ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাসী কায়দায় গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পিএসএলের বাকি অংশে খেলা হচ্ছে না নাহিদ-মুস্তাফিজের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বেরোবিতে আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আইইএলটিএস পরীক্ষা দিতে আসা তরুণীর লাশ মিলল হোটেলের বাথরুমে বড়লেখা উপজেলা পৌর ছাত্রদল ও বড়লেখা উপজেলা শাখার ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তনু হত্যায় গ্রেপ্তার হাফিজুরের ডিএনএর নমুনা সংগ্রহ বিসিকের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ! ঘোড়াশালে চাঁদাবাজ মহিউদ্দিনের দাপট, স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলের অভিযোগ কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ড যাচাইয়ে ইউএনও’র তৎপরতা, ভুল বোঝাবুঝির অবসান

কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ড যাচাইয়ে ইউএনও’র তৎপরতা, ভুল বোঝাবুঝির অবসান

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ফুয়েল কার্ড যাচাই কার্যক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের সরাসরি তদারকিকে ঘিরে সৃষ্ট আলোচনার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘটনাটি মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝি, যা পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের একটি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার সময় ইউএনও উপস্থিত থেকে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে মনিটরিং করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কার্ডধারীদের মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ সময় এক ব্যক্তি অন্যের কার্ড ব্যবহার করে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে সাময়িক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, “কার্ড যাচাইয়ের সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল, যা পরে পরিষ্কার হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার কাছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় কখনো কখনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তবে সবকিছুই নিয়মের মধ্যেই করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে এবং বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধারণ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, অনিয়ম ঠেকাতে এমন তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও যাতে কেউ অন্যের কার্ড ব্যবহার করে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে, যাতে এ ধরনের বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাসী কায়দায় গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ড যাচাইয়ে ইউএনও’র তৎপরতা, ভুল বোঝাবুঝির অবসান

আপডেট সময় ০৮:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় ফুয়েল কার্ড যাচাই কার্যক্রমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের সরাসরি তদারকিকে ঘিরে সৃষ্ট আলোচনার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘটনাটি মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝি, যা পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের একটি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার সময় ইউএনও উপস্থিত থেকে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে মনিটরিং করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কার্ডধারীদের মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ সময় এক ব্যক্তি অন্যের কার্ড ব্যবহার করে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে সাময়িক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, “কার্ড যাচাইয়ের সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল, যা পরে পরিষ্কার হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার কাছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় কখনো কখনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তবে সবকিছুই নিয়মের মধ্যেই করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে এবং বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধারণ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, অনিয়ম ঠেকাতে এমন তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও যাতে কেউ অন্যের কার্ড ব্যবহার করে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে, যাতে এ ধরনের বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।