ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিশুর বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে একমত মিঠাপুকুরে নোংরা চত্বর থেকে রাজস্বের হাট: উন্নয়ন, নাকি বিতর্ক? ৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার

কালুরঘাটের ফেরিঘাট সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি তদন্তে মাঠে নেমেছে দুদক

চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর উভয় পাশে ফেরিঘাট ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল সোমবার দুপুরে কালুরঘাট ফেরিঘাটে গিয়ে তথ্য সংগ্রহে সরেজমিন পরিদর্শন করেন দুদক কর্মকর্তারা।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন বলেন, ‘ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার অংশ হিসেবে আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে মাঠে নেমেছি , তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’
এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর কালুরঘাটে ফেরিঘাট নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনী নোটিশ চট্টগ্রাম জজ কোর্টে আইনজীবী সেলিম চৌধুরী। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে পাঠানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন মারফত জানতে পারি- বড় ধরনের সংস্কার কাজের জন্য কালুরঘাট সেতু বন্ধ রেখে পারাপারের বিকল্প হিসেবে নিচ দিয়ে ফেরি সার্ভিস চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে কোন টেন্ডার ছাড়াই ৪ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলীর উভয় পাড়ে এপ্রোচ সড়কে ব্রিক সলিন করে এতে বিপুল অংকের টাকা আত্মসাৎ করা, সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই অপরিকল্পিত ফেরী ঘাট নির্মান করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়। ১ আগস্ট ফেরি চালুর প্রথম দিনেই যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়ে দক্ষিণের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ।
‘সংবাদমাধ্যম সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ জনভোগান্তির চিত্র গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হলে বিষয়টা নাড়া দেয় অনেককেই। আমরা মনে করি, এ কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যে কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে ইচ্ছেকৃতভাবে এখানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলা করে ভোগান্তি বাড়িয়ে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন’। অথবা দুর্নীতির মাধ্যমে
দুদক সূত্র জানায় কালুরঘাট ফেরীঘাটের সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্ণীতি অভিযোগ হয়েছে বেশ কিছু দিন আগে।
অফিসিয়াল প্রক্রিয়া শেষ করে দুদকের একটি টিম গতকাল সোমবার সরেজমিনে ঘটনা স্থল ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করছেন, অনেকটা অভিযোগর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। তবে তদন্তের স্বার্থে এর বেশী কিছু বলা যাবে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কালুরঘাটের ফেরিঘাট সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি তদন্তে মাঠে নেমেছে দুদক

আপডেট সময় ০৮:৫৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর উভয় পাশে ফেরিঘাট ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল সোমবার দুপুরে কালুরঘাট ফেরিঘাটে গিয়ে তথ্য সংগ্রহে সরেজমিন পরিদর্শন করেন দুদক কর্মকর্তারা।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন বলেন, ‘ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করার অংশ হিসেবে আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে মাঠে নেমেছি , তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’
এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর কালুরঘাটে ফেরিঘাট নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনী নোটিশ চট্টগ্রাম জজ কোর্টে আইনজীবী সেলিম চৌধুরী। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে পাঠানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন মারফত জানতে পারি- বড় ধরনের সংস্কার কাজের জন্য কালুরঘাট সেতু বন্ধ রেখে পারাপারের বিকল্প হিসেবে নিচ দিয়ে ফেরি সার্ভিস চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে কোন টেন্ডার ছাড়াই ৪ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলীর উভয় পাড়ে এপ্রোচ সড়কে ব্রিক সলিন করে এতে বিপুল অংকের টাকা আত্মসাৎ করা, সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই অপরিকল্পিত ফেরী ঘাট নির্মান করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়। ১ আগস্ট ফেরি চালুর প্রথম দিনেই যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়ে দক্ষিণের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ।
‘সংবাদমাধ্যম সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ জনভোগান্তির চিত্র গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হলে বিষয়টা নাড়া দেয় অনেককেই। আমরা মনে করি, এ কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যে কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে ইচ্ছেকৃতভাবে এখানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়িত্বে অবহেলা করে ভোগান্তি বাড়িয়ে জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন’। অথবা দুর্নীতির মাধ্যমে
দুদক সূত্র জানায় কালুরঘাট ফেরীঘাটের সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্ণীতি অভিযোগ হয়েছে বেশ কিছু দিন আগে।
অফিসিয়াল প্রক্রিয়া শেষ করে দুদকের একটি টিম গতকাল সোমবার সরেজমিনে ঘটনা স্থল ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করছেন, অনেকটা অভিযোগর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। তবে তদন্তের স্বার্থে এর বেশী কিছু বলা যাবে না।