সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

খোদ এলজিইডির প্রধানদের সঙ্গে রফা করে কক্সবাজারে যুগের পর যুগ বহাল তবিয়তে হেলাল উদ্দিন

এম শাহীন আলম: কক্সবাজার এলজিইডিতে শত অনিয়ম করেও দুর্নীতিবাজ,ঘুষখোর এলজিইডি প্রধানদের বদলী বাণিজ্যের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রফা করে যুগের পর যুগ বহাল তবিয়তে উপ-সহকারী হেলাল উদ্দিন। বিগত দিনে হেলাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে কাজে অনিয়মের অভিযোগ সরেজমিনে সত্যতা এনে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় অসংখ্য নিউজ হলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। অনিয়মের হেডকোয়ার্টার খ্যাত কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের উপসহকারী হেলাল উদ্দিন একেই জেলায় যুগের পর যুগ ঘুরে ফিরে থাকার কারণে এলজিইডির ঠিকাদারদের সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠে। হেলাল উদ্দিন ঠিকাদারদের সাথে সখ্যতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ বিভিন্ন উন্নয়ণ মূলক কাজে ঠিকাদারদের সাথে রফা করে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে ঘুষ বাণিজ্য আর অবৈধ অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে কক্সবাজারে নামে বেনামে জমি,প্লট,ফ্ল্যাট সহ রিসোর্ট মালিক বনে গেছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।

সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে কক্সবাজারের স্থানীয় ঠিকাদারদের সাথে কথা বললে তারা জানান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন একজন চরম লেভেলের ঘুষখোর ইঞ্জিনিয়ার। সে টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না। টাকা না দিলে সে কাজে অযথা বাঁধা সৃষ্টি করে আর টাকা দিলে কাজের মান যেনতেন করলেও সে ঠিকাদারদের খারাপ কাজের পক্ষেও সুপারিশ করে। উপসহকারী হেলাল উদ্দিন এর বিষয়ে ঠিকাদাররা বলেন, একজন সরকারি লোক এক জায়গায় এক জেলায় কয়দিন চাকুরী করতে পারে? এই হেলাল উদ্দিন বিগত দিনে বেশ কয়েকবার বদলী হলেও সে তার উপরের স্যারদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে তার বদলী ঠেকিয়ে যুগের পর যুগ অনিয়ম করেও কক্সবাজারে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ঠিকাদাররা আরো জানান, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন কক্সবাজারে যুগের পর যুগ থাকার কারণে অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে সে কক্সবাজারে বহু প্লট,ফ্ল্যাট,পার্টনারে রিসোর্টের মালিক হয়েছেন যা অবিশ্বাস্য। ঠিকাদাররা বলেন, হেলাল উদ্দিন কাজে অনিয়মের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ টাকার মালিক হওয়ার কারণে সে তার জেলা অফিসারদেরকেও তোয়াক্কা করেন না। ঠিকাদারদের দাবী উপসহকারী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান করলে তার বহু অবৈধ সম্পদের হিসাব মিলবে।

কক্সবাজারের ঠিকাদাররা সহ এলজিইডিতে কর্মরত সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন একজন সরকারি কর্মকর্তা /কর্মচারী একেই জেলায় একেই স্টেশনে ৩৬ মাসের বেশি কি করে যুগ যুগ ধরে অসংখ্য অনিয়ম করেও কিভাবে বহাল তবিয়তে থাকে?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

খোদ এলজিইডির প্রধানদের সঙ্গে রফা করে কক্সবাজারে যুগের পর যুগ বহাল তবিয়তে হেলাল উদ্দিন

আপডেট সময় ০৭:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

এম শাহীন আলম: কক্সবাজার এলজিইডিতে শত অনিয়ম করেও দুর্নীতিবাজ,ঘুষখোর এলজিইডি প্রধানদের বদলী বাণিজ্যের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রফা করে যুগের পর যুগ বহাল তবিয়তে উপ-সহকারী হেলাল উদ্দিন। বিগত দিনে হেলাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে কাজে অনিয়মের অভিযোগ সরেজমিনে সত্যতা এনে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় অসংখ্য নিউজ হলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। অনিয়মের হেডকোয়ার্টার খ্যাত কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের উপসহকারী হেলাল উদ্দিন একেই জেলায় যুগের পর যুগ ঘুরে ফিরে থাকার কারণে এলজিইডির ঠিকাদারদের সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠে। হেলাল উদ্দিন ঠিকাদারদের সাথে সখ্যতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ বিভিন্ন উন্নয়ণ মূলক কাজে ঠিকাদারদের সাথে রফা করে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে ঘুষ বাণিজ্য আর অবৈধ অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে কক্সবাজারে নামে বেনামে জমি,প্লট,ফ্ল্যাট সহ রিসোর্ট মালিক বনে গেছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।

সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে কক্সবাজারের স্থানীয় ঠিকাদারদের সাথে কথা বললে তারা জানান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন একজন চরম লেভেলের ঘুষখোর ইঞ্জিনিয়ার। সে টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না। টাকা না দিলে সে কাজে অযথা বাঁধা সৃষ্টি করে আর টাকা দিলে কাজের মান যেনতেন করলেও সে ঠিকাদারদের খারাপ কাজের পক্ষেও সুপারিশ করে। উপসহকারী হেলাল উদ্দিন এর বিষয়ে ঠিকাদাররা বলেন, একজন সরকারি লোক এক জায়গায় এক জেলায় কয়দিন চাকুরী করতে পারে? এই হেলাল উদ্দিন বিগত দিনে বেশ কয়েকবার বদলী হলেও সে তার উপরের স্যারদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে তার বদলী ঠেকিয়ে যুগের পর যুগ অনিয়ম করেও কক্সবাজারে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ঠিকাদাররা আরো জানান, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন কক্সবাজারে যুগের পর যুগ থাকার কারণে অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে সে কক্সবাজারে বহু প্লট,ফ্ল্যাট,পার্টনারে রিসোর্টের মালিক হয়েছেন যা অবিশ্বাস্য। ঠিকাদাররা বলেন, হেলাল উদ্দিন কাজে অনিয়মের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ টাকার মালিক হওয়ার কারণে সে তার জেলা অফিসারদেরকেও তোয়াক্কা করেন না। ঠিকাদারদের দাবী উপসহকারী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান করলে তার বহু অবৈধ সম্পদের হিসাব মিলবে।

কক্সবাজারের ঠিকাদাররা সহ এলজিইডিতে কর্মরত সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন একজন সরকারি কর্মকর্তা /কর্মচারী একেই জেলায় একেই স্টেশনে ৩৬ মাসের বেশি কি করে যুগ যুগ ধরে অসংখ্য অনিয়ম করেও কিভাবে বহাল তবিয়তে থাকে?