ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিশুর বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে একমত মিঠাপুকুরে নোংরা চত্বর থেকে রাজস্বের হাট: উন্নয়ন, নাকি বিতর্ক? ৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার কালুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রয় শুরু

বোরহানউদ্দিনে ছেলের হাতে ‘মা’ খুন -ঘাতক আটক

ভোলার বোরহানউদ্দিনে ইলিশ মাছ রান্না না করায় মাকে দা দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে রাহাত। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। তাকে বরিশাল শেরেবাংলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতককে আটক করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গংগাপুর ইউনিয়নের জয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বোরহানউদ্দিন থানার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন ফকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘাতক ছেলে রাহাত হোসেন (৩০) ওই গ্রামের দুলাল হাওলাদারের ছেলে। তাঁর মায়ের নাম নাছিমা বেগম (৫০)। আহত জাহানারা বেগম একই গ্রামের নাজু মৃধার স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি জানান, খুনি রাহাত হোসেনের স্ত্রী ও বাবা ঢাকায় আছেন। সোমবার সন্ধ্যায় ইফতারের পর রাহাত তাঁর মাকে ইলিশ মাছ রান্না করতে বলে। তাঁর মা জানায়, বাড়িতে কেউ নেই, তিনি একা সংসারের অন্যান্য কাজ শেষ করে মাছ রান্না করতে পারবে না। এরপরও রাহাত তাঁর মাকে ইলিশ মাছ রান্না করতে বারবার অনুরোধ করে। এরই মধ্যে মায়ের সঙ্গে মাছ রান্না নিয়ে রাহাতের তর্কবিতর্ক হয় একপর্যায়ে রাহাত দা দিয়ে তাঁর মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে লাশের পাশে বসে থাকে।

জাহানারা নামে আহত ওই নারী রাহাতকে বাধাঁ দিলে তাকেও কুপিঁয়ে জখম করে রাহাত। তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই নারীকে বরিশাল শেরেবাংলা (শেবাচিম) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। স্থানীয়দের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাহাত কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। সে পুলিশের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

পুলিশ ও র‍‍্যাব ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক রাহাত কে আটকের পাশাপাশি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

বোরহানউদ্দিনে ছেলের হাতে ‘মা’ খুন -ঘাতক আটক

আপডেট সময় ১১:১৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

ভোলার বোরহানউদ্দিনে ইলিশ মাছ রান্না না করায় মাকে দা দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে রাহাত। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। তাকে বরিশাল শেরেবাংলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতককে আটক করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গংগাপুর ইউনিয়নের জয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বোরহানউদ্দিন থানার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন ফকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘাতক ছেলে রাহাত হোসেন (৩০) ওই গ্রামের দুলাল হাওলাদারের ছেলে। তাঁর মায়ের নাম নাছিমা বেগম (৫০)। আহত জাহানারা বেগম একই গ্রামের নাজু মৃধার স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি জানান, খুনি রাহাত হোসেনের স্ত্রী ও বাবা ঢাকায় আছেন। সোমবার সন্ধ্যায় ইফতারের পর রাহাত তাঁর মাকে ইলিশ মাছ রান্না করতে বলে। তাঁর মা জানায়, বাড়িতে কেউ নেই, তিনি একা সংসারের অন্যান্য কাজ শেষ করে মাছ রান্না করতে পারবে না। এরপরও রাহাত তাঁর মাকে ইলিশ মাছ রান্না করতে বারবার অনুরোধ করে। এরই মধ্যে মায়ের সঙ্গে মাছ রান্না নিয়ে রাহাতের তর্কবিতর্ক হয় একপর্যায়ে রাহাত দা দিয়ে তাঁর মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে লাশের পাশে বসে থাকে।

জাহানারা নামে আহত ওই নারী রাহাতকে বাধাঁ দিলে তাকেও কুপিঁয়ে জখম করে রাহাত। তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই নারীকে বরিশাল শেরেবাংলা (শেবাচিম) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। স্থানীয়দের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাহাত কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। সে পুলিশের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

পুলিশ ও র‍‍্যাব ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক রাহাত কে আটকের পাশাপাশি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছেন।