রোববার রাতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজি আক্তার তাকে বরখাস্ত করেন। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।এর আগে রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ প্রদানের অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়ে ৭ মাস কারাগারে ছিলেন প্রতারক ওই কর্মকর্তা। এদিকে তাকে বরখাস্তের খবরে এলাকায় স্বস্তি বিরাজ করছে।
জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, মুরাদনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্মসনদ প্রদানের বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
গত ১২ আগস্ট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদনে মো. ইসমাইল হোসেনের সংশ্লিষ্টতা সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তার এ কর্মকাণ্ড স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের সামিল হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধিমোতাবেক খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন এবং এই বরখাস্তের আদেশ তার চাকরি বহিতে লিপিবদ্ধ করা হবে।
উল্লেখ্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন রোহিঙ্গা নাগরিকদের জন্ম সনদ প্রদান, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিকদের জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদসহ নানা সেবামূলক কর্মকাণ্ডে জনসাধারণকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে আসছিলেন। এলাকার লোকজন তার কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ ছিলেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য ইসমাইল হোসেনকে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
মোঃ জাহিদুল ইসলাম মুরাদনগর কুমিল্লা প্রতিনিধি 






















