ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী বোরহানউদ্দিনে ওজোপাডিকোর প্রকৌশলী মেহেদীর বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ জানুয়ারি থেকে নতুন মজুরি, বৃহস্পতিবার কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিকদের একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন বিএনপিকে দুর্বল ভাবলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন: ডিএসসিসি প্রশাসক পোশাকশিল্পে চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক শ্রমিক আন্দোলন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজাহানপুরে রাজউকের নকশা লঙ্ঘন করে ১০ তলা ভবন নির্মাণ, নেপথ্যে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ চীনা মন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান গড়ছে সশস্ত্র বাহিনী ফায়ার সার্ভিসে গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নে তদবির, মামুনুর রশিদকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ

অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান গড়ছে সশস্ত্র বাহিনী

বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। পাশাপাশি বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতাও। এমন তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও সামরিক বিশ্লেষকেরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের পলাতক দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার একটি কথিত অডিও-ভিডিও বার্তাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে ‘নিউইয়র্ক বাংলা লাইফ’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ওই বার্তায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কমে যাওয়া নিয়ে অসত্য দাবি করার পাশাপাশি ‘প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসাব নেওয়ার’ মতো উসকানিমূলক হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর দায় এড়াতে এবং প্রবাসীদের আবেগকে পুঁজি করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা থেকেই এমন রাজনৈতিক কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রকৃত তথ্য-উপাত্ত বলছে, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা ও দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়াকে কোনো অভ্যন্তরীণ বা কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। মূলত ২০১৮ সাল-পরবর্তী সময় থেকে বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন এবং জাতিসংঘের প্রধান অর্থায়নকারী দেশগুলোর—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের—নীতিগত পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বকেয়া ও বাজেট হ্রাসের কারণে বিশ্বব্যাপী মিশন সংকুচিত হচ্ছে।

নজিরবিহীন এই আর্থিক সংকটের কারণে জাতিসংঘ তাদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শান্তিরক্ষা বাজেট ১০ শতাংশেরও বেশি কমিয়ে মাত্র ৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে এনেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষীর সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। মালির পর গত ১ নভেম্বর পশ্চিম সাহারার মতো ৩৫ বছরের পুরোনো মিশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের এই সামগ্রিক মিশন হ্রাসের অনুপাতে সব দেশেরই সৈন্যসংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে এই তীব্র বৈশ্বিক ছাঁটাইয়ের মধ্যেও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তাদের সুনাম অক্ষুণ্ন রেখে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের তালিকায় প্রথম থেকে চতুর্থ অবস্থানের মধ্যে নিজেদের জায়গা সুদৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে।

কেবল জাতিসংঘ মিশনই নয়, এর বাইরেও বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি সদস্য বিভিন্ন দেশের দ্বিপাক্ষিক বা হাইব্রিড মিশনে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনে (ওকেপি) বর্তমানে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৭৬৮ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় বৈদেশিক মোতায়েন।

একইভাবে, হাইতিতে গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোর্সের (জিএসএফ) আওতায় গত অক্টোবর থেকে আগামী জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে মোট ১ হাজার ৪০০ জন সদস্য সংযোজনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ জনের একটি অগ্রগামী দল ইতোমধ্যে হাইতিতে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, বর্তমান সরকারের আমলে মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্কের এক নজিরবিহীন সম্প্রসারণ ঘটেছে, যা দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বরের অফিশিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী, কাতারে কর্মরত বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টের (বিএমসি) মোট জনবল বেড়ে ৫ হাজার ৭৬৭ জনে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়া কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্ট অ্যান্ড বর্ডার সিকিউরিটিতে (কিউসিবিএস) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৩৭ জন সদস্যের পাশাপাশি আগামীকাল ৫ নভেম্বর আরও ২৪ জন সদস্য যোগ দিচ্ছেন। ফলে সেখানে নৌবাহিনীর সদস্যসংখ্যা দাঁড়াবে ১৬১ জনে।

পাশাপাশি কাতার সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য আরও ৫০০টি নতুন পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া পুরোদমে চলমান রয়েছে, যা আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। কাতারের পাশাপাশি সৌদি আরবেও নতুন মেরিটাইম অ্যালায়েন্সের আওতায় দুটি ফ্রিগেট এবং একটি এয়ার ডিফেন্স (এডি) ব্যাটারিসহ মোট ১ হাজার নতুন সদস্য মোতায়েন হতে যাচ্ছেন।

সামগ্রিক তথ্য-উপাত্ত ও বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংকটের যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জাতিসংঘের মিশন সংকোচনের মধ্যেও জাতিসংঘ এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও পরিধি বৃদ্ধি মূলত বর্তমান সরকারের অল্প সময়ের কূটনৈতিক বিজয়েরই সুস্পষ্ট প্রমাণ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান গড়ছে সশস্ত্র বাহিনী

আপডেট সময় ০৮:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। পাশাপাশি বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতাও। এমন তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও সামরিক বিশ্লেষকেরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের পলাতক দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার একটি কথিত অডিও-ভিডিও বার্তাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে ‘নিউইয়র্ক বাংলা লাইফ’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ওই বার্তায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কমে যাওয়া নিয়ে অসত্য দাবি করার পাশাপাশি ‘প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসাব নেওয়ার’ মতো উসকানিমূলক হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর দায় এড়াতে এবং প্রবাসীদের আবেগকে পুঁজি করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা থেকেই এমন রাজনৈতিক কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রকৃত তথ্য-উপাত্ত বলছে, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা ও দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়াকে কোনো অভ্যন্তরীণ বা কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। মূলত ২০১৮ সাল-পরবর্তী সময় থেকে বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন এবং জাতিসংঘের প্রধান অর্থায়নকারী দেশগুলোর—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের—নীতিগত পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বকেয়া ও বাজেট হ্রাসের কারণে বিশ্বব্যাপী মিশন সংকুচিত হচ্ছে।

নজিরবিহীন এই আর্থিক সংকটের কারণে জাতিসংঘ তাদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শান্তিরক্ষা বাজেট ১০ শতাংশেরও বেশি কমিয়ে মাত্র ৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে নামিয়ে এনেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষীর সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। মালির পর গত ১ নভেম্বর পশ্চিম সাহারার মতো ৩৫ বছরের পুরোনো মিশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের এই সামগ্রিক মিশন হ্রাসের অনুপাতে সব দেশেরই সৈন্যসংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে এই তীব্র বৈশ্বিক ছাঁটাইয়ের মধ্যেও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তাদের সুনাম অক্ষুণ্ন রেখে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের তালিকায় প্রথম থেকে চতুর্থ অবস্থানের মধ্যে নিজেদের জায়গা সুদৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছে।

কেবল জাতিসংঘ মিশনই নয়, এর বাইরেও বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি সদস্য বিভিন্ন দেশের দ্বিপাক্ষিক বা হাইব্রিড মিশনে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠনে (ওকেপি) বর্তমানে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৭৬৮ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় বৈদেশিক মোতায়েন।

একইভাবে, হাইতিতে গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোর্সের (জিএসএফ) আওতায় গত অক্টোবর থেকে আগামী জানুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে মোট ১ হাজার ৪০০ জন সদস্য সংযোজনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ জনের একটি অগ্রগামী দল ইতোমধ্যে হাইতিতে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, বর্তমান সরকারের আমলে মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্কের এক নজিরবিহীন সম্প্রসারণ ঘটেছে, যা দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বরের অফিশিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী, কাতারে কর্মরত বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টের (বিএমসি) মোট জনবল বেড়ে ৫ হাজার ৭৬৭ জনে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়া কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্ট অ্যান্ড বর্ডার সিকিউরিটিতে (কিউসিবিএস) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৩৭ জন সদস্যের পাশাপাশি আগামীকাল ৫ নভেম্বর আরও ২৪ জন সদস্য যোগ দিচ্ছেন। ফলে সেখানে নৌবাহিনীর সদস্যসংখ্যা দাঁড়াবে ১৬১ জনে।

পাশাপাশি কাতার সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য আরও ৫০০টি নতুন পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া পুরোদমে চলমান রয়েছে, যা আগামী চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। কাতারের পাশাপাশি সৌদি আরবেও নতুন মেরিটাইম অ্যালায়েন্সের আওতায় দুটি ফ্রিগেট এবং একটি এয়ার ডিফেন্স (এডি) ব্যাটারিসহ মোট ১ হাজার নতুন সদস্য মোতায়েন হতে যাচ্ছেন।

সামগ্রিক তথ্য-উপাত্ত ও বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংকটের যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জাতিসংঘের মিশন সংকোচনের মধ্যেও জাতিসংঘ এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও পরিধি বৃদ্ধি মূলত বর্তমান সরকারের অল্প সময়ের কূটনৈতিক বিজয়েরই সুস্পষ্ট প্রমাণ।