ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠীতে নবগঠিত যুব রেডক্রিসেন্ট কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময় নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কে দুটি পুলিশ চেকপোস্টের কার্যক্রম উদ্বোধন বৃদ্ধাকে মারধর, ঘর ভাঙচুর ও টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ কালিহাতীতে ছিনতাইকারীদের হামলায় ট্রাকচালক নিহত, আটক ১ শাহজালালে পৃথক অভিযানে ১৩.৮৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার ‘তথ্য দিন, অপরাধ দমনে ব্যবস্থা নেব’-তারাগঞ্জের নবাগত ওসি ইজার উদ্দিন কলাগাছিয়ায় মহিষ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ শিবগঞ্জ সীমান্তে ৪০ ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ যুবক আটক কর্মসংস্থান প্রকল্পে ৩ হাজার কোটি টাকা লুটের অভিযোগ, তালিকায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পতেঙ্গা সৈকতে পার্কিংয়ের নামে চাঁদাবাজি, বিএনপি নেতা ও টিআই সেলিমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কলাগাছিয়ায় মহিষ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হয়রানি, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। একটি চোরাই মহিষ আটককে কেন্দ্র করে কৃত্রিম ‘মব’ সৃষ্টি করে উল্টো সাংবাদিকদের ওই ঘটনায় জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সংবাদকর্মী ও সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা।

ঘটনার বিবরণ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, কলাগাছিয়া ইউনিয়নে একটি চোরাই মহিষ আটক এবং এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। সেখানে উপস্থিত যুবকদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা জহির, আরিফ ও সাদ্দামসহ তাদের সহযোগীরা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সেখানে যাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের কথা জানান। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদল নেতা জহির ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মহিষ চুরির অভিযোগ তুলতে শুরু করেন। পাশাপাশি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অভিযোগ তুলে একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে স্থানীয় কোনো বয়স্ক ব্যক্তি বা উপস্থিত জনতা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না তুললেও ছাত্রদল নেতা জহির ও তার সহযোগীরা পুলিশকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের দায়ী করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলে পুলিশ দুজন সাংবাদিককে থানায় নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, যাঁর কাছ থেকে মহিষটি উদ্ধার করা হয়েছিল, তিনি প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্যে ওই সাংবাদিকেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং তারা এ বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো ভিডিও ফুটেজ, অডিও রেকর্ড বা দাপ্তরিক প্রমাণ দেখানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, মূল ঘটনা আড়াল করতে এবং নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ছাত্রদল নেতা জহির সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সাংবাদিকদের হয়রানি এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের ফাঁসানোর অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝালকাঠীতে নবগঠিত যুব রেডক্রিসেন্ট কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

কলাগাছিয়ায় মহিষ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:২৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হয়রানি, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। একটি চোরাই মহিষ আটককে কেন্দ্র করে কৃত্রিম ‘মব’ সৃষ্টি করে উল্টো সাংবাদিকদের ওই ঘটনায় জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সংবাদকর্মী ও সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা।

ঘটনার বিবরণ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, কলাগাছিয়া ইউনিয়নে একটি চোরাই মহিষ আটক এবং এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির খবর পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। সেখানে উপস্থিত যুবকদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা জহির, আরিফ ও সাদ্দামসহ তাদের সহযোগীরা সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের সেখানে যাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের কথা জানান। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদল নেতা জহির ও তার সহযোগীরা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মহিষ চুরির অভিযোগ তুলতে শুরু করেন। পাশাপাশি বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর অভিযোগ তুলে একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে স্থানীয় কোনো বয়স্ক ব্যক্তি বা উপস্থিত জনতা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ না তুললেও ছাত্রদল নেতা জহির ও তার সহযোগীরা পুলিশকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের দায়ী করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলে পুলিশ দুজন সাংবাদিককে থানায় নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, যাঁর কাছ থেকে মহিষটি উদ্ধার করা হয়েছিল, তিনি প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্যে ওই সাংবাদিকেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং তারা এ বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো ভিডিও ফুটেজ, অডিও রেকর্ড বা দাপ্তরিক প্রমাণ দেখানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, মূল ঘটনা আড়াল করতে এবং নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ছাত্রদল নেতা জহির সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সাংবাদিকদের হয়রানি এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের ফাঁসানোর অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।