রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা পান বাজারে মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন শা আপেল ইসলাম ২০১২ হনছন বাইক দুর্ঘটনায় একটি ছেলেকে মেরে ফেলে এবং তখন থেকে সে আত্মগোপনে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ায় বন্ধুর কাছে আশ্রয় নেয় সেখানে গা ঢাকা দিয়ে থাকে এবং বাইক নিয়ে হাকিমপুর হিলিতে আরিফ নামের এক মাদক কারাবাড়ির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন ঢাকায় এবং ৫০ ৩৭ করে ফেনসিডিল কম দামে নিয়ে এসে ঢাকায় চড়া মূল্যে বিক্রি করতে করতে পরবর্তীতে ট্রাকে ট্রাকে ফেনসিডিল সরবরাহ করে রাতারাতি ধনকুবুর বনে যায়।
সুন্দর চেহেরা অর্থ থাকায় কক্সবাজারের আলোচিত সমালোচিত ইয়াবা সম্রাট বদির বোন কে প্রেমে পটিয়ে বিয়ে করে তারপর থেকে উত্তরবঙ্গের ইয়াবা সম্রাট বনে যায় নিয়মিত লক্ষ লক্ষ পিস ইয়াবা গাইবান্ধা,রংপুর,হাকিমপুর,হিলি,রাজধানী মোড়ের সুপরিচিত ব্যবসায়ী হাজির নিকট সরবরাহ করে কোটি কোটি টাকা বানিয়ে ফেলে।
ফখরুদ্দিন মইনুদ্দিন সরকারের আমলে এসে দুইটা ট্রাক একটি উন্নত মডেলের প্রাইভেট কার কয়েকটি cbz মোটর বাইক কিনে ফেলে নিজ গাড়িতে বিভিন্ন কায়দায় তার ব্যবসা চালিয়ে যায় পরবর্তীতে ঢাকার এয়ারপোর্ট এলাকায় রাজকীয় বাড়ি ভাড়া নিয়ে পরিবার সহ দিব্যি ব্যবসা চালাতে থাকে ধীরে ধীরে প্রশাসনের নজরে আসলে তার গ্রামের বাড়িতে পানবাজার এলাকায় বারবার প্রশাসন হানা দিয়েও তাকে ধরা সম্ভব হয়নি পরবর্তীতে তার অবস্থান লক্ষ্য করে র্যাব পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী সহযোগিতায় রাজধানীর গুলিস্থান উত্তরা ও এয়ারপোর্ট তিন জায়গায় প্রশাসন সেট করা হয় প্রথমে গুলিস্তান থেকে তাকে ধাওয়া করা হলে উত্তরা পৌঁছানোর আগে র্যাব তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে তার নিজ প্রাইভেটকারের দরজা দিয়ে ধাক্কা মেরে র্যাবকে আহত করে পালানোর চেষ্টা করলে তার গাড়ির চাকায় গুলি করে আঁকে আটকানো হয় এবং তার নিকট থেকে পুষ্পান্ন হাজার ইয়াবা পীর সহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। অপরাধের ধরন দুর্ধর্ষ তালিকা থাকায় ক্রসফায়ারের নির্দেশ হলে তার আপন জেঠাতো ভাই ওসির ক্ষমতা তদবির ও কোটি টাকার বিনিময়ে সেবার জেল হাজতে যেয়ে রক্ষা পান।
২১/২২ সালে জেল থেকে বের হয়ে বছরখানে প্রথমে সে নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে ঠিকাদারি লাইসেন্স বানিয়ে রাতারাতি কোটি টাকার কাজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু কুকুরের লেজে ঘি মাখলে ও সোজাহয় না মাদক সোসম্রাট আপেল তার দৃষ্টান্ত উদাহরণ। পরে সে বাহিরের লোক দেখানো ঠিকাদারি তকমা লাগিয়ে পূর্বের মাদক ব্যবসা ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। গোপনে ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় লালমনিরহাট সহ উত্তরবঙ্গ এলাকা জুড়ে ব্যাপক ভাবে ইয়াবা নামক মরণ নেশার ব্যবসা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।
তার নিজ বাড়ি পান বাজারে তার একটি বিরাট পুকুর রয়েছে পুকুর পাড়ের দক্ষিণ পূর্বকোণায় দোতলা পাকা একটি বিরাট আস্তানা রয়েছে এখানে পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ডিলিংস করে থাকে।তার হাত ধরে উত্তরবঙ্গে হাজার হাজার ইয়াবা ব্যবসায়ীর জন্ম হয়েছে যেমন গাইবান্ধা তার সামিউল,সঞ্জু,শরিফ ঠাকুরগাঁয়ের আশরাফুল ফারুক সিন্ডিকেট হাকিমপুর হিলির হাজী ও আরিফ সিন্ডিকেট যাদের মাধ্যমে চলছে সমগ্র উত্তরবঙ্গের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা। এই অল্প সময়ের মধ্যে সে টার্মিনাল সংলগ্ন বদরগঞ্জ রোডে একটি আলিশান বাড়ি করেছে বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া গেছে তাকে গ্রেফতার করলে উত্তরবঙ্গে মাদক অনেকটাই নির্মূল হবে সচেতন মহল।
শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি 






















