ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁয়ে দোকান দখল ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে পাঁচ সাংবাদিক হত্যার বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকেরা আশুলিয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল দাউদকান্দিতে বন্দুক-কার্তুজ ও গ্রিল কাটারসহ ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার গুলিস্তান-সদরঘাট সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক রামপুরা থানার এসআই পলাশ কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ দেবীগঞ্জে জমজমাট উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম জলপাইয়ের হাট, দৈনিক বেচাকেনা ৫০ লাখ টাকা বোরহানউদ্দিনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা, আহত ৩ হাতিয়া মডেল মসজিদ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ ইসরায়েলের নির্বাচনে ৬০ শতাংশ ভোট গণনা, এগিয়ে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি

মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে অন্যত্র সংযুক্তিতে থাকা সাত চিকিৎসককে নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এ সময় হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করাসহ আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পূর্বঘোষণা ছাড়াই মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের উপস্থিতি, রোগীদের সেবার মান ও হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার খোঁজ নেন। পাশাপাশি দুই অসহায় ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে ছয় হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মোট ৫১ জন চিকিৎসকের মধ্যে পরিদর্শনকালে ১২ জনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। তাঁদের মধ্যে সাতজন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে অন্যত্র সংযুক্তিতে কর্মরত। বাকি পাঁচজন দীর্ঘদিন ধরে অনুমতি ছাড়াই নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি অন্যত্র সংযুক্তিতে থাকা চিকিৎসকদের নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকেরা হলেন—ডা. সমরজিত সাহা, যিনি ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর থেকে; ডা. তুহিবুর রহমান, ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে; ডা. যোবায়ের ইবনে সামস, ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর থেকে; ডা. ফারহান ইমতিয়াজ, ২০২৩ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে এবং ডা. সুচেতা ভট্টাচার্য, ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

১৫১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে হাসপাতাল

পরিদর্শনকালে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন, প্রসূতি নারীদের জন্য ২০ শয্যার ওয়ার্ড, নবজাতকদের জন্য ২০ শয্যার ব্যবস্থা, পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে প্রকল্পটির দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১ নভেম্বর নতুন করে যোগদান করতে যাওয়া ৪৮ জন চিকিৎসকের মধ্য থেকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক পদায়নের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অসন্তোষ

হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় উন্নতি লক্ষ্য করলেও বর্জ্য ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের ভেতরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকে স্বাস্থ্যসেবার জন্য উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি।

হাসপাতালসংশ্লিষ্ট কর্মীদের ভাষ্য, বর্জ্য ফেলার জন্য উপজেলায় উপযুক্ত জমির সংকট রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপযুক্ত ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

এ ছাড়া হাসপাতালের বিকল যানবাহনগুলো কন্ডেমনেশন প্রক্রিয়ায় নেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন তিনি। অ্যাম্বুলেন্স সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা আধুনিকায়নের উদ্যোগ

স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নিয়েছে। মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবার মান আগের তুলনায় ভালো মনে হলেও কিছু অনিয়ম তাঁর নজরে এসেছে। এসব বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা সম্প্রসারণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে মুরাদনগরের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজ, মানসম্মত ও কার্যকর করার আশ্বাস দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে দোকান দখল ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সেলিম সরকারের বিরুদ্ধে

মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৩:২০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে অন্যত্র সংযুক্তিতে থাকা সাত চিকিৎসককে নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এ সময় হাসপাতালটিকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করাসহ আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পূর্বঘোষণা ছাড়াই মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের উপস্থিতি, রোগীদের সেবার মান ও হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার খোঁজ নেন। পাশাপাশি দুই অসহায় ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে ছয় হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মোট ৫১ জন চিকিৎসকের মধ্যে পরিদর্শনকালে ১২ জনকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। তাঁদের মধ্যে সাতজন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে অন্যত্র সংযুক্তিতে কর্মরত। বাকি পাঁচজন দীর্ঘদিন ধরে অনুমতি ছাড়াই নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি অন্যত্র সংযুক্তিতে থাকা চিকিৎসকদের নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকেরা হলেন—ডা. সমরজিত সাহা, যিনি ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর থেকে; ডা. তুহিবুর রহমান, ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে; ডা. যোবায়ের ইবনে সামস, ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর থেকে; ডা. ফারহান ইমতিয়াজ, ২০২৩ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে এবং ডা. সুচেতা ভট্টাচার্য, ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

১৫১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে হাসপাতাল

পরিদর্শনকালে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালে ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন, প্রসূতি নারীদের জন্য ২০ শয্যার ওয়ার্ড, নবজাতকদের জন্য ২০ শয্যার ব্যবস্থা, পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে প্রকল্পটির দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১ নভেম্বর নতুন করে যোগদান করতে যাওয়া ৪৮ জন চিকিৎসকের মধ্য থেকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক পদায়নের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অসন্তোষ

হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় উন্নতি লক্ষ্য করলেও বর্জ্য ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের ভেতরের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকে স্বাস্থ্যসেবার জন্য উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি।

হাসপাতালসংশ্লিষ্ট কর্মীদের ভাষ্য, বর্জ্য ফেলার জন্য উপজেলায় উপযুক্ত জমির সংকট রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপযুক্ত ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

এ ছাড়া হাসপাতালের বিকল যানবাহনগুলো কন্ডেমনেশন প্রক্রিয়ায় নেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন তিনি। অ্যাম্বুলেন্স সংকটের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা আধুনিকায়নের উদ্যোগ

স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নিয়েছে। মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবার মান আগের তুলনায় ভালো মনে হলেও কিছু অনিয়ম তাঁর নজরে এসেছে। এসব বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা সম্প্রসারণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে মুরাদনগরের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজ, মানসম্মত ও কার্যকর করার আশ্বাস দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।