ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নওগাঁর ধামইরহাটে ধর্মান্তরিত হয়ে একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম গ্রহণ রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনায় সরকারকে জামায়াত আমিরের বার্তা ট্রাম্পের নীতিতে ক্ষুব্ধ ভারত, এবার প্রকাশ্যেই জবাব নয়াদিল্লির ভেড়ামারায় জ্যেষ্ঠ নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালিত আত্রাইয়ে পিপিআর রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন নবীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব নিশ্চিতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে ইউএনও সুলতানা জেরিন তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ উপলক্ষে নওগাঁয় আইনজীবীদের আনন্দ মিছিল শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ফেনী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নজরুলকে পদত্যাগে বাধ্য করলে মরিয়মের দুনিয়া ছাড়তে হতো না : রাশেদ খাঁন

৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, পিডি নজরুল ইসলামকে চুয়াডাঙ্গায় বদলি

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলামকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে। পরিষদের একটি সূত্রের দাবি, মন্ত্রণালয়ে তদবির করে তিনিই এই বদলি আদেশ জারি করিয়েছেন।

গতকাল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি প্রকাশ পায়।

এর আগে, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বাস্তবায়নাধীন প্রায় ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। প্রকল্পের কাজ কাগজে-কলমে শতভাগ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দের পুরো অর্থ উত্তোলন করা হলেও মাঠপর্যায়ে প্রকল্পের অধিকাংশ কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলাম। প্রকৌশলী না হয়েও উক্ত প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁকে নিয়ে বান্দরবানে নানা সমালোচনা চলছে। উক্ত প্রকল্পের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উক্ত প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর গত ২০ সেপ্টেম্বর বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অভিযানে প্রকল্পের বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রকল্পে অনিয়মের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। দুদক সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চলছে।

এসবের মধ্যেই তড়িঘড়ি করে বান্দরবান ছাড়ছেন প্রকল্পের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম। জেলা পরিষদের একটি সূত্র দাবি করেছে, “দুদকের নজর এড়াতে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তড়িঘড়ি করে নিজের বদলি আদেশ জারি করান তিনি।”

এদিকে, ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান ও নথিপত্র জব্দের পর প্রকল্প পরিচালকের বদলির ঘটনায় বান্দরবানে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁর ধামইরহাটে ধর্মান্তরিত হয়ে একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম গ্রহণ

৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, পিডি নজরুল ইসলামকে চুয়াডাঙ্গায় বদলি

আপডেট সময় ১২:৩৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলামকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে। পরিষদের একটি সূত্রের দাবি, মন্ত্রণালয়ে তদবির করে তিনিই এই বদলি আদেশ জারি করিয়েছেন।

গতকাল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আল-বশিরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি প্রকাশ পায়।

এর আগে, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বাস্তবায়নাধীন প্রায় ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। প্রকল্পের কাজ কাগজে-কলমে শতভাগ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দের পুরো অর্থ উত্তোলন করা হলেও মাঠপর্যায়ে প্রকল্পের অধিকাংশ কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলাম। প্রকৌশলী না হয়েও উক্ত প্রকল্পের পরিচালকের দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁকে নিয়ে বান্দরবানে নানা সমালোচনা চলছে। উক্ত প্রকল্পের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উক্ত প্রকল্প নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর গত ২০ সেপ্টেম্বর বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অভিযানে প্রকল্পের বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রকল্পে অনিয়মের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। দুদক সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চলছে।

এসবের মধ্যেই তড়িঘড়ি করে বান্দরবান ছাড়ছেন প্রকল্পের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম। জেলা পরিষদের একটি সূত্র দাবি করেছে, “দুদকের নজর এড়াতে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তড়িঘড়ি করে নিজের বদলি আদেশ জারি করান তিনি।”

এদিকে, ৪৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান ও নথিপত্র জব্দের পর প্রকল্প পরিচালকের বদলির ঘটনায় বান্দরবানে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।