ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাগৃকে লটারির আড়ালে বদলি বাণিজ্য: অভিযোগের কাঠগড়ায় পরিচালক ফকির মুনওয়ার হোসেন অপুর ‘প্রিয় বন্ধু’কে ঘিরে নেটিজেনদের কৌতূহল প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে হুথিদের হামলা, উত্তেজনা তুঙ্গে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে অধ্যাদেশ জারি এশীয় সহযোগিতা জোরদারে সিকা সম্মেলনে বাংলাদেশের তিন প্রস্তাব পূজা এলে নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হবে না, এমন বাংলাদেশ চাই: নাহিদ ইসলাম এলাচ মজুত, জিরায় মেয়াদের তথ্য নেই: চট্টগ্রামে জরিমানা ১ লাখ ৫ হাজার টাকা গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্বে আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক বামনায় মাদক-জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স স্কুলে মারামারি করা স্বামী-স্ত্রী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা, বদলির সুপারিশ

কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে। কৃষিতে ভর্তুকি দিতে হবে। যদিও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ভর্তুকি দিতে বাধা দেয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আয়োজনে কৃষি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যেসব খাতে ঘাটতি আছে, গবেষণার মাধ্যমে তা সমাধান করা প্রয়োজন। উৎপাদনের পর কৃষক দাম পান না, আবার কৃষক যখন ফসল ফলান, তখন বাড়তি দামে বীজ কিনতে হয়।

তিনি বলেন, ফল ও সবজি দীর্ঘদিন মজুত রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা প্রয়োজন। এজন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষি এখন লাভজনক নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জীবনযাপনের ব্যয় মেটানোর সংস্থান না থাকায় মাঠে এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। কৃষি এখন লাভজনক নয় বলেই অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ চাষে বিপ্লব হয়েছে, এখন আর আমদানি করতে হয় না। ফলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও এর প্রক্রিয়া সুখকর নয়। জমিতে সার ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের সচেতনতা তৈরি করতে হবে। জমিতে সার ব্যবহারে উর্বরতা কমে যায়।

কৃষি বিজ্ঞানীদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। আইন পরিবর্তন করে হলেও কৃষি বিজ্ঞানীদের পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি সব প্রতিষ্ঠানে ছেয়ে গেছে। এখন সুযোগ এসেছে সেখান থেকে বের হয়ে আসার। সবাই একটু ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলে সফলতা আসবে।

এই মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের বর্তমান কৃষির নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিষয় উঠে আসে। বক্তারা বলেন, কৃষিতে উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন রপ্তানির দিকে নজর দিতে হবে। শুধু বাংলাদেশিদের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের কাছেও পণ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

পাশাপাশি পরিবেশের কথা মাথায় রেখে কীটনাশক আরও উন্নত করার জন্য গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাগৃকে লটারির আড়ালে বদলি বাণিজ্য: অভিযোগের কাঠগড়ায় পরিচালক ফকির মুনওয়ার হোসেন

কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৪:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে। কৃষিতে ভর্তুকি দিতে হবে। যদিও বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ভর্তুকি দিতে বাধা দেয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আয়োজনে কৃষি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যেসব খাতে ঘাটতি আছে, গবেষণার মাধ্যমে তা সমাধান করা প্রয়োজন। উৎপাদনের পর কৃষক দাম পান না, আবার কৃষক যখন ফসল ফলান, তখন বাড়তি দামে বীজ কিনতে হয়।

তিনি বলেন, ফল ও সবজি দীর্ঘদিন মজুত রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা প্রয়োজন। এজন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।

কৃষি এখন লাভজনক নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জীবনযাপনের ব্যয় মেটানোর সংস্থান না থাকায় মাঠে এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। কৃষি এখন লাভজনক নয় বলেই অনেকেই পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে, কৃষকদের সাহায্য করতে হবে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ চাষে বিপ্লব হয়েছে, এখন আর আমদানি করতে হয় না। ফলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও এর প্রক্রিয়া সুখকর নয়। জমিতে সার ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের সচেতনতা তৈরি করতে হবে। জমিতে সার ব্যবহারে উর্বরতা কমে যায়।

কৃষি বিজ্ঞানীদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। আইন পরিবর্তন করে হলেও কৃষি বিজ্ঞানীদের পেনশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি সব প্রতিষ্ঠানে ছেয়ে গেছে। এখন সুযোগ এসেছে সেখান থেকে বের হয়ে আসার। সবাই একটু ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলে সফলতা আসবে।

এই মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের বর্তমান কৃষির নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার বিষয় উঠে আসে। বক্তারা বলেন, কৃষিতে উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন রপ্তানির দিকে নজর দিতে হবে। শুধু বাংলাদেশিদের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষের কাছেও পণ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

পাশাপাশি পরিবেশের কথা মাথায় রেখে কীটনাশক আরও উন্নত করার জন্য গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।