সংবাদ শিরোনাম ::
১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে কে জিতবে, নির্ধারণ করবেন গ্যাব্রিয়েল-হালান্ড! শাওনের ফেসবুক আইডি উধাও মিয়ানমার সীমা‌ন্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ানো হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি সপ্তাহে ৫ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস গঙ্গাচড়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এইচএসসি পরীক্ষার্থীর পাথরঘাটায় ৩৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে চারা গাছ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক কুয়েতে অবৈধভাবে নারী গৃহকর্মী পাঠানো দালাল চক্র নিয়ে দূতাবাসের সতর্কতা সাঁথিয়া থানার ছোন্দাহ গ্রামের মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আমি ভেবেছিলাম ইরানের মানুষ খামেনিকে তীব্র ঘৃণা করে: ট্রাম্প 

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে সাধারণ নাগরিকদের কান্নাকাটি ও স্বতঃস্ফূর্ত শোক প্রকাশ করতে দেখে গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম ইরানের সাধারণ মানুষ তাদের এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাকে তীব্র ঘৃণা করে।

রোববার(৫ জুলাই) পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া একটি বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের এই প্রতিক্রিয়ার কথা জানান। খামেনির প্রয়াণে ইরানিদের আবেগের চিত্র দেখে নিজের আগের ধারণা ভুল প্রমাণিত হওয়ার কথা স্বীকার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে’। দৃশ্যটি দেখে ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল, ‘হতে পারে এগুলো ভুয়ো কান্না’।

একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে দাবি করেন যে ওই শেষকৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বসহ সমস্ত মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘তারা সবাই সেখানে রয়েছে। একটি মাত্র আঘাতে আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারি’। তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই যোগ করেন যে এই ধরনের কোনো চরম পদক্ষেপ তিনি নিতে চান না। কারণ তেমন কিছু করলে পরবর্তীতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য ওপাশে আর কোনো মানুষই অবশিষ্ট থাকবে না। মূলত এই কারণেই তিনি এই ধরনের সামরিক হুমকি বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট অ্যাক্সিওসকে আরও জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের উভয় পক্ষই খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘শেষকৃত্যের এই অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর কোনো ধরনের গুলিবর্ষণ বা সামরিক হামলা চালাবে না’।

তিনি দাবি করেন, ইরান একটি চুক্তির জন্য রীতিমতো ব্যাকুল হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সদ্ব্যবহারের অংশ হিসেবেই জানাজা চলাকালীন এই এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি দেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

আমি ভেবেছিলাম ইরানের মানুষ খামেনিকে তীব্র ঘৃণা করে: ট্রাম্প 

আপডেট সময় ০৪:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে সাধারণ নাগরিকদের কান্নাকাটি ও স্বতঃস্ফূর্ত শোক প্রকাশ করতে দেখে গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম ইরানের সাধারণ মানুষ তাদের এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাকে তীব্র ঘৃণা করে।

রোববার(৫ জুলাই) পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া একটি বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের এই প্রতিক্রিয়ার কথা জানান। খামেনির প্রয়াণে ইরানিদের আবেগের চিত্র দেখে নিজের আগের ধারণা ভুল প্রমাণিত হওয়ার কথা স্বীকার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে’। দৃশ্যটি দেখে ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল, ‘হতে পারে এগুলো ভুয়ো কান্না’।

একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে দাবি করেন যে ওই শেষকৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বসহ সমস্ত মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘তারা সবাই সেখানে রয়েছে। একটি মাত্র আঘাতে আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারি’। তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই যোগ করেন যে এই ধরনের কোনো চরম পদক্ষেপ তিনি নিতে চান না। কারণ তেমন কিছু করলে পরবর্তীতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য ওপাশে আর কোনো মানুষই অবশিষ্ট থাকবে না। মূলত এই কারণেই তিনি এই ধরনের সামরিক হুমকি বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট অ্যাক্সিওসকে আরও জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের উভয় পক্ষই খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘শেষকৃত্যের এই অনুষ্ঠান চলাকালীন কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর কোনো ধরনের গুলিবর্ষণ বা সামরিক হামলা চালাবে না’।

তিনি দাবি করেন, ইরান একটি চুক্তির জন্য রীতিমতো ব্যাকুল হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সদ্ব্যবহারের অংশ হিসেবেই জানাজা চলাকালীন এই এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি দেওয়া হয়েছে।