পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী হরিদেবপুর স্নান ঘাটের পাসে কেশব চন্দ্র দাসের বাড়িতে অবস্থিত পুরনো মনসা মন্দির সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের পথে।
তবে মন্দিরটির বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থার কারণে ভক্তদের জন্য ধর্মীয় কার্যাদি করা বেশ কষ্টকর হয়ে পরেছে । টিন ও কাঠের তৈরি মনসা মন্দিরটির ভিতরের অবকাঠামো এতটা পুরনো যে এর টিনের বেড়া, খুঁটি ভেঙে পড়েছে। তবে সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যায়। মন্দির সুরক্ষায় নেই কোন পাকা ইমারত, কিংবা বেড়া। তবে অর্থের অভাবে হচ্ছে না মন্দিরের কোন উন্নয়নের কাজ।
এ বিষয়ে মনসা মন্দিরের ভক্ত , মাধব চন্দ্র দাস, অপু রানী, শিকু রানী, রনোজীত চন্দ্র দাস এরা বলেন, প্রতি বছর এখানে পূজা হয়। আমরা পূজায় অংশগ্রহণ করি। বৃষ্টি এলেই আমাদের ভক্তদের অনেক কষ্ট করতে হয়। নেই কোন সুরক্ষ্য, মন্দির প্রাঙ্গনেই ভিজতে হয় আমাদের। সবথেকে বেশি কষ্ট হয় দূর থেকে আগত ভক্তদের। মন্দির কমিটির সভাপতি কেশব চন্দ্র দাস বলেন, ২০-২৫ বছরের পুরনো মনসা মন্দির এটি। অর্থের অভাবে মন্দিরের কোন উন্নয়ন মূলক কাজ হয় নাই।
তবে সংস্কার কিংবা পাকা ভবন করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। সরকারি খাস জায়গায় অবস্থিত। এ বছরে মা মনসা মন্দিরের নামে ৪ শ’তক জায়গা স্থায়ী ভাবে বরাদ্দ (ডিসিআর) পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমির কাছে আবেদন করা হয়েছে ।
এ বিষয়ে মনসা মন্দিরের মালতী রানী বলেন, ২৫ বছরের পুরনো মন্দিরে আমি মা মনসার পূজা করে থাকি। মায়ের মন্দিরের জায়গা ও ঘরটি সরকারিভাবে পাকা করা হউক তাহলে ভক্তদের আর কোন কষ্ট হবে না মনে করি।
এর জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা স্থানীয়ভাবে জোগান দেয়া খুবি অসম্ভব হয়ে পরছে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দানশীল ব্যক্তিদের প্রতি আবেদন যাতে মন্দিরটি সংস্কার করে রক্ষা হয়। এ বিষয়ে গোলখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন,এই মা মনসা মন্দিরটি অনেক আগের পুরনো মন্দির, এটা পুনঃনির্মাণ করা জরুরি দরকার । সরকারি সহযোগিতা পেতে মন্দির কমিটির লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সহায়তার আবেদন করবে।
তিনি আরও জানান সমাজের বিত্তশালী ধর্মীয় অনুরাগীদের সহায়তা দেয়ার জন্যও অনুরোধ, যে মা মনসা মন্দির টা খুবই অসহায় হয়ে পরেন তাই বড় বিওশালী ও ধর্মীয় মনস্তাত্ত্বিক লোক দের। মা মনসা মন্দির টি সহায়তার জন্য আবেদন ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
মোঃ মামুন হোসাইন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ- 























