ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন বিকল, ভোগান্তিতে রোগীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ চাহিদার তুলনায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার টন বেশি সার মজুত সেরা ক্রীড়াবিদ পুরস্কার পেলেন এশিয়ান টিভির বাতেন বিপ্লব স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত নয়: ইসি আনোয়ারুল টানা পাঁচ দিন সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির আভাস শহীদ ২ সেনা সদস্যের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা বাড়তি দামে কেক-পাউরুটি, কমছে আকার-ওজন রাষ্ট্রপতি হয়ে প্রথমবার পুণ্যভূমি সিলেটে মির্জা ফখরুল ইসলাম

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন বিকল, ভোগান্তিতে রোগীরা

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি বছরের পর বছর ধরে অকেজো থাকায় এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। আর মেশিন রুমটি এখন দখলে নিয়েছে বেলজিয়ামভিত্তিক এনজিও ডেমিয়েন ফাউন্ডেশন—যারা কুষ্ঠ ও যক্ষ্মা নির্মূলে কাজ করে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এক্স-রে মেশিনের দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। পাশাপাশি এক্স-রে মেশিনটি বছরের পর বছর ধরে অকেজো হয়ে আছে। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা এক্স-রে করতে পারছেন না এবং বাধ্য হয়ে বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে তাঁদের।

গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে শতাধিক রোগী ভিড় করে আছেন। তাঁদের অনেককেই অন্যান্য পরীক্ষার সঙ্গে এক্স-রে করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

পুরুড়া গ্রাম থেকে আসা রোগী মানিক মিয়া বলেন, ‘মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালের বাইরে থেকে আমার হাতের এক্স-রে করাইতে হইছে। এতে ৪০০ টাকা লাগছে। হাসপাতালে এক্স-রেটা করাইতে পারলে অনেক কম টাকা লাগতো।’

জাওয়ার গ্রামের বাসিন্দা রুশিয়া বেগম বলেন, ‘বুকের এক্স-রে করান লাগছে। হাসপাতালে এক্স-রে অয় না। হের লাগি ৪০০ টেকা দিয়া বাইরে থেইক্কা করান লাগছে। ফের বাড়ি গিয়া টেকা জোগাড় কইরা আইনা কাম সারা লাগছে।’

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতীশ দাস রাজিবের কাছ থেকে এ বিষয়ে জানার জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাঁকে না পেয়ে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর (০১৩০৪৫১৬৬৮০) ও হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিন বিকল, ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট সময় ১২:৫৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি বছরের পর বছর ধরে অকেজো থাকায় এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। আর মেশিন রুমটি এখন দখলে নিয়েছে বেলজিয়ামভিত্তিক এনজিও ডেমিয়েন ফাউন্ডেশন—যারা কুষ্ঠ ও যক্ষ্মা নির্মূলে কাজ করে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এক্স-রে মেশিনের দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। পাশাপাশি এক্স-রে মেশিনটি বছরের পর বছর ধরে অকেজো হয়ে আছে। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা এক্স-রে করতে পারছেন না এবং বাধ্য হয়ে বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে তাঁদের।

গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে শতাধিক রোগী ভিড় করে আছেন। তাঁদের অনেককেই অন্যান্য পরীক্ষার সঙ্গে এক্স-রে করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

পুরুড়া গ্রাম থেকে আসা রোগী মানিক মিয়া বলেন, ‘মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালের বাইরে থেকে আমার হাতের এক্স-রে করাইতে হইছে। এতে ৪০০ টাকা লাগছে। হাসপাতালে এক্স-রেটা করাইতে পারলে অনেক কম টাকা লাগতো।’

জাওয়ার গ্রামের বাসিন্দা রুশিয়া বেগম বলেন, ‘বুকের এক্স-রে করান লাগছে। হাসপাতালে এক্স-রে অয় না। হের লাগি ৪০০ টেকা দিয়া বাইরে থেইক্কা করান লাগছে। ফের বাড়ি গিয়া টেকা জোগাড় কইরা আইনা কাম সারা লাগছে।’

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতীশ দাস রাজিবের কাছ থেকে এ বিষয়ে জানার জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাঁকে না পেয়ে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর (০১৩০৪৫১৬৬৮০) ও হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।