ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চারা বিতরণ ভোলাহাটে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটিসহ বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠিত! আগামী সপ্তাহ থেকে কিছুটা গ্যাস সংকট কেটে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ভারতজুড়ে এখন একটিই স্লোগান ‘এবার মোদির পালা’ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে যুবকদের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিমানের ওভারটাইমে ‘ওভার’ অনিয়মের অভিযোগ সিলেট সীমান্তে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চোরাচালান চক্র নওগাঁয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ অনিয়মে সংকটগ্রস্ত পূবালী ব্যাংক

বন্দর কর্মচারীর ‘আয়নাবাজি’, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা আগ্রাবাদে

‘আমি বন্দর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। তুমি মাদক বিক্রি করো। এই নম্বরে টাকা পাঠাও’, অথবা ‘তুমি তো ইয়াবা খাও, আমার নম্বরে বিকাশ করো, নয়তো কাল তুলে আনবো’—এভাবে ভুয়া নামে নিজেকে বন্দর থানা পুলিশের এসআই দাবি করে চাঁদাবাজি করতেন খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ ওরফে বায়েজিদ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তার, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা পড়লো আসল পুলিশের হাতে।ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ের চাঁদা নিতে গেলে বন্দর থানার বারেক বিল্ডিং এলাকা থেকে বায়েজিদকে আটক করা হয়।
বায়েজিদ (৩৭) চট্টগ্রাম বন্দরের গ্রিজার হাইড্রোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে জরিপ শাখায় কর্মরত আছেন। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব থানা এলাকার মৃত খন্দকার আজিজুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বন্দর কলোনির বি-টাইপ এলাকায় বসবাস করেন
বন্দর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কিশোর মজুমদার বলেন, বন্দরের চাকরিজীবী বায়েজিদ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বন্দর থানার এসআই পরিচয় দিয়ে মানুষের থেকে চাঁদা দাবি করতো। মূলত মাদক বিক্রেতা ও ক্রেতারাই ছিলো বায়েজিদের মূল টার্গেট। মাদকসেবন করে এমন দুজন থেকে ৯৪০০ টাকা আত্মসাৎ করে সে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানার এসআই রাজ্জাকুল ইসলাম রুবেল তাকে আটক করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চারা বিতরণ

বন্দর কর্মচারীর ‘আয়নাবাজি’, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা আগ্রাবাদে

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

‘আমি বন্দর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। তুমি মাদক বিক্রি করো। এই নম্বরে টাকা পাঠাও’, অথবা ‘তুমি তো ইয়াবা খাও, আমার নম্বরে বিকাশ করো, নয়তো কাল তুলে আনবো’—এভাবে ভুয়া নামে নিজেকে বন্দর থানা পুলিশের এসআই দাবি করে চাঁদাবাজি করতেন খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ ওরফে বায়েজিদ। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তার, পুলিশ সেজে চাঁদা নিতে গিয়ে ধরা পড়লো আসল পুলিশের হাতে।ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ের চাঁদা নিতে গেলে বন্দর থানার বারেক বিল্ডিং এলাকা থেকে বায়েজিদকে আটক করা হয়।
বায়েজিদ (৩৭) চট্টগ্রাম বন্দরের গ্রিজার হাইড্রোগ্রাফি ডিপার্টমেন্টে জরিপ শাখায় কর্মরত আছেন। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব থানা এলাকার মৃত খন্দকার আজিজুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি বন্দর কলোনির বি-টাইপ এলাকায় বসবাস করেন
বন্দর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কিশোর মজুমদার বলেন, বন্দরের চাকরিজীবী বায়েজিদ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে বন্দর থানার এসআই পরিচয় দিয়ে মানুষের থেকে চাঁদা দাবি করতো। মূলত মাদক বিক্রেতা ও ক্রেতারাই ছিলো বায়েজিদের মূল টার্গেট। মাদকসেবন করে এমন দুজন থেকে ৯৪০০ টাকা আত্মসাৎ করে সে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানার এসআই রাজ্জাকুল ইসলাম রুবেল তাকে আটক করেন।