ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন  জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন

সিলেটে ৫ দুবাই প্রবাসীদের বিরুদ্ধে আরেক দুবাই প্রবাসীর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

দুবাই প্রবাসী প্রতারকদের বিরুদ্ধে সিলেটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন আরেক দুবাই প্রবাসী মাহবুব আলম। সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে তিনি এ মামলা দায়ের করলে আদালত তদন্তের জন্য গোয়াইনঘাট থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মাহবুব আলম দুবাইয়ের বার দুবাইয়ের সাথওয়া এলাকায় বসবাস করেন। তার বাড়ি গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড় গ্রামে। আসামিরা হলেন- দুবাইয়ের সাথওয়া এলাকার বাসিন্দা বড়লেখার বর্ণি নোয়াগাওয়ের ফাহিম হোসাইন, ওসমানীনগরের আতাউল্লাহ গ্রামের আনু মিয়া, গোলাপগঞ্জের বাগলা গ্রামের মাহিন তালুকদার, একই উপজেলার বানীগ্রামের শাহরিয়ার ইসলাম আরিফ ও জৈন্তাপুরের মনাইহাটি গ্রামের সানজিদ।

মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবি সন্তুষ কান্তি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন- আদালত মামলাটি গ্রহন করে গোয়াইনঘাট থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গত সোমবার এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে মাহবুব আলম জানিয়েছেন- দুবাইয়ের সাথওয়া এলাকায় আসামিদের সঙ্গে তার পরিচয়। প্রধান আসামি ফাহিম হোসাইন মায়ের অসুস্থতার কথা বলে তার কাছ থেকে ৩১৪০ দিরহাম ঋন নেয়।

পরে ৭০০ দিরহাম ফেরত দিয়েছে। কিন্তু ২৪৪০ দিরহাম ফেরত দেয়নি। টাকা ফেরত দিতে তিনি একাধিকবার চাপ দিলেও সে টাকা দেয়নি। মাহবুব জানান- গত ২৮ শে জানুয়ারি জরুরী প্রয়োজনে তিনি দেশে আসেন। দেশে এসেও টাকার জন্য ফাহিমকে চাপ দিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় গত ১৭ই মে ফাহিম তার মোবাইল লিঙ্ক হতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কুৎসা রটায়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে ইউরোপ আমেরিকা ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে লক্ষ লক্ষ্য মানুষের কাছ আদায় করেছি বলে দাবি করে।

প্রধান আসামির দেওয়া এই পোস্ট অন্য আসামিরা তাদের লিঙ্কে পোস্ট করে বলে দাবি করেন মাহবুব আলম। মাহবুব আলম জানিয়েছেন- ২৪৪০ দিরহাম আত্মসাত করতে ফাহিম সহ অন্যরা এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানহানি করেছে। এই সঙ্গে পোস্ট ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রচার করেছে। এজন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান

সিলেটে ৫ দুবাই প্রবাসীদের বিরুদ্ধে আরেক দুবাই প্রবাসীর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

আপডেট সময় ১০:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুন ২০২৩

দুবাই প্রবাসী প্রতারকদের বিরুদ্ধে সিলেটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন আরেক দুবাই প্রবাসী মাহবুব আলম। সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে তিনি এ মামলা দায়ের করলে আদালত তদন্তের জন্য গোয়াইনঘাট থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মাহবুব আলম দুবাইয়ের বার দুবাইয়ের সাথওয়া এলাকায় বসবাস করেন। তার বাড়ি গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড় গ্রামে। আসামিরা হলেন- দুবাইয়ের সাথওয়া এলাকার বাসিন্দা বড়লেখার বর্ণি নোয়াগাওয়ের ফাহিম হোসাইন, ওসমানীনগরের আতাউল্লাহ গ্রামের আনু মিয়া, গোলাপগঞ্জের বাগলা গ্রামের মাহিন তালুকদার, একই উপজেলার বানীগ্রামের শাহরিয়ার ইসলাম আরিফ ও জৈন্তাপুরের মনাইহাটি গ্রামের সানজিদ।

মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবি সন্তুষ কান্তি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন- আদালত মামলাটি গ্রহন করে গোয়াইনঘাট থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গত সোমবার এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারে মাহবুব আলম জানিয়েছেন- দুবাইয়ের সাথওয়া এলাকায় আসামিদের সঙ্গে তার পরিচয়। প্রধান আসামি ফাহিম হোসাইন মায়ের অসুস্থতার কথা বলে তার কাছ থেকে ৩১৪০ দিরহাম ঋন নেয়।

পরে ৭০০ দিরহাম ফেরত দিয়েছে। কিন্তু ২৪৪০ দিরহাম ফেরত দেয়নি। টাকা ফেরত দিতে তিনি একাধিকবার চাপ দিলেও সে টাকা দেয়নি। মাহবুব জানান- গত ২৮ শে জানুয়ারি জরুরী প্রয়োজনে তিনি দেশে আসেন। দেশে এসেও টাকার জন্য ফাহিমকে চাপ দিচ্ছিলেন। এই অবস্থায় গত ১৭ই মে ফাহিম তার মোবাইল লিঙ্ক হতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কুৎসা রটায়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে ইউরোপ আমেরিকা ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে লক্ষ লক্ষ্য মানুষের কাছ আদায় করেছি বলে দাবি করে।

প্রধান আসামির দেওয়া এই পোস্ট অন্য আসামিরা তাদের লিঙ্কে পোস্ট করে বলে দাবি করেন মাহবুব আলম। মাহবুব আলম জানিয়েছেন- ২৪৪০ দিরহাম আত্মসাত করতে ফাহিম সহ অন্যরা এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানহানি করেছে। এই সঙ্গে পোস্ট ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রচার করেছে। এজন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান।