ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডি মনিরুজ্জামানের হাতে সব ক্ষমতা দুঃখের কথা শুনেই সহায়তার হাত বাড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, যুবদল নেতা আল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে টোলের নামে চাঁদাবাজি, ক্ষুব্ধ পর্যটক ও যাত্রীরা ১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ভোটার স্থানান্তরের আবেদনের সময় বাড়ল ১ নভেম্বর পর্যন্ত উখিয়ায় এসআই কিবরিয়াসহ ৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ১ লাখ ইয়াবা ও পিস্তল গায়েবের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বদলে ‘কম ক্ষতিকর’ প্রধানমন্ত্রী চান গাজাবাসী বরগুনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা হলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সুযোগ পেতে পারে বিরোধী শিবির। কিন্তু এ নিয়ে বিরোধীদের একাংশের আপত্তি রয়েছে। নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোট ও আসন পাওয়া আরব দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হবে কি না, এখন সেই সিদ্ধান্তই নিতে হবে নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরকে।

গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির প্রেক্ষাপটে গত মঙ্গলবার ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল। বুথফেরত জরিপ ও আংশিক গণনায় নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট—কোনোটিরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার আভাস মেলেনি।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি, আইজেনকটের জোট ৪৮টি এবং আরব দলগুলো ১৯টি আসন পেতে পারে।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে বিরোধীরা সেই সীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আরব নাগরিকদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নটিও সামনে এসেছে।

আরব ভোটের গুরুত্ব

ইসরায়েলের জনসংখ্যার ২০ শতাংশের বেশি ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব নাগরিক। এবারের নির্বাচনে তাঁদের ব্যাপক অংশগ্রহণ আরব নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট লিস্ট ও রাআমের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যের ক্ষোভও অনেককে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

এবার সারা দেশে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ, যা দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। অতি ডানপন্থীদের সঙ্গে নেতানিয়াহুর জোট এবং কট্টর ইহুদিদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়েও ভোটারদের ক্ষোভ ছিল।

এই অংশগ্রহণকে সরকার পরিবর্তনের উদ্যোগে যুক্ত করতে ‘ইহুদি-আরব প্রকৃত অংশীদারত্ব’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসুফ জাবারিন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘নেতানিয়াহুর বিকল্প গড়তে চাইলে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’

সমঝোতার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। আরব দলগুলো নতুন সরকারে যোগ দিতে পারে, আবার সরকারে অংশ না নিয়েও বাইরে থেকে সমর্থন দিতে পারে। তবে যে পথেই আলোচনা হোক, দলগুলোর নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়েই সমঝোতা করতে হবে।

সমঝোতা নিয়ে আপত্তি ও সমালোচনা

রয়টার্স জানিয়েছে, আইজেনকটের শিবিরের অনেকেই আরব দলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠনের উদ্যোগ নাকচ করেছেন। ফলে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাওয়া বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা এখনো অনিশ্চিত।

‘দ্য প্যালেস্টাইন ল্যাবরেটরি’ বইয়ের লেখক অ্যান্টনি লোয়েনস্টাইন আল-জাজিরাকে বলেছেন, এই অনীহার পেছনে রয়েছে গভীর আরববিদ্বেষ। তাঁর প্রশ্ন, গণতন্ত্রের দাবি করা কোনো দেশে সরকারে একটি জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে এমন বিতর্ক হয় কীভাবে?

হারেৎজ-এর বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের বর্জনের পরিবেশ পেরিয়ে আরব নাগরিকেরা ভোট দেওয়ার পর আবার প্রত্যাখ্যাত হলে নিজেদের ‘গণতান্ত্রিক’ বলে দাবি করা শিবিরের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসুফ জাবারিন বলেছেন, ‘আমরা ইহুদি-আরব প্রকৃত অংশীদারত্বে বিশ্বাস করি। নেতানিয়াহুর বিকল্প গড়তে চাইলে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’

সহযোগিতার আহ্বান

তবে বিরোধী শিবিরের সবাই একই অবস্থানে নেই। ডেমোক্র্যাটস দলের আইনপ্রণেতা গিলাদ কারিভ আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে দেশের ‘ধ্বংসাত্মক’ গতিপথ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

এক্সে কারিভ লিখেছেন, উদারপন্থী ইহুদি ও আরব জনগোষ্ঠী—উভয় ক্ষেত্রেই বিরোধীদের প্রতিনিধিত্ব বেড়েছে। তাঁর দাবি, বিপুলসংখ্যক মানুষ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

এই সহযোগিতার প্রশ্নের পাশাপাশি ফিলিস্তিন বিষয়ে দলগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় সব ইহুদি দলই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী। ফলে নেতানিয়াহুর বিদায়ের সম্ভাবনা এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে নীতিগত পরিবর্তন এক বিষয় নয়।

প্রেসিডেন্টের পরবর্তী পদক্ষেপ

ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার পর দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলের নেতাকেই দায়িত্ব দিতে হবে, এমন নয়। বরং কার সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি, সেটিই বিবেচনা করা হবে।

নতুন নির্বাচন এড়াতে নেতানিয়াহু ও আইজেনকটকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও খোলা রেখেছেন হারজোগ। তবে সমঝোতা না হলে আবার নির্বাচন হতে পারে। নতুন সরকার গঠনের আগপর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নেতানিয়াহু।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডি মনিরুজ্জামানের হাতে সব ক্ষমতা

আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ০৯:৪৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলের আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা হলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সুযোগ পেতে পারে বিরোধী শিবির। কিন্তু এ নিয়ে বিরোধীদের একাংশের আপত্তি রয়েছে। নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোট ও আসন পাওয়া আরব দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হবে কি না, এখন সেই সিদ্ধান্তই নিতে হবে নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরকে।

গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির প্রেক্ষাপটে গত মঙ্গলবার ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল। বুথফেরত জরিপ ও আংশিক গণনায় নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট—কোনোটিরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার আভাস মেলেনি।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি, আইজেনকটের জোট ৪৮টি এবং আরব দলগুলো ১৯টি আসন পেতে পারে।

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে বিরোধীরা সেই সীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আরব নাগরিকদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নটিও সামনে এসেছে।

আরব ভোটের গুরুত্ব

ইসরায়েলের জনসংখ্যার ২০ শতাংশের বেশি ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব নাগরিক। এবারের নির্বাচনে তাঁদের ব্যাপক অংশগ্রহণ আরব নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট লিস্ট ও রাআমের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যের ক্ষোভও অনেককে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

এবার সারা দেশে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ, যা দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। অতি ডানপন্থীদের সঙ্গে নেতানিয়াহুর জোট এবং কট্টর ইহুদিদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়েও ভোটারদের ক্ষোভ ছিল।

এই অংশগ্রহণকে সরকার পরিবর্তনের উদ্যোগে যুক্ত করতে ‘ইহুদি-আরব প্রকৃত অংশীদারত্ব’ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসুফ জাবারিন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘নেতানিয়াহুর বিকল্প গড়তে চাইলে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’

সমঝোতার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। আরব দলগুলো নতুন সরকারে যোগ দিতে পারে, আবার সরকারে অংশ না নিয়েও বাইরে থেকে সমর্থন দিতে পারে। তবে যে পথেই আলোচনা হোক, দলগুলোর নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়েই সমঝোতা করতে হবে।

সমঝোতা নিয়ে আপত্তি ও সমালোচনা

রয়টার্স জানিয়েছে, আইজেনকটের শিবিরের অনেকেই আরব দলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠনের উদ্যোগ নাকচ করেছেন। ফলে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাওয়া বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা এখনো অনিশ্চিত।

‘দ্য প্যালেস্টাইন ল্যাবরেটরি’ বইয়ের লেখক অ্যান্টনি লোয়েনস্টাইন আল-জাজিরাকে বলেছেন, এই অনীহার পেছনে রয়েছে গভীর আরববিদ্বেষ। তাঁর প্রশ্ন, গণতন্ত্রের দাবি করা কোনো দেশে সরকারে একটি জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি মেনে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে এমন বিতর্ক হয় কীভাবে?

হারেৎজ-এর বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের বর্জনের পরিবেশ পেরিয়ে আরব নাগরিকেরা ভোট দেওয়ার পর আবার প্রত্যাখ্যাত হলে নিজেদের ‘গণতান্ত্রিক’ বলে দাবি করা শিবিরের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসুফ জাবারিন বলেছেন, ‘আমরা ইহুদি-আরব প্রকৃত অংশীদারত্বে বিশ্বাস করি। নেতানিয়াহুর বিকল্প গড়তে চাইলে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’

সহযোগিতার আহ্বান

তবে বিরোধী শিবিরের সবাই একই অবস্থানে নেই। ডেমোক্র্যাটস দলের আইনপ্রণেতা গিলাদ কারিভ আরব দলগুলোর সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে দেশের ‘ধ্বংসাত্মক’ গতিপথ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

এক্সে কারিভ লিখেছেন, উদারপন্থী ইহুদি ও আরব জনগোষ্ঠী—উভয় ক্ষেত্রেই বিরোধীদের প্রতিনিধিত্ব বেড়েছে। তাঁর দাবি, বিপুলসংখ্যক মানুষ নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

এই সহযোগিতার প্রশ্নের পাশাপাশি ফিলিস্তিন বিষয়ে দলগুলোর অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় সব ইহুদি দলই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধী। ফলে নেতানিয়াহুর বিদায়ের সম্ভাবনা এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে নীতিগত পরিবর্তন এক বিষয় নয়।

প্রেসিডেন্টের পরবর্তী পদক্ষেপ

ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার পর দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলের নেতাকেই দায়িত্ব দিতে হবে, এমন নয়। বরং কার সরকার গঠনের সম্ভাবনা বেশি, সেটিই বিবেচনা করা হবে।

নতুন নির্বাচন এড়াতে নেতানিয়াহু ও আইজেনকটকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও খোলা রেখেছেন হারজোগ। তবে সমঝোতা না হলে আবার নির্বাচন হতে পারে। নতুন সরকার গঠনের আগপর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নেতানিয়াহু।