ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অস্তিত্বহীন অফিসে গণপূর্তের ৩১১ কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ে উঠেছে অভিযোগ আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর মিসরের বিপক্ষে জয়ের পর কেন কেঁদেছিলেন মেসি? নিজ দলের কর্মীদের পেটালেন মমতা পোষা পাখি মরে যাওয়ায় কান্না, শাসন করায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত বড় ভাই মির্জাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁ’জা গাছ ও ই’য়া’বা উদ্ধার চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সাথে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় টাঙ্গাইলে ‘সবুজ পৃথিবী’র ঔষধি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য বিনামূল্যে থাকবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সাথে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণির সঙ্গে আজ ৮ জুলাই বুধবার  জাতীয় সংসদ ভবনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক (ডিজি) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জেলেদের কল্যাণ, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, সমুদ্রপথে মাদক পাচার প্রতিরোধ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধ, সংঘাত বা নাশকতাজনিত কারণে বাংলাদেশের সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণে সমুদ্রের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে অন্যান্য দেশের আদলে মাছ ধরার নৌকায় রঙভিত্তিক (কালার কোড) পরিচিতি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি জেলেদের অবস্থান শনাক্তকরণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জিপিএস ট্র্যাকার সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।
মাননীয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, জেলেদের জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সমুদ্রকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, দেশের জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, কোস্ট গার্ডের বহরে হেলিকপ্টার সংযোজন করা হলে সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, জরুরি সহায়তা প্রদান এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এ সময় মাননীয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি কোস্ট গার্ডকে আরও সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদানে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
বৈঠকে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সমুদ্রপথে মাদক পাচার প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
এছাড়া অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া সংবাদ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, যাতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যায়।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্তিত্বহীন অফিসে গণপূর্তের ৩১১ কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ে উঠেছে অভিযোগ

চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সাথে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৮:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণির সঙ্গে আজ ৮ জুলাই বুধবার  জাতীয় সংসদ ভবনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক (ডিজি) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জেলেদের কল্যাণ, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, সমুদ্রপথে মাদক পাচার প্রতিরোধ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধ, সংঘাত বা নাশকতাজনিত কারণে বাংলাদেশের সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণে সমুদ্রের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দ্রুত অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে অন্যান্য দেশের আদলে মাছ ধরার নৌকায় রঙভিত্তিক (কালার কোড) পরিচিতি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি জেলেদের অবস্থান শনাক্তকরণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জিপিএস ট্র্যাকার সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।
মাননীয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, জেলেদের জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সমুদ্রকেন্দ্রিক নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, দেশের জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, কোস্ট গার্ডের বহরে হেলিকপ্টার সংযোজন করা হলে সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, জরুরি সহায়তা প্রদান এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এ সময় মাননীয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি কোস্ট গার্ডকে আরও সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদানে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।
বৈঠকে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সমুদ্রপথে মাদক পাচার প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
এছাড়া অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া সংবাদ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, যাতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচার কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যায়।