ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

কুমিল্লায় এসএন মার্কেটে দোকান দখলের চেষ্টার অভিযোগ,নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় এলাকার এসএন মার্কেটে দোকান দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে এসএন মার্কেটে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও মার্কেটের মালিকপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসএন টাওয়ারের মালিক মোছা. নাজমা আক্তার। তিনি হেলাল, কুদ্দুস, মাসুদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মার্কেটের দোকানদারদের কাছে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মার্কেটের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় দেওয়া অভিযোগে নাজমা আক্তার উল্লেখ করেন, গত ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্তরা দলবদ্ধভাবে এসএন টাওয়ারে প্রবেশ করে হামলা চালান। এ সময় তার স্বামী রাহে নেওয়াজ ও ছেলে সায়মন বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের একজন বাঁশ দিয়ে রাহে নেওয়াজের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সময় তার ছেলে সায়মনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নাজমা আক্তার।

এ ছাড়া মার্কেটের বৈদ্যুতিক তার ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাদের খুন ও লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

বর্তমানে রাহে নেওয়াজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানানো হয়।

অভিযোগে মো. মাসুদ রানা, মো. সওকত আলী, মো. আল হেলাল, মো. আব্দুল কুদ্দুছ, শেখ রাসেল, মো. জহির, মো. মামুন ভূইয়া ও মো. সুলতানসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লায় এসএন মার্কেটে দোকান দখলের চেষ্টার অভিযোগ,নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগীদের

আপডেট সময় ০৮:১৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় এলাকার এসএন মার্কেটে দোকান দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে এসএন মার্কেটে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও মার্কেটের মালিকপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসএন টাওয়ারের মালিক মোছা. নাজমা আক্তার। তিনি হেলাল, কুদ্দুস, মাসুদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মার্কেটের দোকানদারদের কাছে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মার্কেটের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় দেওয়া অভিযোগে নাজমা আক্তার উল্লেখ করেন, গত ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্তরা দলবদ্ধভাবে এসএন টাওয়ারে প্রবেশ করে হামলা চালান। এ সময় তার স্বামী রাহে নেওয়াজ ও ছেলে সায়মন বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের একজন বাঁশ দিয়ে রাহে নেওয়াজের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সময় তার ছেলে সায়মনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নাজমা আক্তার।

এ ছাড়া মার্কেটের বৈদ্যুতিক তার ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাদের খুন ও লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

বর্তমানে রাহে নেওয়াজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানানো হয়।

অভিযোগে মো. মাসুদ রানা, মো. সওকত আলী, মো. আল হেলাল, মো. আব্দুল কুদ্দুছ, শেখ রাসেল, মো. জহির, মো. মামুন ভূইয়া ও মো. সুলতানসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।