সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তা হয়ে উঠতে পারে সমাজের অবহেলিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার এরই এক উজ্জ্বল বাস্তব প্রমাণ রেখেছেন সম্প্রতি জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত সাংবাদিক আল মিজান। তিস্তা নদীর করাল গ্রাস ও চরম অবহেলায় জীবনযাপন করা অবহেলিত মানুষদের বাস্তব চিত্র নিয়ে কিছুদিন আগে তিনি একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
প্রতিবেদনটিতে তিস্তা পাড়ের মানুষের দৈনন্দিন দুর্দশা, অভাব-অনটন এবং জীবনসংগ্রামের করুন চিত্র অত্যন্ত নিখুঁত ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরা হয়। সংবেদনশীল এই নিউজটি প্রকাশের পরপরই তা বিভিন্ন মহলে ব্যাপক নাড়া দেয় এবং সুশীল সমাজ ও সেবামূলক সংগঠনগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
এই নিউজের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়ে নীলফামারীর মানবিক সংগঠন ‘নীলকুঞ্জ ফাউন্ডেশন’ দ্রুত তিস্তা পাড়ের সেই দুস্থ মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ায়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে সেখানে পৌঁছানো হয় জরুরি ত্রাণ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা। নীলকুঞ্জ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যাগের পর আরও কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক ফাউন্ডেশন সেখানে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়, যা তিস্তা পাড়ের অসহায় মানুষের সাময়িক সংকট নিরসনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
একটি সঠিক ও সময়োপযোগী নিউজের কারণে যেভাবে সমাজের অসহায় মানুষগুলো সহায়তা পেল এবং সুশীল সমাজ একাট্টা হলো, তা সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্যকেই সফল করেছে। তৃণমূলের এই মানবিক সংকট তুলে ধরা এবং সাধারণ মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার স্বীকৃতি হিসেবেই পরবর্তীতে তাঁকে জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
প্রতিবেদকের এই সততা, সাহসিকতা ও মানবসেবামূলক সাংবাদিকতা আজ দেশের উদীয়মান তরুণ সাংবাদিকদের জন্য এক অনুকরণীয় বার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সংবাদ শিরোনাম ::
নীলকুঞ্জ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ ও একজন সংবাদকর্মীর জাতীয় সম্মান প্রাপ্তি
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - আপডেট সময় ১২:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
- ৫০৫ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ




















