষা সামনে এই মুহূর্তে বাচ্চাদের নিয়ে লেখাপড়া বাদ দিয়ে মেলায় আসলে বেগ পোহাতে হচ্ছে অভিভাবকদের। অথচ এখনো কোন অফিস বা প্রতিষ্ঠানের বেতন পায়নি অভিভাবকরা। বাচ্চাদের কান্না দেখে তো অবশ্যই মেলায় নিয়ে আসতে হয় বাচ্চাদের এ সময় মেলাটি চালু করা উচিত হয়নি। এখন তো দেশের অবস্থা এমনিতেই খারাপ যদি কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে এই দায়ভার কে নেবে।
এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান,২ নং ওয়ার্ডের লতিফপুরের বালুর মাঠের মেলা সম্পর্কে আমি কিছু জানি না,আইন বিরোধী যদি কোন কিছু চলে অনুসন্ধান করে অবশ্যই আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।