ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের জয়নাল আবেদীন ডাক্তার বাড়ির কর্পোরাল অব.মো: ফখরুল আলম গং দের দখলীয় জমিতে পাওয়ার টিলার দিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করে চাষ দেয়, এই কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে মাকসুদুর রহমান ও আজিজুল ইসলাম গংদের বিরুদ্ধে।
এ সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় শুক্রবার ১৬ জুন সকাল ৯ টার পর থেকে মাকসুদুর রহমান গংরা ২টি পাওয়ার টিলার নিয়ে চাষের নামে মো:রিয়াজ খাঁন(৪৫), আজিজুল ইসলাম(৩২),রিপন(৪০), মো:নাজিম উদ্দিন(৪২),মেহেদী হাসান সজীব(৩৬),জুনায়েদ ইসলাম(১৯) সহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জন নারী/পুরুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে আসে। তখন ভুক্তভোগী পরিবার ৯৯৯ ফোন করলে থানা থেকে পুলিশ আসে। পুলিশ আসলে মাকসুদুর রহমান গংরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের সাথে ও খারাপ আচরণ করে। তারা এতটাই বেপরোয়া যে পুলিশ,আইনকেও তোয়াক্কা করে না।
এ সময় তাদের কর্মকান্ড স্থানীয়রা ফোনে ভিডিও ধারণ করলে তাদের ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তাদের এরূপ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে পুরো এলাকার মানুষের মধ্যে ভয় ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, কর্পোরাল অব.মো: ফখরুল আলমদের সাথে একই এলাকার মাকসুদুর রহমান গংদের দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এ নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ করা হলেও মাকসুদুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।
এই বিষয় নিয়ে অভিযুক্ত মোঃ আজিজুল ইসলাম (বাইজিদ) এর সাথে প্রতিনিধি মুঠোফোনে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে উনি প্রতিনিধিকে জানান যে আমাদের জমিতে চাষা চাষ দিতে গেলে তাকে বাধা দিলে আমরা সবাই মিলে গিয়ে চাষ দেওয়ার ব্যবস্থা করি,এতে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে যাতে কোন গন্ডগোল না হয় সেজন্য আমরা ফিরে আসি।
তবে এর আগে উত্তর জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান জনাব বশির আহমেদ উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও, মীমাংসা এখন পর্যন্ত হয়নি। তাই মাকসুদুর রহমান গংদের তোপের মুখে কর্পোরাল অব.মো: ফখরুল আলম।
এ বিষয়ে দৌলতখান থানার এসআই শাহেআলম জানান- আমরা ভুক্তভোগী পরিবারের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই পরিস্থিতি শান্ত করি। তবে ভুক্তভোগী পরিবার তাদেরকে একটি থানায় অভিযোগ, মামলা করার পরামর্শ দেই। তবে আমরা আশা করছি এক সপ্তাহের মধ্যে উভয়পক্ষকে থানায় ডেকে ঘটনাটির নিষ্পত্তি করব।
এম এন আলম, বরিশাল: 





















