ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

ঘুমের মধ্যেই মারা গেলো শিশুটি

মাদারীপুরের শিবচরে ১৫ মাস বয়সী আলিফ নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে ঘুম পাড়িয়ে রেখে শিশুটির মা বাইরে গিয়ে ঘরগৃহস্থলির কাজ শেষে কিছুক্ষণ পরে ঘরে ফিরে দেখেন শিশুটি অচেতন হয়ে আছে। ধারনা করা হচ্ছে প্রচন্ড গরমে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের মগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি ওই গ্রামের ওবায়দুল শরীফের একমাত্র সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে শিশু আলিফকে ঘুম পাড়িয়ে মা ডলি আক্তার বাড়ির পাশের বাজারে যায় এবং বাড়ি ফিরে অন্যান্য কাজ শেষ করে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘরে ফিরে দেখেন শিশুটি অচেতন হয়ে আছে। পরিবারের লোকজন শিশুটিকে দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। তবে এর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরের মধ্যে প্রচন্ড গরমে শিশুটি ঘুমের মধ্যে মারা যায় বলে ধারনা করছে পরিবারের সদস্যরা। এসময় ঘরে অন্য কেউ ছিল না।

পরিবারের বরাত দিয়ে প্রতিবেশী টিটু শরীফ বলেন,’ঘরে যখন বাচ্চাটিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখে তখন বিদ্যুৎ ছিল না। ঘরের ভেতরও অনেক গরম ছিল। বাচ্চাকে রেখে ওর মা বাইরে কাজ করতে থাকে। কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে শিশুটির কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে চিৎকার দেয়। আশেপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখে মাথায় পানি ঢালে। কিন্তু আর চেতনা ফিরে নি। শ্বাস-প্রশ্বাসও চলছিল না। পরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অনেক আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানান। প্রচন্ড গরমের কারনেই শিশুটির মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ শিশুটি সকালেও খেলাধুলা করেছে। খুবই চঞ্চল ছিল।’

শিশুটির বাবা ওবায়দুল শরীফ জানান,’আলীফকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে হাতপাখার বাতাস করে ওর মা। পরে বাইরে আসে টুকটাক কাজ কর্ম করতে। কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে দেখে আলীফ নড়াচড়া করছে না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

ঘুমের মধ্যেই মারা গেলো শিশুটি

আপডেট সময় ০১:৫২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

মাদারীপুরের শিবচরে ১৫ মাস বয়সী আলিফ নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে ঘুম পাড়িয়ে রেখে শিশুটির মা বাইরে গিয়ে ঘরগৃহস্থলির কাজ শেষে কিছুক্ষণ পরে ঘরে ফিরে দেখেন শিশুটি অচেতন হয়ে আছে। ধারনা করা হচ্ছে প্রচন্ড গরমে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের মগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি ওই গ্রামের ওবায়দুল শরীফের একমাত্র সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে শিশু আলিফকে ঘুম পাড়িয়ে মা ডলি আক্তার বাড়ির পাশের বাজারে যায় এবং বাড়ি ফিরে অন্যান্য কাজ শেষ করে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘরে ফিরে দেখেন শিশুটি অচেতন হয়ে আছে। পরিবারের লোকজন শিশুটিকে দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। তবে এর আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরের মধ্যে প্রচন্ড গরমে শিশুটি ঘুমের মধ্যে মারা যায় বলে ধারনা করছে পরিবারের সদস্যরা। এসময় ঘরে অন্য কেউ ছিল না।

পরিবারের বরাত দিয়ে প্রতিবেশী টিটু শরীফ বলেন,’ঘরে যখন বাচ্চাটিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখে তখন বিদ্যুৎ ছিল না। ঘরের ভেতরও অনেক গরম ছিল। বাচ্চাকে রেখে ওর মা বাইরে কাজ করতে থাকে। কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে শিশুটির কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে চিৎকার দেয়। আশেপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় দেখে মাথায় পানি ঢালে। কিন্তু আর চেতনা ফিরে নি। শ্বাস-প্রশ্বাসও চলছিল না। পরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অনেক আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানান। প্রচন্ড গরমের কারনেই শিশুটির মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ শিশুটি সকালেও খেলাধুলা করেছে। খুবই চঞ্চল ছিল।’

শিশুটির বাবা ওবায়দুল শরীফ জানান,’আলীফকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে হাতপাখার বাতাস করে ওর মা। পরে বাইরে আসে টুকটাক কাজ কর্ম করতে। কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে দেখে আলীফ নড়াচড়া করছে না।