কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন এলাকার আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ারের ভবন ব্যবস্থাপনা, পার্কিং ও মালিকানা নিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট সোয়েবুর রহমান সোয়েব।
এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে তিনি মূল ভূমি মালিক পরিবারের পক্ষে দাবি করেন, প্রকাশিত সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগগুলো একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর ও প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট দলিলপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি বলেন, ভবনের মালিকানা, বেইজমেন্টের পার্কিং, ছাদ, কমন স্পেসসহ বিভিন্ন বিষয়ে কার কী অধিকার রয়েছে, তা সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে নয়; বরং ভূমি মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে সম্পাদিত নিবন্ধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্র, সংশ্লিষ্ট দলিল ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
অ্যাডভোকেট সোয়েবুর রহমান আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন, বহিরাগতদের আনাগোনা, নারীদের উত্ত্যক্ত ও অশালীন আচরণসহ যে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার দাবি, ভবনে মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অবগত হওয়ার পর তিনি নিরাপত্তার জন্য ভবনের সামনে দুটি আইপি ক্যামেরা স্থাপন করেন। ক্যামেরায় ধারণ করা একটি ভিডিও প্রকাশের পর তাকে লক্ষ্য করে পাল্টা অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তারিখ, সময়, স্থান, প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রমাণসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করা হোক।”
ভবনের সিঁড়ি বা প্রবেশপথ বন্ধ এবং বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। তার দাবি, ভবনের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনে নেওয়া পদক্ষেপকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
এদিকে প্রকাশিত সংবাদে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে দাবি করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানহানিসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গণমাধ্যমের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে অ্যাডভোকেট সোয়েবুর রহমান বলেন, ভবনসংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে মূল ভূমি মালিক, ডেভেলপার ও সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাট মালিকদের বক্তব্য এবং দলিলপত্র যাচাই করা উচিত। তিনি বলেন, “অভিযোগ নয়—প্রমাণ দিন। বক্তব্য নয়—দলিল দেখান। বিরোধ নয়—আইনের আশ্রয় নিন।
আব্দুর রহমান সাঈফ, কুমিল্লা 























