ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাস্টমস কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ৫,৩১০ ইয়াবাসহ পল্লবী থানার এএসআই গ্রেপ্তার ইউএনডিপি দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রাজিল ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে চায় না সরকার: আমিনুল হক কুমিল্লা দাউদকান্দিতে গাঁজা-চাপাতিসহ গ্রেপ্তার-৭ বোরহানউদ্দিনে কোস্টগার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, ৮ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ কালুখালী মহিলা কলেজ পরিদর্শনে এমপি হারুন অর রশিদ হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ঘুমন্ত গৃহবধূর দুই কান ছিঁড়ে স্বর্ণালংকার লুট

‘ফুটপাতে একটা দোকানও থাকলে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো’

১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ফুটপাতের খাবারের দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত মিজানুর রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্ধারিত সাজা শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।

কারামুক্ত হওয়ার পর নিজের দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো। এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে যেভাবে তার দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেটি আবার চালু করার জন্য অন্তত একটি জায়গা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এর আগে, গত ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

এ সময় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে মিজানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক আলোচনায় আসে দোকানটি।

দোকানটির নাম ছিল নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়। দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাস্টমস কর্মকর্তা ওয়াসেক বিল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চোরাচালান সিন্ডিকেটের অভিযোগ

‘ফুটপাতে একটা দোকানও থাকলে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো’

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ফুটপাতের খাবারের দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত মিজানুর রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্ধারিত সাজা শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।

কারামুক্ত হওয়ার পর নিজের দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো। এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে যেভাবে তার দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেটি আবার চালু করার জন্য অন্তত একটি জায়গা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এর আগে, গত ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

এ সময় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে মিজানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক আলোচনায় আসে দোকানটি।

দোকানটির নাম ছিল নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়। দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।