ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে সারাদেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১-দলীয় জোট। এ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করবে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি জানান, বর্তমানে ১১টি দল দুটি মূল ইস্যু নিয়ে একযোগে কাজ করছে। এর একটি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন, অন্যটি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন। বৃহস্পতিবার এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে জোটের প্রতিনিধিদল নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়।
তবে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কমিশন কিছু বিষয়ে পদক্ষেপ নিলেও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।
স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল জোট। কিন্তু কমিশন তাঁকে প্রত্যাহার না করে শুধু নির্বাচনপ্রক্রিয়া থেকে বিরত রেখেছে। এ পদক্ষেপকে ‘আইওয়াশ’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে বিরত রাখাই কি যথেষ্ট?
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, বৃহস্পতিবারের উপনির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য না হলে প্রমাণ হবে, কমিশনের পদক্ষেপ ছিল লোকদেখানো। এ নির্বাচনের পরিবেশ ও নিরপেক্ষতা বিবেচনা করেই আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জোট।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। পাশাপাশি সারাদেশে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























