ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট নেপালে কাদার ভেতর উদ্ধারকারীদের মরিয়া অনুসন্ধান, নিখোঁজ ৩০০০ সবজির চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা রংপুরের চক্রবর্তী পরিবারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি সরকার গুম, খুন ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৩৭, আহত ৪২ লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হঠাৎ ঢাকাসহ ৪০ জেলায় সতর্কবার্তা

শাজাহানপুরে দুইটি রাম দা’সহ গ্রেপ্তার এমপি বাবলু’র তথাকথিত দেহরক্ষী ফারুক

বগুড়ার শাজাহানপুরে ২টি রাম দা’সহ গ্রেফতার হয়েছে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাহজাহানপুর) এলাকার সাংসদ মো: রেজাউল করিম বাবলু’র দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত ওমর ফারুক (৪০)। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ডোমনপুকুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা। সে শাজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর দেওয়ানপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে এবং মাঝিড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি। সম্প্রতি দু’ হাতে হাসুয়াসহ ওমর ফারুকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি টক অব দ্যা শাজাহানপুরে পরিণত হয়। গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে ভয়-ভীতি প্রদর্শণের তথ্যের ভিত্তিতে ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওমর ফারুক বগুড়া-৭ আসনের (গাবতলী-শাহজাহানপুর) আসনের সাংসদ মো: রেজাউল করিম বাবলুর দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত। যে কোনো অনুষ্ঠানে এমপি’র সাথে তাকে দেখা যায়। তার আগ্রাসী কর্মকান্ডে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ। কিন্তু এমপি’র কাছের লোক বলে কেউ কিছু বলার সাহস করে না। অপরদিকে দেহরক্ষীর বিষয়টি অস্বীকার করে এমপি রেজাউল করিম বাবলু বলেছেন, ওমর ফারুকের মতো অনেক লোকই তার সাথে চলাফেরা করেন। ফারুকের দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করে শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি একেএম জিয়াউল হক জুয়েল জানিয়েছেন, মাঝিড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটিতে প্রাথমিক ভাবে তার নাম এসেছে। কিন্তু কমিটি এখনও অনুমোদন হয়নি। তবে কারও অন্যায় অপকর্মের দায়ভার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নিবেনা। বরং তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিবি’র ইনচার্জ মোস্তাফিজ হাসান জানিয়েছেন, আমাদের কাছে গোপন সংবাদ ছিল ওমর ফারুক দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে স্থানীয়ভাবে ভয়-ভীতি দেখাতেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ২টি রাম দা’সহ গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট

শাজাহানপুরে দুইটি রাম দা’সহ গ্রেপ্তার এমপি বাবলু’র তথাকথিত দেহরক্ষী ফারুক

আপডেট সময় ১১:৩০:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

বগুড়ার শাজাহানপুরে ২টি রাম দা’সহ গ্রেফতার হয়েছে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাহজাহানপুর) এলাকার সাংসদ মো: রেজাউল করিম বাবলু’র দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত ওমর ফারুক (৪০)। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ডোমনপুকুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা। সে শাজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর দেওয়ানপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে এবং মাঝিড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি। সম্প্রতি দু’ হাতে হাসুয়াসহ ওমর ফারুকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি টক অব দ্যা শাজাহানপুরে পরিণত হয়। গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে ভয়-ভীতি প্রদর্শণের তথ্যের ভিত্তিতে ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওমর ফারুক বগুড়া-৭ আসনের (গাবতলী-শাহজাহানপুর) আসনের সাংসদ মো: রেজাউল করিম বাবলুর দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত। যে কোনো অনুষ্ঠানে এমপি’র সাথে তাকে দেখা যায়। তার আগ্রাসী কর্মকান্ডে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ। কিন্তু এমপি’র কাছের লোক বলে কেউ কিছু বলার সাহস করে না। অপরদিকে দেহরক্ষীর বিষয়টি অস্বীকার করে এমপি রেজাউল করিম বাবলু বলেছেন, ওমর ফারুকের মতো অনেক লোকই তার সাথে চলাফেরা করেন। ফারুকের দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করে শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি একেএম জিয়াউল হক জুয়েল জানিয়েছেন, মাঝিড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটিতে প্রাথমিক ভাবে তার নাম এসেছে। কিন্তু কমিটি এখনও অনুমোদন হয়নি। তবে কারও অন্যায় অপকর্মের দায়ভার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নিবেনা। বরং তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিবি’র ইনচার্জ মোস্তাফিজ হাসান জানিয়েছেন, আমাদের কাছে গোপন সংবাদ ছিল ওমর ফারুক দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে স্থানীয়ভাবে ভয়-ভীতি দেখাতেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ২টি রাম দা’সহ গ্রেপ্তার করা হয়।