ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

কে এই ফেন্সি কালাম? ফেন্সি কালামের লাগাম টানবে কে?

নাম তার ফেন্সি কালাম। সকল প্রকার মাদক বিক্রয় করলেও পাবনা শহরের সবার কাছে ফেন্সি কালাম নামেই বেশি পরিচিত। আকারে ছোট, গোল ভুড়ি, তাকে একবার দেখলেই পরেরবার চিনতে ভুল হয় না। কিন্তু মাথার উপর পাবনার প্রভাবশালী আওয়ামীলীগের নেতার হাত থাকার কারণেই হয়তো প্রশাসন তাকে চোখে দেখতো না।

বলছি পাবনা সদরের অনন্ত বাজার এলাকার মৃত দবির উদ্দিনের ছোট পুত্র আবুল কালাম এর কথা। পিতার রেখে যাওয়া শহরের বাড়ি ছাড়া আর তেমন কিছুই নাই। এই সেদিনও নুন আনতে পানতা ফুরানোর মত অবস্থা থাকলে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদানের পর থেকে মাদকের ব্যবসা করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ এর মত অবস্থা হয়ে গেছে। এখন তার পিতার রেখে যাওয়া বাড়ির পাশে আরও একটি একতলা বাড়ি করেছে। শহরের মধ্যে বড় দোকান আছে। বউয়ের আছে ভরি ভরি গহণা।

কিভাবে আর কার প্রভাবে এত টাকা সম্পত্তির মালিক হলো সে? খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় অনন্ত-চর অঞ্চলের গড ফাদার আব্দুল আহাদ বাবুর ছত্রছায়ায় সে মাদক ব্যবসা করে আসছে। তার কাছে আছে কিছু অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ। যা সে কারো উপর প্রভাব খাটানো বা কোথাও ঝামেলা লাগলে শো-আপ করতো। মাদক ব্যবসায়ী কামালের নাম ভাঙ্গিয়ে সে একসময় ব্যবসা করেছে। মাদক ব্যবসায়ী কামালের মৃত্যুর পর সে আহাদ বাবুর প্রভাবে সরাসরি কোন প্রকার রাকঢাক না মাদক ব্যবসা শুরু করে। তার মাদকের ব্যবসার সহযোগী হিসেবে কাজ করে রবিন (কালামের ভাস্তি), রানা (বিএনপি নেতা), মারুফ (কালামের ভাইরা), সাজিদ (কালামের শালা) আরও কিছু উঠতি বয়সী ছেলে।

ফেন্সি কালামের মাদকের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস রাখে না। তার কারণে অনন্ত অঞ্চল মাদকের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। তার নামে ১টি হত্যা মামলা, অনেকগুলো মাদকের মামলাসহ মারামারি মামলা আছে। এমনকি ৫ই আগষ্টের পরেও তাকে বুক ফুলিয়ে ঘুরতে দেখা যায়। তার ফেসবুকের পোষ্ট দেখলে বোঝা যায় সে কতটা উগ্র ও বেপরোয়া। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য এলাকার সচেতন মানুষগুলো পাবনা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছে বলে জানায় দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি কে।ফেন্সি কালামের মত আরও যারা মাদক ব্যবসায়ী আছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দেশটাকে মাদকমুক্ত করতে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

কে এই ফেন্সি কালাম? ফেন্সি কালামের লাগাম টানবে কে?

আপডেট সময় ০১:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নাম তার ফেন্সি কালাম। সকল প্রকার মাদক বিক্রয় করলেও পাবনা শহরের সবার কাছে ফেন্সি কালাম নামেই বেশি পরিচিত। আকারে ছোট, গোল ভুড়ি, তাকে একবার দেখলেই পরেরবার চিনতে ভুল হয় না। কিন্তু মাথার উপর পাবনার প্রভাবশালী আওয়ামীলীগের নেতার হাত থাকার কারণেই হয়তো প্রশাসন তাকে চোখে দেখতো না।

বলছি পাবনা সদরের অনন্ত বাজার এলাকার মৃত দবির উদ্দিনের ছোট পুত্র আবুল কালাম এর কথা। পিতার রেখে যাওয়া শহরের বাড়ি ছাড়া আর তেমন কিছুই নাই। এই সেদিনও নুন আনতে পানতা ফুরানোর মত অবস্থা থাকলে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদানের পর থেকে মাদকের ব্যবসা করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ এর মত অবস্থা হয়ে গেছে। এখন তার পিতার রেখে যাওয়া বাড়ির পাশে আরও একটি একতলা বাড়ি করেছে। শহরের মধ্যে বড় দোকান আছে। বউয়ের আছে ভরি ভরি গহণা।

কিভাবে আর কার প্রভাবে এত টাকা সম্পত্তির মালিক হলো সে? খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় অনন্ত-চর অঞ্চলের গড ফাদার আব্দুল আহাদ বাবুর ছত্রছায়ায় সে মাদক ব্যবসা করে আসছে। তার কাছে আছে কিছু অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ। যা সে কারো উপর প্রভাব খাটানো বা কোথাও ঝামেলা লাগলে শো-আপ করতো। মাদক ব্যবসায়ী কামালের নাম ভাঙ্গিয়ে সে একসময় ব্যবসা করেছে। মাদক ব্যবসায়ী কামালের মৃত্যুর পর সে আহাদ বাবুর প্রভাবে সরাসরি কোন প্রকার রাকঢাক না মাদক ব্যবসা শুরু করে। তার মাদকের ব্যবসার সহযোগী হিসেবে কাজ করে রবিন (কালামের ভাস্তি), রানা (বিএনপি নেতা), মারুফ (কালামের ভাইরা), সাজিদ (কালামের শালা) আরও কিছু উঠতি বয়সী ছেলে।

ফেন্সি কালামের মাদকের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস রাখে না। তার কারণে অনন্ত অঞ্চল মাদকের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। তার নামে ১টি হত্যা মামলা, অনেকগুলো মাদকের মামলাসহ মারামারি মামলা আছে। এমনকি ৫ই আগষ্টের পরেও তাকে বুক ফুলিয়ে ঘুরতে দেখা যায়। তার ফেসবুকের পোষ্ট দেখলে বোঝা যায় সে কতটা উগ্র ও বেপরোয়া। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য এলাকার সচেতন মানুষগুলো পাবনা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছে বলে জানায় দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি কে।ফেন্সি কালামের মত আরও যারা মাদক ব্যবসায়ী আছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দেশটাকে মাদকমুক্ত করতে।