ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ডলার কারসাজিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুমন ডিএই’তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত আরিফুরের পুনর্বহালের তদবির সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম : রিজভী নীলকুঞ্জ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ ও একজন সংবাদকর্মীর জাতীয় সম্মান প্রাপ্তি পিপিআর বিধিমালা ভেঙে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কামরুল- ফিরাদুলের পৌনে ৭ কোটি টাকা দুর্নীতি দুখু মিয়ার ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের শ্রদ্ধাঞ্জলি সৌদি থেকে আত্রাইয়ের সাতজনের মরদেহ দেশে আসছে আজ কুমিল্লায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার নওগাঁর ধামইরহাটে ১ হাজার ৫৮০পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার

ডিএই’তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১২:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০২ বার পড়া হয়েছে

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে (ডিএই) প্রধান সহকারী মো. নাসির উদ্দীনের খামারবাড়িতে বদলি ঘিরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নানা আলোচনা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে ঘুষ, নিয়োগ ও বদলি-বাণিজ্য, টেন্ডার-সংক্রান্ত অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন, চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ডিএইর প্রশাসন শাখার কিছু অসাধু কর্মকর্তা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে তৎপর হয়ে উঠেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার দাপট ব্যবহার করে নাসির উদ্দীন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলেন। বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের প্রধান সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ, নিয়োগ, বদলি ও টেন্ডার-বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আরও জানা যায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নাসির উদ্দীন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, নাসির উদ্দীন বর্তমানে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগরের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সেখানে প্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার পর ডিএইর প্রশাসন শাখার কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় গত ১৩ জুলাই মহাপরিচালক আব্দুর রহিমের স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে তাকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয়ে প্রধান সহকারী হিসেবে বদলি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এ বদলির পর থেকেই ডিএইতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে নাসির উদ্দীন ডিএইতে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নাসির উদ্দীন ডিএইতে গার্ড হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন। পরে ডিএইর সাবেক এক কর্মকর্তার সহায়তায় চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে ধারাবাহিকভাবে পদোন্নতি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এরপর থেকে তিনি আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

আরও জানা যায় নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। ওই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলি-বাণিজ্য ও নিয়োগ-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি রাতারাতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করেছেন।

একাধিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না শর্তে জানান, বর্তমানে নাসির উদ্দীন রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের নিয়ে আবারও সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন শাখায় কর্মরত থাকার সময় তিনি ঘুষ-বাণিজ্য চালিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও তাকে পুনর্বাসনের জন্য ডিএইর কিছু অসাধু কর্মকর্তা তৎপর রয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের পর এর আগে তাকে ফরিদপুর জেলা উপপরিচালকের কার্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে বদলি করা হয়েছিল। সেখানে বেশি সুবিধা করতে না পেরে পরে তিনি সাভারে বদলি হয়ে আসেন। সেখানেও আর্থিক দুর্নীতির সুযোগ না পাওয়ার পর প্রভাব খাটিয়ে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বদলি হয়ে আসেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নাসির উদ্দীনের জীবনযাপন নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তিনি ডিএইর ১৩তম গ্রেডের কর্মকর্তা হলেও দামি গাড়িতে চলাফেরা করেন এবং তার চালচলন দেখে বড় কর্মকর্তা মনে হয়—এমন মন্তব্য করেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, নাসির উদ্দীন যখন যে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানেই তার নেতৃত্বে ঘুষ-বাণিজ্য চলেছে।

এ ছাড়া দাপ্তরিক দুর্নীতির রেকর্ডে কারচুপি করে তিনি খামারবাড়িতে প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। খামারবাড়িতে ডিএইর ক্যান্টিন দখলেরও চেষ্টা করছেন ।
অন্যদিকে, নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার বদলির আদেশ বাতিল করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ডিএইর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা ফিরবে।

নাসির উদ্দীন সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। পাশাপাশি তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামেও বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ডলার কারসাজিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুমন

ডিএই’তে প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনের বদলি ঘিরে উত্তেজনা, নানা অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৩০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে (ডিএই) প্রধান সহকারী মো. নাসির উদ্দীনের খামারবাড়িতে বদলি ঘিরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নানা আলোচনা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে ঘুষ, নিয়োগ ও বদলি-বাণিজ্য, টেন্ডার-সংক্রান্ত অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন, চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ডিএইর প্রশাসন শাখার কিছু অসাধু কর্মকর্তা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে তৎপর হয়ে উঠেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার দাপট ব্যবহার করে নাসির উদ্দীন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলেন। বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের প্রধান সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ, নিয়োগ, বদলি ও টেন্ডার-বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আরও জানা যায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নাসির উদ্দীন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, নাসির উদ্দীন বর্তমানে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগরের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সেখানে প্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ার পর ডিএইর প্রশাসন শাখার কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় গত ১৩ জুলাই মহাপরিচালক আব্দুর রহিমের স্বাক্ষরিত একটি পত্রের মাধ্যমে তাকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয়ে প্রধান সহকারী হিসেবে বদলি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এ বদলির পর থেকেই ডিএইতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে নাসির উদ্দীন ডিএইতে প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নাসির উদ্দীন ডিএইতে গার্ড হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন। পরে ডিএইর সাবেক এক কর্মকর্তার সহায়তায় চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে ধারাবাহিকভাবে পদোন্নতি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এরপর থেকে তিনি আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

আরও জানা যায় নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। ওই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলি-বাণিজ্য ও নিয়োগ-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি রাতারাতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করেছেন।

একাধিক কর্মচারী নাম প্রকাশ না শর্তে জানান, বর্তমানে নাসির উদ্দীন রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের নিয়ে আবারও সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন শাখায় কর্মরত থাকার সময় তিনি ঘুষ-বাণিজ্য চালিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও তাকে পুনর্বাসনের জন্য ডিএইর কিছু অসাধু কর্মকর্তা তৎপর রয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের পর এর আগে তাকে ফরিদপুর জেলা উপপরিচালকের কার্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে বদলি করা হয়েছিল। সেখানে বেশি সুবিধা করতে না পেরে পরে তিনি সাভারে বদলি হয়ে আসেন। সেখানেও আর্থিক দুর্নীতির সুযোগ না পাওয়ার পর প্রভাব খাটিয়ে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বদলি হয়ে আসেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নাসির উদ্দীনের জীবনযাপন নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তিনি ডিএইর ১৩তম গ্রেডের কর্মকর্তা হলেও দামি গাড়িতে চলাফেরা করেন এবং তার চালচলন দেখে বড় কর্মকর্তা মনে হয়—এমন মন্তব্য করেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, নাসির উদ্দীন যখন যে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানেই তার নেতৃত্বে ঘুষ-বাণিজ্য চলেছে।

এ ছাড়া দাপ্তরিক দুর্নীতির রেকর্ডে কারচুপি করে তিনি খামারবাড়িতে প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। খামারবাড়িতে ডিএইর ক্যান্টিন দখলেরও চেষ্টা করছেন ।
অন্যদিকে, নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার বদলির আদেশ বাতিল করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ডিএইর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা ফিরবে।

নাসির উদ্দীন সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। পাশাপাশি তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামেও বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।