ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, আমি একজন রাষ্ট্রদূত। ইন্টারনাল পলিটিক্স নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমাদের বলা উচিতও না। কেননা যা দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, দেশের ইলেক্টেড গভর্মেন্ট উইথ মেজরিটি ভালো বুঝবে যে তাদের লোকেদের জন্য কি ভালো। ওটাই সত্যি কথা।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের হাইকমিশনার একথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমরা চাই পিপল টু পিপল রিলেশনশিপ সবসময় থাকুক। আমি না থাকলেও অন্য কেউ আমার জায়গায় থাকলে-একই জিনিস থাকবে। আপনারও যিনি প্রতিনিধি দিল্লিতে আছেন— তিনিও একটাই কথা চান যে, পিপল টু পিপল কীভাবে আমরা যুক্ত থাকি। আল্টিমেটলি আমরা যা ডিসিশন নিই তার ইফেক্টও পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। সাধারণ মানুষের যা কিছু ভালো হয়, ওটা আমাদের দায়িত্ব, ইটস আওয়ার রেসপন্সিবিলিটি যে আমরা যা ডিসিশন নিই…। আর আমরা তো সবসময় বলি— আমরা একটা ড্রিম শেয়ার করি, স্বপ্ন শেয়ার করি। বর্ডার শেয়ার করি— এজন্য আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। প্রতিবেশি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আর এই প্রতিবেশি হিসেবে আমি সবসময় বলি ‘উই আর ইকুয়াল’ নোবডি বিগ নোবডি স্মল।”
ভারতের হাইকমিশনার আরও বলেন, “আমি অনেক কিছু এখানে এসে শিখছি। মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আমি ছিলাম অল্প ৩০ মিনিট বোধহয়। আর এই ৩০ মিনিট আমরা অনেক শিখেছি। আর চ্যালেঞ্জেস থাকবে। আমাকে, আমাদের এপ্রিশিয়েট করতে হবে যে বাংলাদেশের কী ডেমোক্রেটিক চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশকেও এপ্রিশিয়েট করতে হবে যে, ইন্ডিয়ার কী চ্যালেঞ্জ। ওই চ্যালেঞ্জ আমাদের মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে। কেননা যদি অতীতে আমরা আটকে যাই… অতীত আমরা ভুলতে পারি না। কিন্তু আটকে যাওয়ারতো কোনও জায়গা নাই। কেননা আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না। আর এটাও আজকে কথা হলো-ফ্রি ট্রেড। কীভাবে আমরা দু’দেশে ফ্রি ট্রেড করতে পারি। ডিপেন্ডেন্সি কিংবা ইন্টারডিপেন্ডেন্সি ফ্রি ট্রেড নিয়েও কথা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















