ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উত্তর হাওলা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ অফিসে বসে বস্তা ভরে টাকা নেন প্রকৌশলী হাসান শওকত বিপিসির কর্মকর্তা এটিএম সেলিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিএমইটি ঘিরে একচেটিয়া প্রভাবের অভিযোগ ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ডলার কারসাজিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুমন ডিএই’তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত আরিফুরের পুনর্বহালের তদবির সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম : রিজভী নীলকুঞ্জ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ ও একজন সংবাদকর্মীর জাতীয় সম্মান প্রাপ্তি
কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক তথা ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আলমগীর ইকবাল- দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছেন মর্মে দুদকে অভিযোগ জমা পড়েছে। সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবি এই অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবী করেছেন যে,
লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (লীরা পাইপ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়মিত আয়কর ও ভ্যাট ফাঁকি প্রদান করে আসছেন। আয়কর ও ভ্যাট অফিসে তথ্যবিহীন অডিট রিপোর্ট দাখিল করে ছলচাতুরী করে চলছেন। আয়কর এবং ভ্যাট অফিসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন, তদন্ত হলে সঠিক তথ্যাদি উদ্ঘাটিত হবে।

তিনি আরো জানান, সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এই ফাঁকিবাজ চতুর ব্যক্তি- কে. এম. আলমগীর ইকবাল- তার দু’টি প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করে চলছে নিয়মিত টিডিএস প্রদান করেন না, কোম্পানীর অডিট রির্পোট যাচাই করলেই সকল রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।

এছাড়া গুলশানে তার নিজস্ব বাড়ী, সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাড়া পেয়ে থাকেন, কিন্তু তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে তা দেখান না; ২টি দামী জীপ গাড়ী ব্যবহার করেন, যার মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। তিনি (কে এম আলমগীর ইকবাল) একজন ভদ্রবেশি কর ফাঁকিবাজ সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

আরো অভিযোগ হলো-বিগত সরকারের সময় অত্যন্ত চতুরতার সাথে ক্লাবের এ সিসিএিল পরিচয়ে ফায়দা লুঠেছেন, ক্লাবের নামে ভূয়া তথ্য দিয়ে মদ আমদানী করে দুর্নীতি করে চলছেন। ফ্যাসিবাদ সরকারের একজন দোষর হয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের উচুস্তরের ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে ফায়দা লুটার নজির রয়েছে।

বর্ণিত বিষয়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাষ্ট্রের রাজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করতঃ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তর হাওলা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ

কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক তথা ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আলমগীর ইকবাল- দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছেন মর্মে দুদকে অভিযোগ জমা পড়েছে। সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবি এই অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবী করেছেন যে,
লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (লীরা পাইপ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়মিত আয়কর ও ভ্যাট ফাঁকি প্রদান করে আসছেন। আয়কর ও ভ্যাট অফিসে তথ্যবিহীন অডিট রিপোর্ট দাখিল করে ছলচাতুরী করে চলছেন। আয়কর এবং ভ্যাট অফিসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন, তদন্ত হলে সঠিক তথ্যাদি উদ্ঘাটিত হবে।

তিনি আরো জানান, সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এই ফাঁকিবাজ চতুর ব্যক্তি- কে. এম. আলমগীর ইকবাল- তার দু’টি প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করে চলছে নিয়মিত টিডিএস প্রদান করেন না, কোম্পানীর অডিট রির্পোট যাচাই করলেই সকল রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।

এছাড়া গুলশানে তার নিজস্ব বাড়ী, সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাড়া পেয়ে থাকেন, কিন্তু তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে তা দেখান না; ২টি দামী জীপ গাড়ী ব্যবহার করেন, যার মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। তিনি (কে এম আলমগীর ইকবাল) একজন ভদ্রবেশি কর ফাঁকিবাজ সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

আরো অভিযোগ হলো-বিগত সরকারের সময় অত্যন্ত চতুরতার সাথে ক্লাবের এ সিসিএিল পরিচয়ে ফায়দা লুঠেছেন, ক্লাবের নামে ভূয়া তথ্য দিয়ে মদ আমদানী করে দুর্নীতি করে চলছেন। ফ্যাসিবাদ সরকারের একজন দোষর হয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের উচুস্তরের ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে ফায়দা লুটার নজির রয়েছে।

বর্ণিত বিষয়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাষ্ট্রের রাজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করতঃ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।