বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্যের আমন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ মন্ত্রী সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটের চিত্র তুলে ধরেন এসময় মন্ত্রী দ্রুত সংকট নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ই জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শিক্ষামন্ত্রীকে সাদরে গ্রহণ করেন। শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন- ০১ এর নিচে গ্রাউন্ডফ্লোরে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বক্তব্য দেন। এরপর খুলনায় প্রোগ্রাম থাকায় দ্রুত ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন মন্ত্রী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ শিক্ষামন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সংকটের চিত্র তুলে ধরেন। উপাচার্য বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ১৬ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখানে সেই অর্থে অগ্রগতি সাধিত হয়নি। আপনাকে নিয়ে আমরা যে অডিটোরিয়ামে বসবো সেটাও এখানে নেই। আমাদের একাডেমিক বিল্ডিং নেই, হল নেই, পাকা রাস্তা নেই, আমাদের মাত্র পঞ্চাশ একরের ক্যাম্পাস। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপিপি বরাদ্দ দরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জমি অধিগ্রহণ দরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সংকট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীর দাবি কাছে জোর দাবি জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে যেখানে একাডেমিক বিল্ডিং, আবাসিক হল সংকট নিরসন ও ক্যাম্পাস সম্প্রসারনের লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের তিনটি দাবি উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বলেন, দীর্ঘ ১৫টি বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কেন হয়নি? আমি খুব স্বল্প সময় নিয়ে বরিশালে এসেছিলাম, তোমাদের ভিসির আমন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেছি, তোমাদের সাথেও দেখা হলো ভাল লাগলো।
তোমাদের দাবি ৫০ একর থেকে ১০০ একরে উন্নিত করা।এখানে জমি না পাওয়া গেলে আমরা ক্যাম্পাস ২ করতে পারি। তোমাদের সংকট সমাধানে যা যা করা প্রয়োজন তাই করতে হবে। তোমরা জানো আমাদের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতে এবার সবচেয়ে ভাল বাজেট দিয়েছে, অতএব এই সমস্যা আর থাকবে না এই সমস্যা দূরিভূত হতেই হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমি তোমাদের বলব, শত জটিলতার মধ্যেও তোমরা কিন্তু লেখাপড়া করছো। যারা আজকে ফাইনাল ইয়ারে, তারা হইতো এই সুবিধাটা পাবে না, সুবিধা না পেলেও লেখাপড়া করতে হবে। তোমার সুবিধা না পেলেও তোমাদের ছোট ভাইরা এই সুযোগগুলো পাবে।
আব্দুল্লাহ আল মামুন, ববি প্রতিনিধি 






















