ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজস্ব কর্মকর্তার দুর্নীতির তথ্য নেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি পবিপ্রবির পরিবহন বহরে যুক্ত হলো বিআরটিসির দোতলা বাস পাঁচ কোটির কাজ, ৫০ লাখের লেনদেন, চাপে মামলা: প্রশ্নের মুখে বিএডিসি গার্মেন্টসে অস্থিরতায় সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বড়লেখার দাসের বাজারে বিএনপির মতবিনিময় সভা, প্রধান অতিথি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু অটোরিকশা নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মাইকিং গঙ্গার পানি না এলে ভারতীয় পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না: নাহিদ ইসলাম নাটোরের সাবেক এমপি শিমুলের সহযোগী যুবলীগ নেতা আটক তাহসিফের মৃত্যুরহস্য: বারে মদ্যপান থেকে টঙ্গীর মাঠে যাওয়ার বর্ণনা দীপের পিডিবিকে পাত্তা দিচ্ছে না চট্টগ্রাম বিআরটিএ, বকেয়া বিলের কারণে বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

‘ফুটপাতে একটা দোকানও থাকলে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো’

১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ফুটপাতের খাবারের দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত মিজানুর রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্ধারিত সাজা শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।

কারামুক্ত হওয়ার পর নিজের দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো। এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে যেভাবে তার দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেটি আবার চালু করার জন্য অন্তত একটি জায়গা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এর আগে, গত ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

এ সময় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে মিজানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক আলোচনায় আসে দোকানটি।

দোকানটির নাম ছিল নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়। দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজস্ব কর্মকর্তার দুর্নীতির তথ্য নেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি

‘ফুটপাতে একটা দোকানও থাকলে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো’

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ফুটপাতের খাবারের দোকানের মালিক ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত মিজানুর রহমান। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্ধারিত সাজা শেষে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় জেলগেটে তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।

কারামুক্ত হওয়ার পর নিজের দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা শহরের যদি একটা দোকান ফুটপাতে থাকে, মিজানেরটাও থাকতে হইবো। এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে যেভাবে তার দোকানটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেটি আবার চালু করার জন্য অন্তত একটি জায়গা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এর আগে, গত ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল বিদ্যুৎ বিভাগ।

এ সময় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে মিজানের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক আলোচনায় আসে দোকানটি।

দোকানটির নাম ছিল নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিতি পায়। দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।