ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে অকৃতকার্য, মাগুরায় দুই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা মিঠাপুকুরের নানকর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ধ্বংস ২০টি বোমা মেশিন ভুয়া দলিলে ১২ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ আ. লীগ দোসর এপিপি শাহানা সুলতানার বিরুদ্ধে এমডি শওগাতুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন বরগুনায় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার বাক্কো নির্বাচনে সভাপতি ফয়সল আলিম, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন ময়মনসিংহে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা (এইচএসসি) ২০২৬-এর ফলাফল ঘোষণা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ ও হাম-ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ
কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক তথা ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আলমগীর ইকবাল- দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছেন মর্মে দুদকে অভিযোগ জমা পড়েছে। সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবি এই অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবী করেছেন যে,
লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (লীরা পাইপ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়মিত আয়কর ও ভ্যাট ফাঁকি প্রদান করে আসছেন। আয়কর ও ভ্যাট অফিসে তথ্যবিহীন অডিট রিপোর্ট দাখিল করে ছলচাতুরী করে চলছেন। আয়কর এবং ভ্যাট অফিসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন, তদন্ত হলে সঠিক তথ্যাদি উদ্ঘাটিত হবে।

তিনি আরো জানান, সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এই ফাঁকিবাজ চতুর ব্যক্তি- কে. এম. আলমগীর ইকবাল- তার দু’টি প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করে চলছে নিয়মিত টিডিএস প্রদান করেন না, কোম্পানীর অডিট রির্পোট যাচাই করলেই সকল রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।

এছাড়া গুলশানে তার নিজস্ব বাড়ী, সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাড়া পেয়ে থাকেন, কিন্তু তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে তা দেখান না; ২টি দামী জীপ গাড়ী ব্যবহার করেন, যার মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। তিনি (কে এম আলমগীর ইকবাল) একজন ভদ্রবেশি কর ফাঁকিবাজ সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

আরো অভিযোগ হলো-বিগত সরকারের সময় অত্যন্ত চতুরতার সাথে ক্লাবের এ সিসিএিল পরিচয়ে ফায়দা লুঠেছেন, ক্লাবের নামে ভূয়া তথ্য দিয়ে মদ আমদানী করে দুর্নীতি করে চলছেন। ফ্যাসিবাদ সরকারের একজন দোষর হয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের উচুস্তরের ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে ফায়দা লুটার নজির রয়েছে।

বর্ণিত বিষয়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাষ্ট্রের রাজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করতঃ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী

কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

লীরা গ্রুপের এমডি আলমগীর ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক তথা ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আলমগীর ইকবাল- দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছেন মর্মে দুদকে অভিযোগ জমা পড়েছে। সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবি এই অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবী করেছেন যে,
লীরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (লীরা পাইপ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়মিত আয়কর ও ভ্যাট ফাঁকি প্রদান করে আসছেন। আয়কর ও ভ্যাট অফিসে তথ্যবিহীন অডিট রিপোর্ট দাখিল করে ছলচাতুরী করে চলছেন। আয়কর এবং ভ্যাট অফিসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন, তদন্ত হলে সঠিক তথ্যাদি উদ্ঘাটিত হবে।

তিনি আরো জানান, সম্রাট প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এই ফাঁকিবাজ চতুর ব্যক্তি- কে. এম. আলমগীর ইকবাল- তার দু’টি প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করে চলছে নিয়মিত টিডিএস প্রদান করেন না, কোম্পানীর অডিট রির্পোট যাচাই করলেই সকল রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।

এছাড়া গুলশানে তার নিজস্ব বাড়ী, সেখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাড়া পেয়ে থাকেন, কিন্তু তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে তা দেখান না; ২টি দামী জীপ গাড়ী ব্যবহার করেন, যার মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। তিনি (কে এম আলমগীর ইকবাল) একজন ভদ্রবেশি কর ফাঁকিবাজ সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

আরো অভিযোগ হলো-বিগত সরকারের সময় অত্যন্ত চতুরতার সাথে ক্লাবের এ সিসিএিল পরিচয়ে ফায়দা লুঠেছেন, ক্লাবের নামে ভূয়া তথ্য দিয়ে মদ আমদানী করে দুর্নীতি করে চলছেন। ফ্যাসিবাদ সরকারের একজন দোষর হয়ে ফ্যাসিবাদ সরকারের উচুস্তরের ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়ে ফায়দা লুটার নজির রয়েছে।

বর্ণিত বিষয়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাষ্ট্রের রাজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করতঃ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।