ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা ফের চালু এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ শুধু জিপিএ-৫ নয়, আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য: ড. সায়মা ফেরদৌস বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও মোটরসাইকেল চোরসহ গ্রেপ্তার ৭ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: একসঙ্গে দেশে ফিরল ৫ বাংলাদেশির মরদেহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সরকার: তথ্যমন্ত্রী

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: একসঙ্গে দেশে ফিরল ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

ভারতের কলকাতায় ‘শিখা ইন’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো বেনাপোলে পৌঁছালে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কফিন ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩), শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) এবং ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু (৩৭)।

এ ছাড়া সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দেশে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারের সম্মতিতে রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হবে।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয় নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন এবং ঢাকার সাভারের একজন ছিলেন। শনিবার পাঁচজনের মরদেহ দেশে ফিরেছে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ নামের আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন, সাতক্ষীরার দু’জন এবং ঢাকার সাভারের একজন রয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: একসঙ্গে দেশে ফিরল ৫ বাংলাদেশির মরদেহ

আপডেট সময় ০৭:২৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের কলকাতায় ‘শিখা ইন’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। মরদেহগুলো বেনাপোলে পৌঁছালে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কফিন ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩), শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) এবং ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু (৩৭)।

এ ছাড়া সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দেশে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারের সম্মতিতে রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হবে।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ও আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশি ও দুই ভারতীয় নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন এবং ঢাকার সাভারের একজন ছিলেন। শনিবার পাঁচজনের মরদেহ দেশে ফিরেছে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ নামের আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চারজন, সাতক্ষীরার দু’জন এবং ঢাকার সাভারের একজন রয়েছেন।